কোন গাছের ডাল দিয়ে মিসওয়াক করা উচিত?
প্রশ্ন (১৩০০৩) : রাসূল (সা.) কি গাছের মিসওয়াক ব্যবহার করতেন? আমরা যদি আমাদের দেশের গাছের মিসওয়াক ব্যবহার করি তবে রাসূল (সা.) যে গাছের ডাল দ্বারা মিসওয়াক করেছেন তার মত ফজিলত হাসিল হবে কি না?
প্রশ্ন (১৩০০৩) : রাসূল (সা.) কি গাছের মিসওয়াক ব্যবহার করতেন? আমরা যদি আমাদের দেশের গাছের মিসওয়াক ব্যবহার করি তবে রাসূল (সা.) যে গাছের ডাল দ্বারা মিসওয়াক করেছেন তার মত ফজিলত হাসিল হবে কি না?
প্রশ্ন (১২৯৭৫) : আমার সামান্ন পানিতেই সর্দি লেগে যায়। একসময় তা ঘন ও শক্ত হয়ে যায়। তাই ঘন সর্দির সাথে কখনো জমাটবাঁধা রক্ত বের হয়ে আসে। তাই জানতে চাচ্ছি, এভাবে সর্দির সাথে জমাটবাঁধা রক্ত বের হলে কি অযু নষ্ট হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১২৯৫৪) : কাঁথা-কম্বল ইত্যাদির কোনো এক কোণে যদি ছোট বাচ্চার পেশাব লাগে এবং তা শুকিয়ে যায় তাহলে কি অপর পাক অংশে নামায পড়া যাবে? তেমনি তোশক বা জাজিমের এক পিঠে নাপাকি লাগলে তা উল্টিয়ে অপর পিঠে কি নামায পড়া যাবে?
প্রশ্ন (১২৮৫৬) : কুরআন মাজীদের কোনো সূরা বা আয়াত মোবাইল সেট বা আই-প্যাডের স্ক্রিনে লেখা থাকলে তা অযু ব্যতীত স্পর্শ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১২৮৪৫) : হযরতের কাছে জানতে চাচ্ছি, সঠিক নিয়ম মেনে ফরজ গোসল করার পর নামায পড়তে চাইলে কি পুনরায় অযু করে নিতে হবে?
প্রশ্ন (১২৮২১) : আমার চোখে অপারেশন হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যান্ডেজ খুলে দেওয়া হলেও ডাক্তার এক মাস পর্যন্ত চোখে পানি লাগাতে নিষেধ করেছেন। এখন আমি কীভাবে অযু করব?
প্রশ্ন (১২৮০৮) : মেয়েদের ফরজ গোসলে চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত ভিজানো কি জরুরী? খোপা/বেণী করা থাকলে সমাধান কি? আর চুল খোলা থাকলে সমাধান কি?
প্রশ্ন (১২৭৫৭) : আমি একটি কাপড় পরে কয়েকদিন ধরে নামায পড়ছি। একদিন নামাযের দুই ঘণ্টা পরে দেখি যে, কাপড়ের একাংশে দুই ইঞ্চি পরিমাণ রক্ত লেগে আছে। এ রক্ত কখন লেগেছে তা আমার জানা নেই। নামাযের সময় এ রক্ত ছিল কি না তাও জানা নেই। এখন কি এই কাপড় পরে যত নামায পড়েছি তার কাযা পড়তে হবে? জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১২৭৫৬) : অনেক সময় হাতের নখ বড় থাকে। তখন নখের ভিতরে ময়লা জমে থাকে। আমার জানার বিষয় হল, ফরয গোসলের ক্ষেত্রে নখের ভিতরের ময়লা পরিষ্কার করা বা তার ভিতরে পানি পৌঁছানো কি জরুরি? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১২৭৪৬) : আমার দাদার দাঁত কিছুটা দুর্বল। পেয়ারা, আপেল ইত্যাদি শক্ত কিছু কামড়ে খাওয়ার সময় তাতে রক্তের হালকা ছাপ পড়ে। হুজুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, এমন অবস্থায় কি নতুন করে অযু করতে হবে? নাকি পূর্বের অযু দ্বারাই তিলাওয়াত, নামায ইত্যাদি আদায় করতে পারবেন?
প্রশ্ন (১২৭৪৫) : আমাদের মসজিদ নদীর খুব নিকটে। আমরা মূলত চরে বসবাস করি। মসজিদে প্রায়ই পানির ব্যাঙ ঢুকে জায়নামাযে পেশাব করে দেয়। জানতে চাই, একারণে কি জায়নামায নাপাক হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১২৭৩০) : ইস্তিঞ্জা করার ক্ষেত্রে পানি বা ঢিলা তিন বার ব্যবহার করা কি আবশ্যক? কেউ যদি ৩ বারের চেয়ে বেশি ব্যবহার করে তাহলে কি তা ঠিক হবে?
প্রশ্ন (১২৭১৩) : আমি শুক্রবার সকালে চামড়ার মোজা পরিধান করি এবং ঐ মোজার উপর মাসাহ করে জুমার নামায আদায় করি। এরপর সফরে বের হই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমি কত দিন পর্যন্ত এই মোজার উপর মাসাহ করতে পারব?
প্রশ্ন (১২৬৯৫) : আমরা জানি, গোসল ফরয অবস্থায় শরীর নাপাক থাকে। তো আমি জানতে চাচ্ছি, এই অবস্থায় শরীর থেকে বেরিয়ে আসা ঘাম কি নাপাক? তা জামায় লাগলে কি জামা নাপাক হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১২৬৯০) : আমার পা শুষ্ক হওয়ার কারণে সাধারণত আমি অযু শুরু করার পূর্বে পা ভিজিয়ে নেই। এতে অযুর শেষে আমার পা ধৌত করতে সুবিধা হয়। কিন্তু এ পর্যন্ত অনেকেই আমাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করেছে যে, আপনি এমনটি করেন কেন? এতে তো অযুর তারতীব রক্ষা হয় না। পা তো অযুর শেষে ধৌত করতে হয়। হুজুরের কাছে জানতে চাই, পায়ের শুষ্কতার কারণে আগে পা ভিজিয়ে নিলে কি অযুর তারতীব পরিবর্তন হয়ে যায়? আর এতে কি কোনো অসুবিধা আছে?
প্রশ্ন (১২৬৮৮) : একটি সড়ক দুর্ঘটনায় আমি হাতে চোট পেলে তাতে ব্যান্ডেজ লাগানো হয় এবং প্রতিদিনই ড্রেসিংয়ের প্রয়োজন হয়। ডাক্তার উক্ত স্থানে পানি লাগাতে নিষেধ করেন। তাই আমি ব্যান্ডেজের উপর মাসাহ করি। জানার বিষয় হল, যদি আমি ড্রেসিংয়ের আগে ব্যান্ডেজের উপর মাসাহ করে থাকি তাহলে কী ড্রেসিংয়ের পর পুনরায় মাসাহ করতে হবে?
প্রশ্ন (১২৬৭৮) : একবার আমার পায়ের গোড়ালিতে ভীষণ আঘাত পাই। এরপর সে আঘাত সারার পরও সেখানে বেশি চাপ পড়লে পানি জমে যায়। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ইনজেকশন দিয়ে সে পানি বের করে ফেলতে হয়। আমার জানার বিষয় হল, আমার যদি অযু থাকে তাহলে কি ইনজেকশন দ্বারা সে পানি বের করার দ্বারা আমার অযু ভেঙ্গে যাবে?
প্রশ্ন (১২৬৬৫) : কিছু দিন আগে ডাক্তারের নিকট গিয়ে কয়েকটি দাঁত ওয়াশ করাই। দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়ছিল। ডাক্তারের কথা অনুযায়ী বাসায় এসে গরম পানি দিয়ে কুলি করলে বেশ সময় পর রক্ত পড়া বন্ধ হয়। নামাযের সময় হওয়ায় বাসা থেকে অযু করে মসজিদের উদ্দেশ্যে রওনা হই। মসজিদের কাছে গিয়ে থুথু ফেলে দেখি তা লালবর্ণ ধারণ করে ছিল। সন্দেহ হওয়ায় সতর্কতাবশত নতুন অযু করে নামায পড়ি। এখন আমার জানার বিষয় হল, আসলেই কি তখন আমার অযু ভেঙ্গে গিয়েছিল? এক্ষেত্রে শরীয়তের মাসআলাটি জানালে কৃতজ্ঞ হব।
প্রশ্ন (১২৬৪৪) : আমাদের এক আত্মীয়ের দুই চোখে অপারেশন হয়েছে। বেশ বড় ধরনের অপারেশন। সাত দিনের আগে ব্যান্ডেজ খোলা হবে না এবং খোলার পর এক মাস পর্যন্ত ডাক্তার চোখে পানি লাগাতে নিষেধ করেছে। এমন অবস্থায় তার অযুর বিধান কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১২৬৩৩) : একদিন আমার আম্মা নামায আদায় করছিলেন। তিনি যখন তাশাহহুদের বৈঠকে ছিলেন তখন আমার এক ছোট বাচ্চা তাঁর কোলে গিয়ে বসে পড়ে। বাচ্চার গায়ের জামা-কাপড় পেশাবে ভেজা ছিল। বাড়িতে কেউ কেউ বলছে, নাপাকিসহ বাচ্চা তাঁর কোলে বসে পড়ায় নামায নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে, নাপাকি তো তাঁর নিজের কাপড়ে ছিল না। তো এ অবস্থায় কি আসলেই তাঁর নামাযের কোনো ক্ষতি হয়েছে? জানিয়ে বাধিত করবেন।