রোযা রেখে স্যালাইন বা ইঞ্জেকশন নিলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৮৬৬) : রোযা রেখে যদি কেউ স্যালাইন বা ইঞ্জেকশন নেয় তাহলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে? তেমনি অসুস্থ অবস্থায় কেউ যদি গ্লুকোজ স্যালাইন নেয় তাহলে কি তার রোযা সহিহ হবে?
প্রশ্ন (১৩৮৬৬) : রোযা রেখে যদি কেউ স্যালাইন বা ইঞ্জেকশন নেয় তাহলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে? তেমনি অসুস্থ অবস্থায় কেউ যদি গ্লুকোজ স্যালাইন নেয় তাহলে কি তার রোযা সহিহ হবে?
প্রশ্ন (১৩৮৫৯) : আমি জানতে চাচ্ছিলাম, রোযা অবস্থায় দাঁত ব্রাশ করার বিধান কী? রোযা রেখে দাঁত ব্রাশ করলে কি রোযা নষ্ট হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৮২১) : শাবান মাসের ২৯ তারিখ অথবা মাস ৩০ দিনে হলে ৩০ তারিখে রোযা রাখতে কোন সমস্যা আছে কী?
প্রশ্ন (১৩৮১৫) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, অনেককেই বলতে শুনি যে, ‘রোযা রেখে গীবত করলে রোযা নষ্ট হয়ে যায়’ । জানতে চাচ্ছি, উক্ত কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৩৮১০) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছিলাম, রোযা রাখাবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে কী রোযা নষ্ট হয়?
প্রশ্ন (১৩৭৭৩) : রোযা রাখা অবস্থায় কাউকে রক্ত দিলে কি রোযা নষ্ট হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৭৬১) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুরের নিকট জনতে চাচ্ছি, গোসলের সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে নাকে পানি গেলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৭৫৪) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার একটি বিষয় জানার ছিল। সেটা হলো, ধুমপান করলে রোযা নষ্ট হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৭৪৫) : রোযা রাখা অবস্থায় আগরবাতি ও কয়েলের ধোঁয়া নাকে গেলে রোযার কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৭৩৮) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুর! আমি জানতে চাচ্ছিলাম, রোযা রেখে চোখে ড্রব দেওয়া যাবে কি? এতে রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৬৬৪) : অনেক আগে আমি রমযানে রোযা রাখার পর বিনা ওজরে একটি রোযা ভেঙ্গে ফেলে। এখন আমার যথেষ্ট বয়স হয়েছে। লাগাতার দুই মাস রোযা রেখে কাফফারা আদায় করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থায় আমি কি টাকা দিয়ে কাফফারা আদায় করতে পারব? সে ক্ষেত্রে কি লাগাতার ৬০ দিন টাকা দিতে হবে? যদি সপ্তাহে দুজন-তিনজন করে দেই তাহলে কী হবে?
প্রশ্ন (১৩৬৬১) : এবার রমযান মাসে একদিন মুয়াযযিন সাহেব ঘড়ি দেখে মাগরিবের আযান দিয়েছেন। তার আযান শুনে মহল্লার অনেক লোক ইফতার করে ফেলেছেন। পরে মহল্লার অন্যান্য মসজিদের আযান, রেডিওর আযান ও রোযার চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে দেখা গেল যে, বাস্তবে তারা সূর্য ডোবার আগেই ইফতার করেছিলেন। জানতে চাই, যারা ইফতার করে ফেলেছেন তাদের রোযা কি ভেঙ্গে গেছে? যদি ভেঙ্গে যায় তাহলে কাযা করলেই যথেষ্ট হবে নাকি কাফফারাও দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৬৪২) : এবার রমযানে একদিন আমাদের বাসার ঘড়িটি কারো অজান্তেই ১০ মিনিট স্লো হয়ে যায়। আমরা এই ঘড়ি দেখেই সাহরি খাচ্ছিলাম। তখন পাশের বাসার একজন এসে বলল, ৮/৯ মিনিট আগেই সাহরির সময় শেষ হয়ে গেছে। সাথে সাথে আমরা খাওয়া বন্ধ করে দেই। প্রশ্ন হল, আমাদের উক্ত রোযাটি কি সহিহ হয়েছে? না হয়ে থাকলে এখন আমাদের করণীয় কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৩৫২৯) : এবার রমযান মাসে একদিন রোযা অবস্থায় আমি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। রাস্তার পাশে এক জায়গায় ময়লার স্তুপে আগুন জ্বলছিল। তখন কিছু ধোঁয়া আমার গলায় ঢুকে যায়। এখন আমি জানতে চাই, ঐ ধোঁয়া আমার গলায় যাওয়ার কারণে কি আমার রোযা ভেঙ্গে গেছে?
প্রশ্ন (১৩৪১৩) : একবার আমি নফল রোযা রেখছিলাম। পরে রোযার কথা ভুলে গিয়ে খানা খেয়ে ফেলি। তবে রোযার কথা স্মরণ হওয়ার পর আর কিছু খাইনি। আমি জানতে চাচ্ছি, আমার এ রোযা কি আদায় হবে? আমাদের এলাকার এক মুরুব্বী বলেছেন, ফরয রোযায় ভুলে খেলে ফেললে রোযা নষ্ট হয় না। কিন্তু নফল রোযায় ভুলে খেয়ে নিলে রোযা নষ্ট হয়ে যায়। তার এ কথা কি ঠিক?
প্রশ্ন (১৩৪১২) : গত রমযানে একদিন আমাদের বাড়ির অনেকগুলো গাছ কাটি। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা কাজ করি। আর রোদের তেজও ছিল প্রখর। আসরের সময় হঠাৎ মাথা ঘোরানো শুরু হয়। তখন কষ্ট সহ্য করতে না পেরে রোযা ভেঙ্গে ফেলি। এখন আমার প্রশ্ন হল, এক্ষেত্রে আমার কী করণীয়? শুধু কাযা করলেই হবে, নাকি কাফফারাও আদায় করতে হবে? অনুগ্রহ করে জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৩৪০৫) : আমার দাঁতে সমস্যার কারণে মাঝে মাঝে দাঁত থেকে রক্ত বের হয়। প্রশ্ন হল, রোযা অবস্থায় যদি দাঁত থেকে রক্ত বের হয় তাহলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৪০৩) : আমি লোকমুখে শুনেছি যে, রোযা অবস্থায় যদি শরীর থেকে রক্ত বের হয় তাহলে রোযা হালকা হয়ে যায়। একথা কি ঠিক? রোযা হালকা হয়ে যাওয়া বলতে কী বোঝায়? আর সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করলে কি রোযা ভেঙ্গে যায়?
প্রশ্ন (১৩৪০০) : রোযা অবস্থায় যদি কাউকে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়, তাহলে এতে কি তার রোযা ভেঙ্গে যাবে? তেমনি রোযা অবস্থায় ইনসুলিন নিলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে? বিস্তারিত বুঝিয়ে দিলে আমরা অনেক উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৩৩৯৪) : আমাদের সন্তান হয়েছে ১ মাস হলো। আমার স্ত্রী শারীরিকভাবে দুর্বল। রোযা অবস্থায় দুধ খাওয়ালে তার রোযা রাখতে খুব কষ্ট হয়। মাঝে মাঝে সন্তান দুধই পায় না। সে দুটি রোযা রেখে ভেঙে ফেলেছিল। ডাক্তারের সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি বাচ্চাকে সাগু ও সেরেলাক খাওয়ানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু বাচ্চা এগুলো খেতে চায় না। এদিকে তার মা রোযাও রাখতে চায় ওদিকে সন্তানের সমস্যা হয়। এক্ষেত্রে শরয়ী সমাধান জানালে আমরা কৃতজ্ঞ হবো। আর যে দুটি রোযা রেখে ভেঙ্গে ফেলেছে তার কাযা কাফফারা দিতে হবে কি?