বাই’ মুরাবাহ বা সম্মত লাভ-লোকসানে ক্রয়-বিক্রয়

মুনাফা নির্দিষ্ট না করে ব্যবসার চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩২১৮) : আমার দুলাভাই দুবাই থাকেন। সেখানে তার ব্যবসা আছে। তো তিনি আমাকে ২ লক্ষ টাকা দিয়েছেন দেশে ব্যবসা করার জন্য। আর বলেছেন, তুমি এই টাকা দিয়ে ব্যবসা কর। আর যা লাভ হবে, সেখান থেকে তুমি তোমার পরিবারের জন্য প্রয়োজনমত খরচ কর। আর তারপর যদি কিছু টাকা বাকি থাকে তাহলে আমাকে দিয়ো, আর যদি বাকি না থাকে তাহলে কিছু দেওয়ার দরকার নাই। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, এভাবে চুক্তি করা কি জায়েয আছে?

ঋণের পরিবর্তে পণ্য ক্রয় করে ঋণগ্রহীতার কাছে লাভে বিক্রি করা জায়েয আছে কি

প্রশ্ন (৭৪৭১) : আমাদের একটি সোসাইটি রয়েছে। এর কার্যক্রম হলো, কোন গ্রাহক ঋণের আবেদন করলে তাকে নগদ অর্থ না দিয়ে ঋণগ্রহীতার ইচ্ছাধীন সোসাইটির পক্ষ থেকে মালামাল ক্রয় করে সোসাইটির জিম্মায় আনা হয়। যেমন ধান, চাল, সেলাইমেশিন ইত্যাদি। অতঃপর গ্রাহকের কাছে এক বছর বা দুই বছর মেয়াদি মাসিক কিস্তির মাধ্যমে বাকিতে কিছু বেশি মূল্যে বিক্রি করা হয়। উক্ত লেনদেনটি কি শরিয়তসম্মত?

মুরাবাহা চুক্তিতে অধিক মুনাফা গ্রহণ করা যাবে কি

প্রশ্ন (৭৪৭০) : আমাদের এলাকায় একটি সমিতি আছে, যাতে টাকা বিনিয়োগ এভাবে হয়ে থাকে যে, কোন সদস্য টাকা নিতে চাইলে তাকে টাকা না দিয়ে টাকার পরিবর্তে মাল ক্রয় করে দেয়া হয়। যেমন ৫০০০ টাকা নিতে চাইলে এর পরিবর্তে ৫০০০ টাকার মাল ক্রয় করে দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে, তিন মাস পর ৫০০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০০ টাকা দিতে হবে। এখন জানার বিষয় হলো, উক্ত পদ্ধতিতে এভাবে বাকিতে এত বেশি করে বিক্রয় করা শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ আছে কি?

ঋণের পরিবর্তে পণ্য ক্রয় করে ঋণগ্রহীতার কাছে লাভে বিক্রি করা জায়েয আছে কি

প্রশ্ন (৯০৭) : আমাদের একটি সোসাইটি রয়েছে। এর কার্যক্রম হলো, কোন গ্রাহক ঋণের আবেদন করলে তাকে নগদ অর্থ না দিয়ে ঋণগ্রহীতার ইচ্ছাধীন সোসাইটির পক্ষ থেকে মালামাল ক্রয় করে সোসাইটির জিম্মায় আনা হয়। যেমন ধান, চাল, সেলাইমেশিন ইত্যাদি। অতঃপর গ্রাহকের কাছে এক বছর বা দুই বছর মেয়াদি মাসিক কিস্তির মাধ্যমে বাকিতে কিছু বেশি মূল্যে বিক্রি করা হয়। উক্ত লেনদেনটি কি শরিয়তসম্মত?

মুরাবাহা চুক্তিতে অধিক মুনাফা গ্রহণ করা যাবে কি

প্রশ্ন (৯০৬) : আমাদের এলাকায় একটি সমিতি আছে, যাতে টাকা বিনিয়োগ এভাবে হয়ে থাকে যে, কোন সদস্য টাকা নিতে চাইলে তাকে টাকা না দিয়ে টাকার পরিবর্তে মাল ক্রয় করে দেয়া হয়। যেমন ৫০০০ টাকা নিতে চাইলে এর পরিবর্তে ৫০০০ টাকার মাল ক্রয় করে দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে, তিন মাস পর ৫০০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০০ টাকা দিতে হবে। এখন জানার বিষয় হলো, উক্ত পদ্ধতিতে এভাবে বাকিতে এত বেশি করে বিক্রয় করা শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ আছে কি?