ক্রয়-বিক্রয় নীতিমালা

ডিম ভাঙ্গার পর নষ্ট পেলে উক্ত ডিমের টাকা দোকানির কাছ থেকে ফেরত নেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫০৯) : আমি সন্ধ্যায় দোকান থেকে এক হালি ডিম কিনে বাসায় নিয়ে আসি। রাতে রান্নায় সময় ডিমগুলো ভাঙ্গার পর দেখা গেল, দু’টি ডিম একেবারে নষ্ট, যা খাবার উপযোগী নয়। জানার বিষয় হল, নষ্ট দু’টি ডিমের টাকা দোকানির কাছ থেকে ফেরত নেওয়া জায়েয হবে কি?

জমি ক্রয়ের জন্য নিযুক্ত প্রতিনিধি নিজের নামে জমি ক্রয় করলে নিয়োগদাতার করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৪৯৮) : আমি বিদেশ থাকি। আমি খবর পাই যে, আমাদের বাড়ির পাশে অবস্থিত একটি জমি ১০ লক্ষ টাকায় বিক্রি হবে। এটা শুনে আমি আমার ছোট ভাইকে বলি, আমাদের বাড়ির পাশে একটি জমি ১০ লক্ষ টাকায় বিক্রি হবে তুমি আমাদের দুইজনের নামে জমিটি কিনে ফেল। আমার অংশের টাকা আমি বেতন পেলে পাঠিয়ে দেব। সে এতে রাজি হয় এবং কিছুদিন পর আমি টাকাও পাঠিয়ে দিয়েছি। পরবর্তীতে বাড়িতে আসার পর দেখি সে পুরো জমি নিজের জন্য কিনেছে এবং তার নামেই রেজিস্ট্রি করে ফেলেছে । আমি যে টাকা পাঠিয়েছি সে তা গ্রহণ করেনি। জানার বিষয় হল, আমি কি এখন আমার অংশ দাবি করতে পারব এবং আমার ভাই কি আমাকে ঐ জমির অর্ধেক দিতে বাধ্য থাকবে?

ক্রয়-বিক্রয়ের পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১৩৪৭৭) : দোকান থেকে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করার সময় দোকানির সাথে দর কষাকষি হয়। আমি একটি দাম বলি। সে আমার কাঙ্ক্ষিত দামে না দেওয়ায় সেখান থেকে আমি চলে আসি। কিন্তু একটু দূরে আসার পর পণ্যটি কেনার জন্য দোকানি আমাকে ডাকতে থাকে। আমার প্রশ্ন হল, এরূপ ক্ষেত্রে শরীয়তের দৃষ্টিতে ঐ পণ্যটি কেনা কি আমার জন্য জরুরি?

ধান ধার দেওয়ার পর তা পরিশোধের সময় মূল্য দিয়ে পরিশোধ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৪০১) : আমার মুদির দোকানের ব্যবসা আছে। গত বছর আমি একজন ব্যবসায়ীকে দশ মন ধান করয দিয়েছিলাম। এ বছর তা আদায় করার কথা। এখন আমি চাচ্ছি, তার কাছ থেকে ধান না নিয়ে টাকা নিতে। জানার বিষয় হলো, টাকা নিলে কোন সময়ের মূল্য হিসেবে সে টাকা দিবে? গত বছরের, না বর্তমান বাজারের?

ফ্রি সেবা প্রদানের শর্তে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩২৬৩) : এখন সাধারণত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি দেয়া থাকে যে, এক বছর, দুই বছর বা কম-বেশি বিভিন্ন মেয়াদের ভেতর তা নষ্ট হয়ে গেলে বা তাতে বিশেষ কোনো সমস্যা হলে (যা বিক্রয়ের সময় উল্লেখ থাকে) কোম্পানীর পক্ষ থেকে ফ্রি সার্ভিসিং সেবা প্রদান করা হবে। তো আমি জানতে চাচ্ছি, এ ধরনের সেবা প্রদানের শর্তে পণ্য ক্রয় করা বৈধ হবে কি? ক্রয়-বিক্রয়ের সময় নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে এই সেবা প্রদান করা বিক্রেতার জন্য কি আবশ্যক?

পণ্য ফেরত না নেওয়ার শর্তে বিক্রি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩১৯৩) : আমরা অনেক সময় দেখি, দোকানদার বা তার কর্মচারীরা পণ্য বিক্রয়ের সময়ই বলে দেয়, এখনই ভালোভাবে দেখে নিন। পরবর্তীতে কোনো সমস্যার কারণে আপত্তি করলে বা পণ্য ফেরত দিতে চাইলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আমরা এ ব্যাপারে দায়মুক্ত। জানতে চাই, এ ধরনের শর্ত দিয়ে পণ্য বিক্রয় করার বিধান কী?

শর্তযুক্ত করে বিক্রি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৯৩৩) : আমি একটি মটরসাইকেল কিনেছিলাম নিজ প্রয়োজনে যাতায়াতের জন্য। কিন্তু ঢাকায় আমার চাকরি হওয়ায় মটরসাইকেলটি বাড়িতে রেখে চলে এসেছি। ফলে মোটরসাইকেলটি আমার কাজে লাগছে না। তাই মোটরসাইকেলটি আমার চাচাত ভাইয়ের কাছে এ শর্তে বিক্রি করে দিয়েছি যে, বাড়িতে আসলে প্রয়োজনে আমাকে ব্যবহার করতে দিতে হবে। আমার জানার বিষয় হল, আমাদের উক্ত চুক্তিটি কি বৈধ হয়েছে? এবং বাড়িতে গেলে চুক্তি অনুযায়ী মোটরসাইকেলটি আমি ব্যবহার করতে পারব কি না? যদি সহিহ না হয় তাহলে আমরা কী করতে পারি?

জমি বিক্রির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি মালিকের নির্ধারিত মূল্য থেকে বেশি মূল্যে বিক্রি করলে অতিরিক…

প্রশ্ন (১২৮০০) : আমার বাড়ি যশোর। গ্রামে আমার কিছু জমি রয়েছে। কিছুদিন আগে আমাদের এলাকার এক লোককে (সে জমির দালালির সাথে জড়িত) জমিটি কাঠা প্রতি ত্রিশ হাজার টাকা দামে বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলি। এক্ষেত্রে তাকে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক দেব বলেও জানাই। সে প্রায় ৭/৮ ‍দিন পর এক ব্যক্তির কাছে জমিটি বিক্রি করে দেয়। আমাকে কাঠা প্রতি ত্রিশ হাজার টাকা দামে ১০ কাঠায় ৩ লক্ষ টাকা দেয়। পরে আমি কোনোভাবে জানতে পারি যে, জমিটি সে কাঠা প্রতি ৩৭ হাজার টাকা দামে বিক্রি করেছে। বিষয়টি আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে, আপনি যা চেয়েছেন তা তো পেয়েছেন, তাহলে আমি বেশি দামে বিক্রি করলে আপনার সমস্যা কী? জানার বিষয় হল, এভাবে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা জায়েয হয়েছে কি না? এখন এ টাকার হকদার কে, সে না আমি?

বাকিতে স্বর্ণ বা রুপা ক্রয় করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭৮৮) : কিছুদিন আগে আমার বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। তখন আমাদের পক্ষ থেকে কনেকে কিছু সোনার অলংকার দেওয়া হয়। কিন্তু ঐ মুহূর্তে আমাদের কাছে নগদ অর্থ না থাকায় আমরা আমাদের পরিচিত এক জুয়েলারির দোকান থেকে বাকিতে ৫ ভরি স্বর্ণ ক্রয় করি এবং কিছুদিন পর মূল্য পরিশোধও করে ফেলি। জানার বিষয় হল, বাকিতে উক্ত স্বর্ণ ক্রয় করা কি সহিহ হয়েছে?

মাটির নিচে থাকা হলুদ অনুমান করে ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭৬৭) : আমাদের এলাকায় ‘হলুদ’ এভাবে ক্রয়-বিক্রয় হয় যে, ক্রেতা হলুদ ক্ষেতের এক-দু জায়গায় খনন করে দেখে যে, কী রকম ফলন হয়েছে তারপর ক্রেতা অনুমান করে বলে, এক কাঠায় পাঁচ হাজার টাকা দিব। এভাবে মাটির নিচে লুকায়িত জিনিস বিক্রি করা জায়েয আছে কি?

بيع الوفاء কী? এটা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭১৪) : بيع الوفاء কী? بيع الوفاء -এর ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য মত কী? আমাদের সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলন রয়েছে যে, ঋণগ্রহিতা তার জমি ঋণদাতার কাছে বন্ধক রেখে ঋণ নেয়। আর ঋণদাতা ঋণ পরিশোধ হওয়ার আগ পর্যন্ত জমিটি ভোগ করে। আমরা জানি, এমন লেনদেন অবৈধ। সমাজকে অবৈধ লেনদেন থেকে বাঁচানোর জন্য بيع الوفاء -এর পরামর্শ দেওয়া যাবে কি?

জমি বায়না করার পর চুক্তি বাতিল করা যাবি কি?

প্রশ্ন (১২৫৮৬) : কিছুদিন আগে জানতে পারি, আমাদের পাশের বাড়ির আব্দুর রহিম সাহেব চিকিৎসার খরচ যোগানোর উদ্দেশ্যে একটি ফসলের জমি বিক্রি করবে। একদিন তার সাথে জমির অবস্থান, পরিমাণ ও দাম-দস্তুর নিয়ে কথা হয়। তখন আমি জমিটি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করি। তবে পাকা কথা দেইনি। তারপর গত ১৬-১১-২০১৮ তারিখ শুক্রবার তার বাড়িতে গিয়ে জমি কেনার ব্যাপারে তার সাথে পাকা কথা হয়। মূল্য নির্ধারণ হয় আড়াই লক্ষ টাকা। তখন বায়নাস্বরূপ ৫০ হাজার টাকা নগদ দিয়ে আসি। বাকি টাকা পরিশোধের জন্য পনের দিন সময় নেই। এসময়ে আমি বিভিন্নভাবে টাকা সংগ্রহ করতে থাকি। তার সাথে আমার কোনো লিখিত বায়না চুক্তি হয়নি। মৌখিক যে চুক্তি হয়েছিল নিচে উল্লেখ করছি। আমি তার বাড়িতে গিয়ে বলি, আমি আপনার ঐ জমিটি কিনতে এসেছি। তো সবশেষ আপনি কত টাকা রাখবেন? সে বলল, দুই লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। আমি বললাম, আমি আড়াই লক্ষ টাকা দিব। সে আরো ১০ হাজার দাবি করে। অনেক জোরাজুরির পর সে রাজি হল যে, আচ্ছা আড়াই লক্ষ টাকায় দিলাম। টাকা কবে দিবেন? আমি বললাম এখনই ৫০ হাজার দিয়ে বায়না করছি, বাকি টাকা পনের দিনের মধ্যে দিব। সে বলল, পূর্ণ টাকা পরিশোধের পর আমি জমি রেজিস্ট্রি করে দিব। এক সপ্তাহ পর তিনি একদিন আমার বাড়িতে এসে বলেন, আমার টাকার ব্যবস্থা হয়ে গেছে। আমি আর ঐ জমি বিক্রি করব না। আপনার ৫০ হাজার টাকার সাথে আমি আরো ১০ হাজার টাকা দিব তারপরও আপনি জমিটির দাবি ছেড়ে দিন। আমার প্রশ্ন হল, এখন এভাবে তার জন্য পূর্বের চুক্তি থেকে ফিরে আসার সুযোগ আছে কি না? কেননা সেক্ষেত্রে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হব। আর তার দাবি মেনে নিয়ে আমি যদি জমিটি ছেড়েও দেই তাহলে আমার জন্য অতিরিক্ত দশ হাজার টাকা নেওয়া জায়েয হবে কি না?

ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৬৪) : কিছুদিন আগে আমি এক মাছ বিক্রেতার কাছে একটি মাছের দাম জিজ্ঞাসা করলে সে তিন শত টাকা মূল্যের মাছের দাম এক হাজার টাকা বলে। বিষয়টি টের না পেয়ে আমি সাতশত টাকা বলে ফেলি। সে এতেও রাজি হয়নি। তাই আমি সেখান থেকে চলে আসি। কিছু দূর চলে আসার পর ঐ দামেই মাছটি নেয়ার জন্য সে আমাকে ডাকতে থাকে। এতক্ষণে চড়া দামের বিষয়টি আমার বুঝে আসে। তাই আমি আর তার ডাকে সাড়া দেইনি। সে আমার পিছু নেয় এবং আমাকে ধরে বলে- দরদাম করে এখন নিবেন না কেন? তার চিল্লাচিল্লিতে আশপাশের কিছু লোক জমা হলে তারাও একই কথা বলে। অবশেষে চড়া দামে মাছটি নিতে আমি বাধ্য হই। জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আমার জন্য মাছটি নেয়া কি আবশ্যক ছিল? এক্ষেত্রে মাছ কিনতে আমাকে বাধ্য করা কি ঠিক হয়েছে?

জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৪৩৪) : আমার চাচা অনেক দিন ধরেই আমাদের এলাকায় জমির দালালী করেন। তিনি এবিষয়ে প্রসিদ্ধ হওয়ায় এলাকার কেউ জমি বিক্রি করতে চাইলে তাকে জানিয়ে রাখে। এমনিভাবে কেউ কিনতে চাইলে তাকে বলে রাখে যে, ভাই! এত দামের ভিতর একটি জমি কিনতে চাই। তখন তিনি ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মাঝে সাক্ষাৎ ঘটিয়ে দেন এবং উভয়ের মাঝে মাধ্যম হিসাবে কাজ করেন। বিক্রিচুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়পক্ষ থেকেই কমিশন গ্রহণ করেন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এক্ষেত্রে উভয় থেকে কমিশণ গ্রহণ করা কি বৈধ?

পণ্যে ত্রুটি ধরা পড়লে এর বিনিময়ে বিক্রেতার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ নেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৪৬) : আমি কিছুদিন আগে একটি ঘড়ি ক্রয় করি। কেনার পর ত্রুটি ধরা পড়লে আমি ঘড়িটি ফেরত দিতে যাই। তখন বিক্রেতা বলেন- আমি আপনাকে কিছু টাকা ফেরত দিচ্ছি, আপনি ঘড়িটি রেখে দিন। আমি কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়িটি রেখে দিই। পরে ইমাম সাহেবকে বিষয়টি বললে তিনি বলেন- ত্রুটির কারণে কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়িটি রেখে দেওয়া বৈধ হয়নি। আপনি ঘড়ি রাখতে চাইলে বিক্রেতা থেকে কোনো টাকা ফেরত নিতে পারবেন না। অন্যথায় ঘড়িটিই ফেরত দিতে হবে। হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, কিছু টাকা ফেরত নিয়ে ঘড়ি রেখে দেওয়া বৈধ হয়েছে কি না? আর ইমাম সাহেবের কথা ঠিক কি না? মাসআলাটির সমাধান জানালে খুবই উপকৃত হব।

ক্রয় প্রতিনিধি কি পণ্যের মূল্যের ডিসকাউন্ট গ্রহণ করতে পারবে?

প্রশ্ন (১২২২৪) : অনলাইনে কিছু ওয়েবসাইট থেকে ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। বিগত কয়েক বছর যাবৎ আমি একটি সাইট থেকে পণ্য ক্রয় করে থাকি। কিছুদিন আগে সাইটটি থেকে একটি মেসেজ আসে যে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে এক হাজার টাকা বা তার চেয়ে বেশি টাকার পণ্য কিনলে দশ পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট দেবে। এ সময়ে আমার এক বন্ধুর চার শ টাকা মূল্যের একটা পণ্যের প্রয়োজন হলে সে আমাকে তা কিনে দিতে বলে। আমি তাকে এ সাইট থেকে পণ্যটি কিনে দিই। দশ পার্সেন্ট ডিসকাউন্টের কারণে চার শ টাকার বদলে আমাকে তিন শ ষাট টাকা পরিশোধ করতে হয়। ডিসকাউন্টের বিষয়টি আমার বন্ধুর জানা ছিল না। এজন্য সে আমাকে চার শ টাকাই দেয়। আমিও তা নিয়ে নিই এবং খরচ করে ফেলি। জানার বিষয় হল, আমার এ কাজটি কি ঠিক হয়েছে? আমার জন্য অতিরিক্ত চল্লিশ টাকা নেওয়া কি বৈধ হয়েছে?

ওয়ারেন্টি বা গ্যারান্টি সহকারে বিক্রি করা জায়েয।

প্রশ্ন (১১৬২৯) : দোকানে বিভিন্ন ধরণের পণ্য ওয়ারেন্টি বা গ্যারান্টি সহকারে বিক্রি করা হয়। তো আমার জানার বিষয় হলো, এভাবে কি পণ্য বিক্রি করা জায়েয আছে?

পণ্য ফেরত নেওয়া সুন্নত।

প্রশ্ন (১১৬১১) : আমার একটি ফার্মেসী আছে। আমরা শুধু নগদ বিক্রি করি। বাকি বিক্রি করি না। আমাদের কাস্টমাররা নগদ টাকা দিয়ে ঔষধ কিনে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রুগী সুস্থ হয়ে যাওয়ার কারণে বা অন্য কোনো কারণে যেসব ঔষধ তাদের প্রয়োজন পড়ে না সেসব ঔষধ তারা আমাদের কাছে নিয়ে আসলে আমরা যে দামে বিক্রি করেছি তার চেয়ে ২০% কম মূল্যে তাদের কাছ থেকে ক্রয় করে থাকি। এক্ষেত্রে আমরা নতুন চুক্তি করে তাদের থেকে ক্রয় করে থাকি। আমাদের প্রশ্নোক্ত ক্রয়-বিক্রয় বৈধ হবে কি? জানালে উপকৃত হব।

ছাগলের মল দুধে পড়লে সেই দুধ বিক্রি করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১১৪৪৭) : আমি কয়েকটা ছাগল পালন করি। এগুলোর দুধ বিক্রি করে আমি সংসারের খরচ জোগাড় করি। কখনো কখনো দুধ দোহনের সময় সেগুলো মল ত্যাগ করে। আমি যথেষ্ট সতর্ক থাকার চেষ্টা করি।তবুও অনেক সময় দেখা যায় হঠাৎ এক-দুইটা বিষ্ঠা দুধের বালতিতে পড়ে যায়। আমি সাথে সাথেই তা উঠিয়ে ফেলে দেই। তো এক্ষেত্রে কি আমার জন্য সেই দুধ বিক্রি করা বা পান করা বৈধ হবে?