ঘুষের মাধ্যমে প্রাপ্ত চাকরির বেতন কি হালাল হবে?
প্রশ্ন (১৩৭৯৫) : ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়ে উক্ত চাকরি থেকে প্রাপ্ত বেতন হালাল হবে নাকি হারাম? কুরআন-হাদিসের আলোকে সমাধান জানালে উপকৃত হবো।
প্রশ্ন (১৩৭৯৫) : ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়ে উক্ত চাকরি থেকে প্রাপ্ত বেতন হালাল হবে নাকি হারাম? কুরআন-হাদিসের আলোকে সমাধান জানালে উপকৃত হবো।
প্রশ্ন (১৩৩৮৭) : প্রচলিত ধারার ব্যাংকে চাকরি করা কি জায়েয?
প্রশ্ন (১৩৩৪০) : আমরা স্বামী-স্ত্রী উভয়ে ব্যাংকে চাকুরী করি। ব্যাংকে পরিশ্রমের বিনিময়ে আমাদেরকে বেতন দেওয়া হচ্ছে এবং অবসরের পর কয়েক লক্ষ টাকা পেনশন দেওয়া হবে। আমার প্রশ্ন হল, পরিশ্রমের মাধ্যমে উক্ত বেতন এবং পেনশন-এর টাকা আমাদের জন্য হালাল হচ্ছে কি?
প্রশ্ন (১৩২৩৪) : ডিশ লাইনে চাকরি করে উপার্জিত টাকা হালাল না হারাম? সে টাকা যদি কেউ তার বোন অথবা ভগ্নিপতিকে প্রয়োজনে ব্যয় করতে দেয় তাহলে তাদের জন্য তা হালাল হবে কি? দয়া করে জানালে খুবই উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১২৮৬৭) : আমি একজন আলেমের কাছে জানতে পেরেছি যে, ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে উপার্জিত টাকা হারাম। ছেলে ব্যাংকে চাকরি করে। তাই তার উপার্জন দ্বারা মা-বাবা হজ্ব করতে পারবেন না। এই উত্তর থেকে আমার মনে সংশয় এসেছে যে- ১. বিভিন্ন বিধর্মী বিদেশী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানী করে থাকে। তারা সুদকে হারাম মনে করে না। ব্যাংক থেকে সুদী লোন নিয়ে থাকে এবং ব্যাংক থেকে সুদ দেওয়া হলে তাও গ্রহণ করে। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসাবে বাংলাদেশে তাদের অফিসে কাজ পরিচালনা করে থাকি। এক্ষেত্রে আমার কাজ পোষাকশিল্প নিয়েই। প্রস্তুত করা থেকে নিয়ে শিপমেন্ট পর্যন্ত সকল কাজের পরিচালনা আমার দায়িত্বে। তো এ বাবদ তারা যে বিনিময় প্রদান করে থাকে তা গ্রহণ করা হালাল না হারাম? ২. আমার এক দ্বীনী ভাইয়েরও প্রশ্ন হল, উপরোক্ত কোম্পানী ও এধরনের প্রতিষ্ঠানের আমদানীকৃত পণ্য সে এদেশ থেকে বিদেশে পরিবহন করে থাকে। এ বাবদ তাদের থেকে প্রাপ্ত টাকা হালাল না হারাম। তার পরিবহন সংক্রান্ত কার্যাদিও বৈধ। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তার পরিবহন খরচ পরিশোধ করছে তো উক্ত ইহুদী-খ্রিস্টানদের কোম্পানী, যারা সুদী লোন নেয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে সুদ গ্রহণও করে। এ কারণে আমাদের বেতন ও পারিশ্রমিক অবৈধ গণ্য হবে কি না?
প্রশ্ন (১২৭৮১) : আমার এক বন্ধু একটি সুদী ব্যাংকে প্রায় ১০ বছর যাবৎ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করেছে এবং ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত বেতন-বোনাস দিয়ে গাড়ি-বাড়ি করেছে। পরবর্তীতে একসময় ‘সুদী ব্যাংকে চাকরি করা বৈধ নয়’ এ মাসআলা জানার পর সুদী কারবারের সাথে জড়িত থাকার কারণে তার মাঝে অনুশোচনা জাগে। ফলে ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন অন্য একটি চাকরিতে যোগদান করেছে। এখন সে জানতে চাচ্ছে, আগের চাকরির বেতন-বোনাস দিয়ে যে গাড়ি-বাড়ি করেছে তার জন্য বৈধ কি না? যদি বৈধ না হয়ে থাকে তাহলে তার এখন করণীয় কী? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।
প্রশ্ন (১২৭৭০) : আমার একটি ফটো স্টুডিও আছে, এর আয় দিয়ে আমার পরিবার চলে। একদিন আমার এক আত্মীয়কে আমাদের বাড়িতে দাওয়াত দিলে সে বলে, আপনার আয় হারাম, তাই আমি দাওয়াত গ্রহণ করতে পারব না। এখন আমি জানতে চাই, আমার এ ব্যবসা ও তা থেকে প্রাপ্ত আয় বৈধ কি না? বৈধ না হলে এখন আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (১২৫৭২) : এক ব্যক্তি ব্যাংকে চাকরি করার অবৈধতা সম্পর্কে না জেনে একটি বিদেশী ব্যাংকে চাকরি নেয়। ঐ চাকরি অবস্থায় চাকরি ও লোনের টাকা দিয়ে জায়গা-জমি খরিদ করেন, বাড়ি-ঘর নির্মাণ করেন এবং নিজ ছোট-বড় ভাই-বোনদেরকে সেসকল জায়গা-জমিতে অংশিদার করেন। দলীলে তাদের নামও লিখে দেন। ভাই-বোনদের বিয়ে-শাদীতেও খরচাদি করেন। মা-বাবার অনেক খেদমত করেন। অবশ্য চাকরির শেষ পর্যায়ে এ চাকরি অবৈধ জেনেও ঈমানী দুর্বলতার কারণে বা অপারগ মনে করে শেষ পর্যন্ত চাকরিরত থাকেন। উল্লেখ্য, লোকটি ব্যক্তিগতভাবে উদার, আমলদার ও আলেমভক্ত। এখন তার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কী? কীভাবে তিনি আখেরাতে মুক্তি পেতে পারেন। আর যারা তার দান গ্রহণ করেছেন বিশেষ করে ভাই-বোন, যারা মাসে/বছরে তার থেকে লেখা-পড়ার খরচ গ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন কাজে তিনি তাদেরকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। (যার কোনো হিসাব রাখা হয়নি) এবং তিনি যে ভাই-বোনদেরকে জায়গাজমিতে অংশিদার করেছেন, ভাই-বোনদের এখন করণীয় কী? তাদের দায়মুক্ত ও বৈধ অধিকারী হওয়ারই বা কী উপায়?
প্রশ্ন (১২৫২৯) : আমি শুনেছি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে চাকরি করা হারাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষেত্রেও কি একই বিধান? বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম অন্যান্য ব্যাংকের মত নয়। এরা কাউকে (ব্যক্তিগতভাবে) ঋণ দেয় না, আমানতও নেয় না। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ দেয় অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কাজ ও প্রতিষ্ঠার কারণ দেশের আর্থিক ব্যবস্থা ঠিক রাখা ও ভারসাম্য রক্ষা করা। এক্ষেত্রে এখানে চাকরি করা কি হারাম হবে? যদি উত্তর দেয়া হয় তাহলে খুব উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১১৭৭৪) : আমি একটি ইন্সুরেন্স কোম্পানীর সাথে জড়িত। তাদেরকে আমি গ্রাহক জোগাড় করে দেই। তারা আমাকে কমিশন দেয়। জানতে চাচ্ছি, উক্ত আয় কি হালাল হচ্ছে?
প্রশ্ন (১০৯৫৩) : নারীরা পুলিশ বাহিনীতে চাকরি করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১০২৫৪) : সেলুনে চাকরি করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (১০০৫২) : আমি পর্তুগাল থাকি। এখানে ডেলিভারি ম্যানের কাজ করি। অনেকে মদও ও অন্যান্য হারাম বস্তুও অর্ডার করে থাকে। আমি কি সেগুলো ডেলিভারি করতে পারব? উল্লেখ্য, আমার পরিবারে আমিই একমাত্র কর্মক্ষম। এই চাকরি ছেড়ে দিলে আমার পরিবার চলতে পারবে না।
প্রশ্ন (১০০৫০) : আমি জার্মানিতে একটি বার্গার ফ্যাক্টরিতে কাজ করি। এখানের বার্গারগুলো শুধু শুকরের মাংস দ্বারাই তৈরি করা হয়ে থাকে। জানতে চাচ্ছি, এখানে চাকরি করা কি হালাল হবে?
প্রশ্ন (১০০৪৬) : কেউ যদি মদের বারে চাকরি করে তাহলে তার বেতন হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (১০০৪৫) : নাইটক্লাবে চাকরি করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৯৪৭৯) : সরকারী সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে আইটি বিভঅগে চাকরি করা বৈধ হবে কি? আইটি বিভাগে বীমা সংক্রান্ত কোনো লেনদেন হয় না। বরং সেখানে শুধু কর্মকর্তাদের নাম, ঠিকানা, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হয়।
প্রশ্ন (৯৪৭৪) : আমি কানাডা থাকি। পাশাপাশি এক অনলাইন শপের ডেলিভারিম্যান। কখনো কখনো মদ জাতীয় বস্তুও ডেলিভারি করতে হয়। জানতে চাচ্ছি, আমার জন্য এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৯০৪৭) : আমাদের এলাকায় একটি খৃস্টান মিশনারী স্কুল আছে। সেখান থেকে আমাকে শিক্ষকতার অফার করা হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত স্কুলে চাকরি করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৮২৬৯) : ইসলামের দৃষ্টিতে প্রচলিত ইন্সুরেন্সের পদ্ধতিগুলো বৈধ নয়। তাই এতে চাকরি করাও বৈধ নয়। কারণ ইন্সুরেন্সের মধ্যে রিবা, ক্বিমার, গারার থাকে। আর এর সবগুলোই নিষিদ্ধ। তাই এ কোম্পানিতে চাকরি করা বৈধ হবে না।