অন্যান্য ইসলামী শিষ্টাচারসমূহ

নখ, চুল ইত্যাদি কাটার পর কি মাটিতে পুঁতে রাখতে হয়?

প্রশ্ন (১৩৪৯৬) : আমরা সাধারণত নখ, চুল কেটে ফেলে দিই। অনেককে বলতে শোনা যায় যে, এগুলো নাকি মাটিকে পুঁতে রাখতে হয়। এক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনা কী?

নখ, চুল কাটার পর এগুলোর হুকুম কী?

প্রশ্ন (১৩০২১) : মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ, যেমন- নখ, চুল ইত্যাদি কাটার পর এগুলোর হুকুম কী? এগুলো কি মাটিতে দাফন করে ফেলবো নাকি ফেলে দিব?

বাসায় টুপি খুলে রাখলে কি সুন্নতের খেলাফ হবে?

প্রশ্ন (১৩০১৬) : টুপি কি সবসময় পড়ে থাকা জরুরী? আমি সাধারণত বাইরে গেলে সবসময় মাথায় টুপি রাখি আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু বাসায় রুমে আসলে টুপি খুলে রাখি। এটি কি সুন্নতের খেলাফ?

অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১২৯৩৬) : একদম অপরিচিত কারও সাথে বাজার বা রাস্তায় কোন বিষয়ে একেবারেই অনাকাঙ্খিত ভাবে ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে তর্কাতর্কি,ধমক দেয়া বা দূর্ব্যবহার করে ফেললে তার সাথে যদি দেখা সাক্ষাৎ করার কোন সম্ভাবনাই জীবনে না থাকে তখন এই কৃত গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় জানালে উপকৃত হতাম। এবং ভবিষৎ এ যাতে এরকম অনাকাঙ্খিত অপমান হবার ঘটনায় যেন মাথা ঠান্ডা রাখতে পারি সেক্ষেত্রে নিজেকে শোধরানো বদলানোর জন্য করণীয় কি কি? জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।

ছাত্রদেরকে বেত দিয়ে শাস্তি দেওয়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৯১১) : আমি একজন হাফেজ। আমি একটি মাদরাসায় হিফজ বিভাগে খেদমতে আছি। হিফজ বিভাগে ছাত্ররা প্রচুর দুষ্টুমি করে। এমন অনেক ছাত্র আছে, যাদেরকে বুঝিয়ে কোনো লাভ হয় না। শেষে বাধ্য হয়ে শাসনের পথ অবলম্বন করতে হয়। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, ছাত্রদের অন্যায়ের কারণে তাদেরকে বেত দিয়ে শাস্তি দিতে কি কোনো সমস্যা আছে? দয়া করে জানাবেন।

দাড়ি এক মুষ্ঠির বেশি হলে কাটা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৮১১) : ১. আমরা জানি, দাড়ি একমুষ্ঠির বেশি হলে অতিরিক্তি অংশ কাটার অনুমতি আছে। এখন চাপদাড়িবিশিষ্ট কারো যদি চোয়ালের দাড়ি একমুষ্ঠির কম থাকে কিন্তু থুতনির দাড়ি একমুষ্ঠি পরিমাণ হয়ে যায় তাহলে সে কি থুতনির অংশের একমুষ্ঠির অতিরিক্ত দাড়ি কাটতে পারবে? কারণ সাধারণত চোয়ালের দাড়ির তুলনায় থুতনির দাড়ি দ্রুত বাড়ে। ২. একমুষ্ঠির চেয়ে ছোট দাড়ি যদি কোনো পাশে অন্য পাশের তুলনায় অস্বাভাবিক বেড়ে অসুন্দর হয়ে যায় তাহলে সুন্দর করার জন্য সবদিকে সমান করে ছেটে ফেলার অনুমতি আছে কি?

ভালো কাজ না করার কসম করলে করণীয় কি?

প্রশ্ন (১১৫২৫) : আসসালমুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। আমার স্বামীর নামাজ বা দ্বীনের ক্ষেত্রে কোনো আগ্রহ নেই। তাকে আমি সবসময়ই নামাযের কথা বুঝানোর চেষ্টা করি। দ্বীনের পথে চলার জন্য উদ্বুদ্ধ করি। জবাবে সে বলে, করবো। কিন্তু সে একদিন নামাজ পরে ফের দুদিন গ্যাপ দায়। নামাযের বিষয়ে আমি কিছু বললে সে বলবে সবসময় এক কথা ভালো লাগেনা। এই সব বিষয় নিয়ে আরো কিছু কারণে গতপরশু রাত্রে আমাদের মধ্যে অনেক ঝগড়া হয়। পরে আমি রাগের মাথায় ওকে বলি যে, আমি আর কোনোদিন এইসব বিষয়ে কোনো কথা বলবো না। আর আমি এ ব্যাপারে কসম দিয়ে ফেলি।এখন আমি মানসিকভাবে খুব অস্বস্তিতে আছি এই কসমের কারণে। আমি কিভাবে তাকে নামাযের কথা বলব? আমার কসমের কারণে তো আর বলতেও পারব না। বরং আমি আল্লাহর কাছে গুনাহগার হিসেবে গণ্য হবো। এখন আমি কিভাবে আল্লাহর কাছে এই বিষয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করব আর ওকে কিছু না বলে কিভাবে দ্বীনের প্রতি উৎসাহী করব?

ইনকাম সোর্স জানা না থাকলে দাওয়াতে যাওয়া যাবে কি

প্রশ্ন (১০৬৭৩) : অনেক সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের দাওয়াত আসে এমন লোকের পক্ষ থেকে, যাদের ইনকাম সোর্স হালাল না হারাম সেটা জানা থাকে না। জানতে চাচ্ছি, এমন দাওয়াতে যাওয়া যাবে কি?

পা দিয়ে কোনো কিছু উঠানো যাবে কি

প্রশ্ন (১০৪৬৪) : আমি ৮ মাসের প্রেগনেন্ট। নিচু হয়ে কোনো কিছু উঠাতে কষ্ট হয়। জানতে চাচ্ছি, আমি কি পা দিয়ে ফ্লোরে পড়ে থাকা বস্তু উঠাতে পারব?