অসম্পূর্ণ গর্ভ নষ্ট হয়ে বের হয়ে গেলে কি তা নেফাস হিসেবে গণ্য হবে?

প্রশ্ন (১৩৮৭২) : আমার স্ত্রী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তার গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কিছু গোশতের টুকরার আকারে বেরিয়ে আসে। এরপর ৬/৭ দিন পর্যন্ত রক্ত আসে। স্রাবের সময়ও তার এমনই দেখা যায়। ঐ দিনগুলোতে সে নামায পড়েনি। এখন সে জানতে চায় যে, তার ঐ নামায কি কাযা করতে হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

হায়েযের সময় কোনো মহিলা দলিল পেশ করার উদ্দেশ্যে কুরআনের আয়াত পাঠ করতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩৭৮৬) : হায়েযরত অবস্থায় তিলাওয়াতের নিয়ত ব্যতীত শুধু দলিল পেশ করার উদ্দেশ্যে এক শ্বাসে অথবা শ্বাস ছেড়ে ছেড়ে কুরআনের আয়াত পড়া যাবে কি?

মহিলারা হায়েয আবস্থায় কি আযানের জবাব দিতে পারবে?

প্রশ্ন (১৩৫৮২) : আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ, হায়েয অবস্থায় তো মহিলারা কুরআন পড়তে পারে না। জানার বিষয় হলো, হায়েয অবস্থায় আযানের জবাব দিতে পারবে কি?

মাসিকের সময় মহিলারা দুআ পড়তে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩৪৫৭) : আম্মু ঋতুস্রাবের দিনগুলোতেও বিভিন্ন মাসনুন দুআ পড়েন। আম্মুর দেখাদেখি আমরাও এ সময়গুলোতে মাসনুন দুআসমূহ আদায় করি। কিন্তু একজন বলল, মেয়েদের জন্য এ সময়ের দুআ-দরূদ পড়া কিংবা যিকির-আযকার করা কোনোটিই জায়েয নেই। জানতে চাচ্ছি, এই কথা কি সঠিক?

ইচ্ছাকৃতভাবে রোযা না রাখলে কি উক্ত রোযার কাফ্ফারা আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩৪৩৮) : আমার স্বাভাবিক অভ্যাস হলো প্রতি ২৭ দিন পরপর আমার স্রাব শুরু হয়। সে হিসেবে ১১ রমযান আমার স্রাব শুরু হওয়ার দিন ছিল। তাই ১০ রমযান দিবাগত রাতে আমি সাহরী খাইনি এবং পরের দিন রোযার নিয়তও করিনি। ফলে ১১ রমযান সকাল থেকে আমি স্বাভাবিকভাবেই পানাহার করতে থাকি। কিন্তু সেদিন আমার স্রাব শুরু হয় রাত থেকে। এখন জানার বিষয় হল, আমার উক্ত রোযার হুকুম কী? শুধু কাযা করলেই হবে, নাকি কাফফারাও আদায় করতে হবে? অনুগ্রহ করে জানালে উপকৃত হব।

ঔষুধের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখলে উক্ত সময়ের নামায-রোযার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১৩০৫০) : বর্তমানে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে সাময়িকভাবে মাসিক স্রাব বন্ধ করে রাখা যায়। তাই অনেকে রমযান মাসের সবগুলো রোযা রাখার জন্য ঔষধ সেবনের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখে। বিশেষত হ্জ্ব চলাকালীন হায়েয আসলে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। তাই অধিকাংশ মহিলা হজ্বের সময়গুলোতে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখে, যেন হজ্বের আমলগুলো কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই সম্পাদন করা যায়। এজন্য হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, ঔষধ সেবনের মাধ্যমে এভাবে ঋতুস্রাব বন্ধ করে রাখা কি জায়েয আছে? এ অবস্থায় কি সে নামায, রোযা ও তাওয়াফ ইত্যাদি আদায় করতে পারবে? যদি পারে তাহলে পরবর্তীতে এগুলো কাযা করা লাগবে কি না? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

হায়েয বন্ধ হলে বুঝবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১২৮৩২) : নারীরা তাদের ঋতুস্রাব বন্ধের ব্যাপারে কিভাবে নিশ্চিত হবে? যদি সতর্কতা হিসেবে আগেই নামায পড়ে, কিন্তু পরে সামান্য লাল/হলুদ স্রাব দেখতে পায় তাহলে এর বিধান কী হবে? এভাবে নামায পড়লে কি গুনাহ হবে?

নেফাস শেষ হওয়ার পর ১৫ দিন অতিক্রম হওয়ার আগেই স্রাব দেখা দিলে তা কি হায়েয হিসেবে গণ্য হবে?

প্রশ্ন (১২৮০৬) : দেড় মাস আগে আমার সন্তান হয়। তারপর ৩৫ দিন স্রাব থাকার পর সুস্থ হই। এর ৭ দিন পর পুনরায় নিয়মিত স্রাব শুরু হয় এবং অন্যান্য সময়ের মত স্বাভাবিকভাবেই ৬ দিন পর্যন্ত স্রাব আসে। আমি এ ৬ দিন মাসিকের সময় হিসেবে নামায আদায় করিনি। গতকাল আমার এক আত্মীয়ের কাছে এই বিষয় বললে তিনি আমাকে বললেন, দুই স্রাবের মাঝে যেহেতু ১৫ দিন ব্যবধান হয়নি তাই পরবর্তী ৬ দিন ইস্তেহাযা বলে গণ্য হবে। তাই ঐ দিনগুলোর নামায কাযা করতে হবে। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, তার কথা কি ঠিক? এবং ঐ ছয় দিনের নামায কাযা করতে হবে কি?

মহিলারা ঋতুশ্রাবকালে তেত্রিশ আয়াতের মানযিল পাঠ করতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৭৬৬) : এক মহিলা জ্বিনের আছর ও যাদু-টোনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সর্বদা তেত্রিশ আয়াতের আমল করে থাকে। এখন জানার বিষয় হল, তার জন্য ঋতুশ্রাবকালে এই তেত্রিশ আয়াতের মানযিল পাঠ করার বিধান কী?

ঋতুস্রাব চলাকালীন মহিলারা শিখানোর উদ্দেশ্যে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৭৪৭) : ঋতুস্রাব চলাকালীন মহিলারা শেখানোর উদ্দেশ্যে কুরআন শরীফের এক আয়াত পরিমাণ তিলাওয়াত করতে পারবে কি? আমি একজন থেকে শুনেছি, শেখানোর উদ্দেশ্যে এক আয়াত এক আয়াত করে তিলাওয়াত করা জায়েয হবে। কিন্তু একজন আলেম বললেন, শেখানোর উদ্দেশ্যেও এক আয়াত পরিমাণ তিলাওয়াত করা জায়েয হবে না। হযরতের কাছে জানতে চাচ্ছি, উক্ত আলেমের কথা কি ঠিক আছে? দলীলসহ বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

হায়েয সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৩২৫) : জনৈক মহিলার সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে ৪০ দিন স্রাব চালু ছিল। এরপর ১২ দিন পবিত্র থাকার পর আবার স্রাব চালু হয়েছে। এখন তার পবিত্রতার হুকুম কী?

মাসিক স্রাবের সময় কুরআন তিলাওয়াত শুনলে কি সিজদা ওয়াজিব হবে?

প্রশ্ন (১২১২৭) : আমি একটি মহিলা মাদরাসায় হিফজ বিভাগের শিক্ষিকা। মাসিক স্রাবের সময়ও আমাকে ছাত্রীদের তিলাওয়াত শুনতে হয়। জানার বিষয় হল, এ সময় তারা সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করলে আমার উপর সিজদা ওয়াজিব হবে কি?

ফরয নামায শুরু করার পর হায়েয চলে আসলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২০৮৬) : ফরয নামায শুরু করার পর দ্বিতীয় রাকাতে আমার হায়েয চলে আসে। ফলে সে নামাযটি আমি পূর্ণ করতে পারিনি। এখন উক্ত নামাযের হুকুম কী? তা কি পবিত্র হওয়ার পর কাযা করতে হবে? এমনটি যদি নফল নামাযে হয়, তাহলে বিধান কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।

নেফাসের সময়সীমা।

প্রশ্ন (১২০৭৮) : আমার প্রথম সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর নেফাস ছিল ১৮ দিন। দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার পর ২০ দিন রক্ত আসে। এরপর ১৬ দিন রক্ত দেখা যায়নি। পরে আবার ৬ দিন স্রাব এসেছে। হুজুরের কাছে জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে আমি কতদিন নেফাস গণ্য করব?

কোনো নামাযের ওয়াক্তের মাঝে মাসিক শুরু হয়ে গেলে কি ঐ ওয়াক্তের নামায কাযা করতে হবে?

প্রশ্ন (১২০২৮) : যোহরের নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর আমার মাসিক শুরু হয়। কিন্তু তখনও আমি যোহরের নামায পড়িনি। ‍তবে যোহরের নামায পড়ার মত সময় আমার হাতে ছিল। আমি চাইলে নামায পড়তে পারতাম। আমি জানতে চাচ্ছি, এখন কি আমার উক্ত নামায কাযা করতে হবে? জানালে উপকৃত হব।

হায়েজ অবস্থায় সেজদার আয়াতে সেজদা আবশ্যক হবে কি

প্রশ্ন (১১৮৫৬) : আমি হেফজখানার এক শিক্ষিকা। হায়েজ অবস্থায় ছাত্রীদের পড়া শুনতে হয়। সেক্ষেত্রে তারা যদি সেজদার আয়াত পাঠ করে তাহলে আমার উপর সেজদা আবশ্যক হবে কি?