বাকিতে খেলে এক টাকা বেশি লিখে রাখা যাবে কি
প্রশ্ন (১০৪৫২) : আমার দোকান থেকে অনেকে বাকিতে খাবার খায়। আমি তা খাতায় লিখে রাখি। খাতায় এক টাকা বেশি লিখে রাখি। জানতে চাচ্ছি, আমার জন্য কি এভাবে এক টাকা বেশি লিখে রাখা কি বৈধ হচ্ছে?
প্রশ্ন (১০৪৫২) : আমার দোকান থেকে অনেকে বাকিতে খাবার খায়। আমি তা খাতায় লিখে রাখি। খাতায় এক টাকা বেশি লিখে রাখি। জানতে চাচ্ছি, আমার জন্য কি এভাবে এক টাকা বেশি লিখে রাখা কি বৈধ হচ্ছে?
প্রশ্ন (৯৪৬৮) : জনৈক আলেমকে বলতে শুনলাম, বাকিতে বিক্রির সময় নগদ মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা সুদের অন্তর্ভুক্ত। জানতে চাচ্ছি, তার বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৮৬০৬) : জনৈক ব্যবসায়ীর সাথে আমার চুক্তি হয়েছে যে, আমি যদি তার পণ্য নগদ মূল্য দিয়ে নেই তাহলে দশ হাজার টাকা রাখবে। আর যদি বাকিতে নেই তাহলে বারো হাজার টাকা রাখবে। জানতে চাচ্ছি, এভাবে ক্রয় বিক্রয় বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৭৪৭৩) : আমি একজন সার ব্যবসায়ী। নগদ ও বাকি উভয়ভাবে বিক্রি করে থাকি। তবে যখন ক্রেতা বাকি ক্রয়ের জন্য আসে তখন নগদের যে মূল্য (বাজার মূল্য) তার থেকে বাকি ক্রয়ে ৩০০ বা ৪০০ টাকা বেশি মূল্য শর্ত করে থাকি। যেমন এক বস্তা সারের নগদ মূল্য ১০০০ টাকা আর বাকিতে ১৩০০ বা ১৫০০ নিয়ে থাকি। ক্রেতা এ শর্ত অনুযায়ী ক্রয় করে থাকে। উল্লেখ্য, টাকা কবে দেবে তা নির্দিষ্ট করা হয় না। এক মাস পরেও দিতে পারে বা এক বছর পরেও দিতে পারে। জানার বিষয় হল, এ পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় বৈধ হবে কি? যদি বৈধ না হয় তাহলে কোন পদ্ধতিতে বৈধ হবে?
প্রশ্ন (৭৪৭২) : কিস্তিতে জমি, বিল্ডিং, ফ্রিজ, হোন্ডা-এ সমস্ত জিনিস ক্রয়-বিক্রয় জায়েয আছে কি?
প্রশ্ন (৭৪৪৭) : বড় নোট ভাঙ্গতি করার সময় অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, যিনি খুচরা টাকা দিচ্ছেন তিনি সম্পূর্ণ টাকা খুচরা করে দিতে পারেন না। কিছু টাকা পরে নিতে বলেন। শরিয়তের দৃষ্টিতে এ জাতীয় লেনদেনে কোনো সমস্যা আছে কি?
প্রশ্ন (৬৫৪৬) : আমি একটি ফ্ল্যাট কিনতে চাচ্ছি। বিক্রেতা বলছে, নগদ নিলে এক দাম। আর বাকিতে নিলে আরেক দাম। শরিয়তের দৃষ্টিতে এটা কেমন? এখানে কোন সমস্যা হবে কি না?
প্রশ্ন (৪২০১) : আমার একটি সুপারশপ রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন কোম্পানী তাদের প্রচারের জন্য আমাকে তাদের মাল বাকীতে দিয়ে যায়। তারা বলে থাকে, মাল বিক্রি করে তারপর তাদের টাকা দিতে। জানতে চাচ্ছি, এভাবে ক্রয় বিক্রয় চুক্তি শুদ্ধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩০১) : আমি আমার এক বন্ধুর কাছে একটি ঘড়ি এভাবে বিক্রি করেছি যে, তুমি এটা নগদ নিলে দুইশ টাকা। আর বাকিতে নিলে আড়াইশ টাকা। সে বাকিতে নিয়েছে। আমার আরেক বন্ধু বলল, এভাবে বিক্রি করা নাকি সুদ হয়েছে। বিষয়টি জানতে চাচ্ছি।
প্রশ্ন (৩৩০০) : আমি যদি কারও কাছে একটি জিনিস এভাবে বিক্রি করি যে, তুমি বাকিতে নিলে দশ হাজার, আর নগদে নিলে আট হাজার। তাহলে কি তা বৈধ হবে?
প্রশ্ন (২৬৯৫) : কিছুদিন আগে আমি একটি নির্দিষ্ট মডেলের মোবাইল শোরুম থেকে ১০ হাজার টাকা বিনিময়ে প্রি-অর্ডার করি। নির্দিষ্ট একটি তারিখে তারা আমাকে মোবাইলটি প্রদান করবে। পরে আমি আমার এক বন্ধুর সাথে এভাবে চুক্তি করি যে, সে আমাকে ১১ হাজার টাকা দিবে। এ মর্মে আমি তাকে মোবাইলের ক্যাশমেমো তাকে দিয়ে দেই। সে ঐ নির্দিষ্ট দিনে মোবাইল নিয়ে আসে। আমি জানতে চাচ্ছি, এভাবে ক্রয়-বিক্রয় করা কি বৈধ হয়েছে?
প্রশ্ন (১৩৮৩) : আমি এক ব্যক্তির সাথে এই মর্মে চুক্তি করেছি যে, আমি তাকে ২ লক্ষ টাকা দিব, সে ৬ মাস পরে আমাকে সাড়ে ৭ হাজার ইট তৈরি করে দিবে। পাশাপাশি আমি তৃতীয় আরেক ব্যক্তির সাথে এই মর্মে চুক্তি করেছি যে, আমি তাকে সেই সাড়ে ৭ হাজার ইট দিব। বিনিময়ে সে আমাকে আড়াই লক্ষ টাকা দিবে। আমার প্রশ্ন হলো, উক্ত চুক্তি দু’টি শুদ্ধ হয়েছে কী?
প্রশ্ন (৯১০) : কিস্তিতে জমি, বিল্ডিং, ফ্রিজ, হোন্ডা-এ সমস্ত জিনিস ক্রয়-বিক্রয় জায়েয আছে কি?
প্রশ্ন (৯০৮) : আমি একজন সার ব্যবসায়ী। নগদ ও বাকি উভয়ভাবে বিক্রি করে থাকি। তবে যখন ক্রেতা বাকি ক্রয়ের জন্য আসে তখন নগদের যে মূল্য (বাজার মূল্য) তার থেকে বাকি ক্রয়ে ৩০০ বা ৪০০ টাকা বেশি মূল্য শর্ত করে থাকি। যেমন এক বস্তা সারের নগদ মূল্য ১০০০ টাকা আর বাকিতে ১৩০০ বা ১৫০০ নিয়ে থাকি। ক্রেতা এ শর্ত অনুযায়ী ক্রয় করে থাকে। উল্লেখ্য, টাকা কবে দেবে তা নির্দিষ্ট করা হয় না। এক মাস পরেও দিতে পারে বা এক বছর পরেও দিতে পারে। জানার বিষয় হল, এ পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় বৈধ হবে কি? যদি বৈধ না হয় তাহলে কোন পদ্ধতিতে বৈধ হবে?