ফরজ হজ্ব সংক্রান্ত বিধি-বিধানসমূহ

কংকর নিক্ষেপ, কুরবানী ও হলক করার আগে তাওয়াফ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৫৮) : আমি আমার মাকে নিয়ে গত বছর হজ্বে যাই। মক্কায় পৌঁছে প্রথমে উমরা করি। এরপর নির্দিষ্ট সময়ে পুনরায় ইহরাম বেঁধে হজ্বের কাজগুলো করতে থাকি। দশম তারিখে তাওয়াফের সময় প্রচন্ড ভিড়ের আশংকা করে কংকর নিক্ষেপ না করে সরাসরি মক্কায় চলে যাই এবং তাওয়াফ করে নেই। তারপর ঐ দিনের বাকি আমলগুলো যথানিয়মে আদায় করি। জানার বিষয় হল, তাওয়াফ কি কংকর নিক্ষেপ, কুরবানী ও হলকের পরই করতে হবে? কংকর নিক্ষেপ করার আগে তাওয়াফ করা যাবে কি? যদি তাওয়াফ করা না যায় তাহলে আমরা যে তাওয়াফ করেছি তার কারণে কোনো জরিমানা আদায় করতে হবে কি না? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

তাওয়াফ শেষ করে দুই রাকাত নামায পড়ার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১২৪৩৫) : তাওয়াফের শেষে যে দু’রাকাত নামায পড়তে হয়; এর কী হুকুম? কখনো যদি ভুলক্রমে এ নামায ছুটে যায় তাহলে কি এতে দম আবশ্যক হবে, নাকি শুধু কাযা করলেই চলবে?

এজেন্সির মুআল্লিমকে দিয়ে বদলী হজ্ব করানো যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪১৯) : আমার মামা বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। তার উপর হজ্ব ফরয। কিন্তু হজ্বে যাওয়ার সামর্থ্য নেই। অন্যকে দিয়ে বদলী হজ্ব করাতে চান। মামার এক প্রতিবেশী সরকারি মুআল্লিম। তিনি বাংলাদেশ থেকে সরকারি খরচে মক্কা যান। হাজ্বীদের খেদমত করে এবং নিজেও হজ্ব করে। তিনি মামাকে বললেন, আমি আপনার বদলী হজ্ব করে দিব। পুরো খরচ দিতে হবে না। ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিলেই চলবে। কেননা আমার তো খরচ নেই। তাই আপনার থেকে কম নিব। এখন আমার মামা কি তাকে দিয়ে বদলী হজ্ব করাতে পারবে?

নাপাক কাপড়ে তাওয়াফ করলে কি তাওয়াফ শুদ্ধ হবে?

প্রশ্ন (১২৩৭০) : ওমরা করার সময় আমার কোলে আমার আট মাস বয়সী বাচ্চাও ছিল। যদিও ডায়াপার পরিয়ে রেখেছিলাম, কিন্তু দীর্ঘক্ষণ পরে থাকার কারণে একসময় লক্ষ করি, বাচ্চার পেশাব লেগে আমার জামার বেশ খানিকটা জায়গা ভিজে উঠেছে। বুঝতে পারি, ডায়াপার অতিক্রম করে এ নাপাকি আমার কাপড়ে লেগেছে। এখন এ নাপাকসহ তাওয়াফ করাতে আমার তাওয়াফ শুদ্ধ হয়েছে কি? নামাযের মতো তাওয়াফেও কি কাপড়-চোপড় পাক থাকা জরুরি? জানালে উপকৃত হব।

হাঁটতে অক্ষম ব্যক্তি কি হুইল চেয়ারে বসে তাওয়াফ করতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৩৩৬) : আমার পিতা বার্ধক্যজনিত কারণে হাঁটতে সক্ষম নন। মৃত্যুর পূর্বে তার শেষ ইচ্ছা তিনি হজ্ব করবেন। মুহতারামের নিকট আমার জিজ্ঞাসা হল, ১. হুইল চেয়ারে তাকে তাওয়াফ করালে তাঁর তাওয়াফ কি আদায় হবে? এবং এর কারণে কোনো দম বা সদকা আবশ্যক হবে কি? ২. আমি যখন তাকে হুইল চেয়ারে তাওয়াফ করাব তখন এর দ্বারা কি আমার তাওয়াফ আদায় হবে, নাকি আমাকে পুনরায় পৃথক তাওয়াফ করতে হবে?

রমল না করলে কি দম ওয়াজিব হয়?

প্রশ্ন (১২৩০৭) : হজ্বের একটি প্রশিক্ষণে হুজুর থেকে জেনেছি যে, যেই তাওয়াফের পর সাঈ করা হয় সেই তাওয়াফে রমল করতে হয়। কিন্তু আমি তাওয়াফে যিয়ারতের সময় প্রথম চক্কর এবং দ্বিতীয় চক্করের কিছু অংশে রমল করতে ভুলে গিয়েছিলাম। তারপর স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে দ্বিতীয় চক্করের বাকি অংশে এবং তৃতীয় চক্করে রমল করেছি। জানার বিষয় হল, প্রথম চক্কর এবং দ্বিতীয় চক্করের কিছু অংশে ভুলে রমল না করার কারণে কি আমার উপর দম বা সদকা ওয়াজিব হয়েছে?

বদলি হজ্ব করার পর বেঁচে যাওয়া টাকার বিধান কি?

প্রশ্ন (১২২৮৫) : আমি মসজিদের ইমাম। এক মুসল্লি তার বাবার বদলি হজ্বের জন্য আমাকে নির্বাচন করেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, স্বাভাবিকভাবে হজ্ব করতে এখন কত খরচ হয়? আমি একজন ট্রাভেলস মালিকের কাছ থেকে খরচের পরিমাণ জানার পর উক্ত মুসল্লিকে তা জানিয়ে দিই। তিনি আমাকে সে পরিমাণ টাকা দিয়ে দেন। আল্লাহর রহমতে আমি হজ্বে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে সব খরচ করার পর তার দেওয়া কিছু টাকা আমার কাছে থেকে গিয়েছে। জানার বিষয় হল, আমি এই উদ্বৃত্ত টাকাগুলো কি আমার প্রয়োজনে খরচ করতে পরব? নাকি তার কাছে ফেরত দিতে হবে?

আসরের পর তাওয়াফ করলে তাওয়াফের নামায কখন আদায় করবে?

প্রশ্ন (১২২৬৪) : মক্কা শরীফে আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত অনেক সময় পাওয়া যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তখন দুটি তাওয়াফ করা যায়। আমাদের মুআল্লিম সাহেব বলেছেন, তাওয়াফের পর দুই রাকাত নামায পড়া ওয়াজিব। আমি একবার আসরের পর একটি তাওয়াফ শেষ করে নামাযের জন্য দাঁড়াচ্ছিলাম তখন এক ভাই বললেন, আসরের পর নামায পড়া যায় না। জানার বিষয় হল, ঐ লোকের কথা কি ঠিক? যদি ঠিক হয় তাহলে তাওয়াফের নামায কখন পড়ব?

মাজুর ব্যক্তি কাউকে দিয়ে বদলি হজ্ব করানোর পর সুস্থ হয়ে গেলে আবার হজ্ব করা কি আবশ্যক?

প্রশ্ন (১২২৩৬) : আমার নানাজানের উপর আগে থেকে হজ্ব ফরয ছিল। তিনি হজ্বে যাবেন যাবেন করতে করতে দেরী হয়ে যায়। এর মাঝে হঠাৎ করে তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। যার দরুন তিনি হাঁটতে পারছিলেন না। নানা চাচ্ছেন তাড়াতাড়ি তার হজ্ব যেন আদায় করা হয়। তাই এক ব্যক্তিকে তার পক্ষ থেকে বদলি হজ্ব করার জন্য পাঠান। সে নানাজানের পক্ষ থেকে হজ্ব আদায় করে আসে। এর প্রায় বছর খানেক পর আল্লাহর রহমতে নানা প্রায় পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন। এখন তিনি একা একা চলা-ফেরা করতে সক্ষম। জানার বিষয় হল, নানা সুস্থ হওয়ার পর কি আবার হজ্ব করা লাগবে, নাকি ঐ হজ্ব যথেষ্ট হবে? তিনি চাচ্ছেন, আবার নিজে গিয়ে হজ্ব করবেন। এটা কি তার ফরয হিসেবে গণ্য হবে না নফল হিসেবে?

ইহরাম অবস্থায় ছাতা ব্যবহার করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২২৩৫) : গত বছর আমি হজ্বে যাই। আরাফার দিন সকালে রোদের কারণে ঘুমাতে কষ্ট হচ্ছিল। তখন আমি মাথার সামনে একটি ছাতা খুলে তার উপর কাপড় ঝুলিয়ে দিই। এরপর বুক পর্যন্ত ছাতার ভিতর ঢুকে ঘুমিয়ে পড়ি। আর ঝুলানো কাপড়টি আমার বুকের উপর ছিল। মাথা বা মুখ কিছুই স্পর্শ করেনি। জানতে চাচ্ছি, এভাবে মুখ ঢেকে দীর্ঘ সময় ঘুমানোর দ্বারা কি দম ওয়াজিব হয়েছে?

হজ্বে সেলাইকৃত জামা পরিধান করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২২১৫) : আমি পবিত্র হজ্ব পালন করেছি। ইহরাম অবস্থায় সতরের সতর্কতার জন্য আন্ডারপ্যান্ট পরি। তামাত্তু হজ্বের উমরা ও হজ্ব উভয়টি আদায়কালে আমি এটি পরিধান করে ছিলাম। পরবর্তীতে আলেমদের কাছে শুনেছি যে, ইহরাম অবস্থায় এগুলো পরা নিষেধ। এখন আমার কি করণীয়? জানিয়ে বাধিত করবেন।

হজ্বে চুল কাটার নিয়ম।

প্রশ্ন (১২২১০) : হজ্বের মৌসুমে দেখা যায়, কয়েকজন বোরকা পরিহিতা মহিলা কেচি নিয়ে দাড়িয়ে থাকে। কারো চুল ছোট করার (কছর করা) প্রয়োজন হলে তারা অল্প কিছু চুল কেটে দেয়। মুহতারামের নিকট জিজ্ঞাসা হল, চুল কাটার সর্বনিম্ন পরিমাণ কতটুকু? পুরো মাথা থেকে কাটতে হবে, নাকি অল্প কিছু চুল কাটলেও চলবে? এক্ষেত্রে নারী পুরুষ উভয়ের জন্য উত্তম তরিকা কী? বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানালে উপকৃত হতাম।

হজ্ব বা উমরায় অল্প চুল কাটার দ্বারা কি হালাল হওয়া যায়?

প্রশ্ন (১২১৮০) : পাঁচ বছর আগে আব্বুর সাথে ওমরা করার তৌফিক হয়। সেটা ছিল আমাদের প্রথম ওমরা। আমরা যখন তাওয়াফ ও সায়ী শেষ করে ইহরাম থেকে বের হওয়ার জন্য চুল কাটবো। তখন একটা বিষয় নিয়ে আমাদের মাঝে সংশয় দেখা দেয়। বিষয়টি হল, আমরা দুজনই তো ইহরাম অবস্থায় আছি। আর শুনেছি যে, এক মুহরিম আরেক মুহরিমের চুল কাটলে দম দিতে হয়। এজন্য আব্বু মারওয়াতে এক ব্যক্তিকে, যে আগেই হালাল হয়ে গিয়েছিল অনুরোধ করলে সে কাঁচি দ্বারা আমাদের উভয়ের অল্প কিছু চুল কেটে দেয়। পরে আমরা হোটেলে এসে পূর্ণ মাথার চুল কাটি। প্রশ্ন হল, আমাদের এভাবে হালাল হওয়া সহিহ হয়েছে কি না? অল্প চুল কাটার দ্বারাও কি হালাল হওয়া যায়?

বদলি হজ্ব করার পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১২১৬৬) : আমার ফুফুর উপর হজ্ব ফরয। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তার হজ্ব করার শারীরিক সক্ষমতা নেই। তিনি অন্য কাউকে দিয়ে তার হজ্বটি করাতে চাচ্ছেন এবং এর জন্য আমাকে নির্বাচন করেছেন। কিন্তু আমি নিজের ফরয হজ্ব আদায় করলেও কখনো অন্যের বদলি হজ্ব করিনি। তাই হযরতের কাছে আবেদন, বদলি হজ্বের পদ্ধতিটা সংক্ষেপে একটু বলবেন। এক্ষেত্রে কী কী বিষয়গুলো বিশেষভাবে লক্ষ রাখতে হবে?

মিকাত থেকে ইহরাম করা কি জরুরী?

প্রশ্ন (১২১৩৪) : এক ব্যক্তি বিমানে করে নিজ দেশ থেকে উমরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন। তার ইচ্ছা ছিল যে, বিমানে ইহরাম করে নেবেন। কিন্তু যখন ইহরাম করার সময় এল তখন তার স্মরণ হল যে, তিনি তো ইহরামের কাপড় বাড়িতে ভুলে রেখে গেছেন। তাই তিনি ইহরাম ছাড়াই জিদ্দা পৌঁছে তার এলাকার একজন আলেমের সাথে যোগাযোগ করেন। ঐ আলেম তাকে বলেন যে, কাছের কোনো মীকাতে গিয়ে ইহরাম করে আসতে হবে। এবং জরিমানা স্বরূপ একটি পশু জবাই করতে হবে। কিন্তু তিনি এসব কিছু না করে জিদ্দায় ইহরাম করে ফেলেন। এবং এভাবেই উমরা শেষ করেন। প্রশ্ন হল, এসব ক্ষেত্রে জিদ্দায় ইহরাম করার দ্বারা কি উমরা সহিহ হয়ে যায়, নাকি ইহরামের জন্য মীকাতের দিকে যাওয়া জরুরি? যদি মীকাতের দিকে যাওয়া আবশ্যক হয় তাহলে কোন মীকাতের দিকে যাবে? ইহরাম ছাড়া যে মীকাত অতিক্রম করেছে, সেই মীকাতে যেতে হবে, না অন্য কোনো মীকাতে গিয়ে ইহরাম করলেও হবে?

সুস্থ ব্যক্তি কি নিজের পক্ষ থেকে নফল হজ্বের বদলি হজ্ব করাতে পারবে?

প্রশ্ন (১২১০৭) : আমি একটি বাড়িতে কাজ করি। বাড়ির মালিত অনেক সম্পদশালী। তিনি নিজে কয়েকবার হজ্ব করেছেন। কয়েক বছর যাবৎ তিনি তার পরিচিত মানুষকে তার পক্ষ থেকে নফল বদলি হজ্বে পাঠান। আলহামদু লিল্লাহ, এবছর হজ্বে যাওয়ার জন্য তিনি আমার নাম প্রস্তাব করেছেন। আমার ওপর হজ্ব ফরয নয়। কিন্তু আমার একটি খটকা আছে, আমি একটি মাসআলা শুনেছি, নিজে হজ্ব করতে একেবারে অক্ষম হয়ে গেলেই নাকি বদলি হজ্ব করানো যায়? তিনি সুস্থ সবল মানুষ, তাঁর জন্য কি বদলি হজ্ব করানো জায়েয হবে; যদিও তা নফলই হোক না কেন? জানিয়ে বাধিত করবেন।

হুইল চেয়ারে বসে সাঈ করলে কি দম ওয়াজিব হয়?

প্রশ্ন (১২১০৬) : কিছুদিন আগে আমি উমরাহ আদায় করি। তাওয়াফ শেষে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। স্বাভাবিক সুস্থ আছি। কিন্তু ক্লান্তির কারণে তাওয়াফের পর সাঈ করার সময় হুইল চেয়ারে বসে সাঈ সম্পন্ন করি। দেশে আসার পর একজন আলেমের নিকট একথা বললে তিনি বলেন, আমার ওপর নাকি একারণে দম ওয়াজিব হয়েছে। হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, আসলেই কি আমার ওপর দম ওয়াজিব হয়েছে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

নাপাক কাপড়ে তাওয়াফ করলে কি তাওয়াফ আদায় হবে?

প্রশ্ন (১২১০২) : আমি উমরায় এসেছি। সাথে আমার দুই বছরের বাচ্চা আছে। আমি তাকে কোলে নিয়ে তাওয়াফ করার সময় সে পেশাব করে দেয়। ঐ অবস্থায়ই আমি তাওয়াফ শেষ করি। জানার বিষয় হল, নাপাক কাপড়ে আমার এই তাওয়াফ কি আদায় হয়েছে? এবং এক্ষেত্রে কোনো জরিমানা আসবে কি?

যারা ঘন ঘন মক্কা মুকাররামায় আসা-যাওয়া করে তারা কি ইহরাম বেঁধে প্রবেশ করবে?

প্রশ্ন (১২০২১) : আমার মামা বাসের ড্রাইভার। তিনি সৌদিআরবে মক্কা থেকে মদীনায় বাস চালান। এ কারণে তাকে একদিন পর পর মক্কায় আসতে হয়। আমাদের সকলেরই জানা আছে যে, মীকাতের বাইরে থেকে কেউ সরাসরি মক্কায় প্রবেশ করলে তাকে এহরাম বেঁধে প্রবেশ করতে হয়। তাই এখন তিনি কী করবেন? প্রতিবার কি ইহরাম বেঁধেই মক্কায় প্রবেশ করবেন?

বদলী হজ্ব শেষে অবশিষ্ট টাকা কি খরচ করা যাবে?

প্রশ্ন (১২০১৪) : আমার এক প্রতিবেশীর পক্ষ থেকে আমি বদলি হজ্ব করি। হজ্বের খরচ বাবদ আমাকে যা দেওয়া হয়েছিল হজ্ব শেষে তা থেকে কিছু টাকা থেকে গেছে। আমি কি এই অবশিষ্ট টাকা নিজের জন্য খরচ করতে পারব?