ব্যক্তি পরিবার ও সমাজ

মেয়েদের প্রতি ঘৃণার কারণে কি বিয়ে করা থেকে বিরত থাকা জায়েয আছে?

প্রশ্ন (১২৮৩৪) : আমার বয়স ২১ বছর। বর্তমান সমাজে মেয়েদের ঊশৃঙ্খলা, খোলা মেলা চলা ফেরা আমি সহ্য করতে পারি না। মাঝে মাঝে নিয়ত করি যে, আমি কখনো বিয়ে করব না। নিজে সম্পূর্ণ উপার্জন ক্ষমতা পাবার পর আমি এতিমখানা হতে একটি শিশু আনবো তাকেই নিজের উত্তরসূরী বানাবো। এখন প্রশ্ন হলো, এভাবে বিবাহ থেকে বিরত থাকলে কি আমার গুনাহ হবে?

মাহরাম সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৮২৪) : আমার নানার একজন বৈমাত্রেয় বোন আছে, যিনি বয়সে আমার মায়ের মতই। তিনি মাঝে মাঝেই আমাদের বাসায় বেড়াতে আসেন। আমার প্রশ্ন হল, তার সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করা আমার জন্য জায়েয হবে কি?

দুধ মেয়ের স্বামী কি মাহরাম হবে?

প্রশ্ন (১২৮২২) : আমার স্ত্রীর ছোট বোন তার একটি ছোট মেয়ে রেখে মারা যায়। এরপর মেয়েটিকে আমার স্ত্রী নিয়ে আসে এবং দুধ পান করায়। মেয়েটি আমাদের ঘরেই বড় হয়েছে। কিছুদিন আগে তার বিবাহ হয়। মেয়েটি মাঝে মাঝে তার স্বামীকে নিয়ে আমাদের বাসায় আসে। বাসায় আসলে আমার স্ত্রী মেয়েটির স্বামীর সামনে চলে যায়। এখন আমার জানার বিষয় হলো, আমার স্ত্রী কি মেয়েটির স্বামীর সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারবে?

ঘরে টিভি রাখে এমন পরিবারকে ঘর ভাড়া দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৮০২) : বর্তমানে প্রায় পরিবারই ঘরে টিভি রাখে। আর টিভিতে ডিশলাইন ব্যবহার করে। আমার জানার বিষয় হলো, জেনেশুনে এমন পরিবারকে ঘর ভাড়া দেওয়া জায়েয হবে কি? এমন পরিবারকে ঘর ভাড়া দিলে কি ঘরের মালিক গুনাহগার হবে? এবং তাদের থেকে প্রাপ্ত ভাড়া কি তার জন্য বৈধ হবে?

তালাক সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৭৮২) : আমি আমার স্ত্রীকে প্রায় এক বছর পূর্বে তার এক আত্মীয়ের সাথে কথা বলতে নিষেধ করি এবং বলি, তার সাথে সরাসরি অথবা ফোনে যে কোনোভাবে কথা বললে তালাক হয়ে যাবে। এরপর প্রায় এক বছর পর্যন্ত আমার স্ত্রী ঐ ব্যক্তির সাথে কোনো কথা বলেনি। কিছুদিন পূর্বে বিশেষ এক প্রয়োজনে শুধু একটি ম্যাসেজ পাঠায়। উদ্দেশ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি সংবাদ পৌঁছানো। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এখন আমরা উভয়ে বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। ম্যাসেজ পাঠানোর কারণে তালাক হয়েছে কি না? যদি হয়ে থাকে তাহলে আমাদের করণীয় কী?

দুই তালাকের ইদ্দত শেষ হওয়ার পর স্বামী তাকে তালাক দিলে কি উক্ত তালাক পতিত হবে?

প্রশ্ন (১২৭৫১) : এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে দুই তালাক প্রদান করে। এরপর তার স্ত্রীর সাথে চার মাস বার দিন কোনো যোগাযোগ বা অন্য কোনো সম্পর্ক রাখেনি। ইতিমধ্যে তার স্ত্রীর ইদ্দত অতিবাহিত হয়ে যায়। এরপর তাকে মৌখিক ও লিখিতভাবে কাজী ও উকিলের মাধ্যমে তিন তালাক প্রদান করে। এখন প্রশ্ন হল- ১. ইদ্দত অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর যে তিন তালাক প্রদান করা হয়েছে তা কার্যকর হয়েছে কি? ২. যদি তিন তালাক কার্যকর না হয় তাহলে তারা কীভাবে আবার বৈবাহিক সম্পর্কে ফিরে আসতে পারবে?

আকীকা দেওয়ার পরে কি বাচ্চার নাম পরিবর্তন করা যাবে?

প্রশ্ন (১২৭৩২) : আকীকা করার সময় একটি মেয়ে শিশুর নাম রাখা হয়েছিল ‘শীলা আহমাদ’। নামটি আরবী-বাংলা মিশ্রিত। বাচ্চার অভিভাবক এখন এই ভুল বুঝতে পেরেছে। তারা সম্পূর্ণ আরবী নাম রাখতে চায়। আকীকা করার পর কি আবার নাম পরিবর্তন করা যাবে? আর পরিবর্তন করলেও যেহেতু ডাক নাম শীলা পরিচিত হয়ে গেছে সুতরাং এটি থাকলে কোনো অসুবিধা আছে কি?

পাত্রী দেখার ক্ষেত্রে কতটুকু পরিমাণ দেখা যাবে?

প্রশ্ন (১২৭২৫) : আমাদের সমাজের কিছু লোক বিবাহের জন্য পাত্রী দেখার সময় হাতের কনুইর নিচ পর্যন্ত ও পায়ের হাঁটুর নিচ পর্যন্ত দেখে। আবার অনেকে তখন নিজ হাতে আংটি পরিয়ে দেয়। জানার বিষয় হল, এভাবে পাত্রী দেখা কি জায়েয আছে? এ পদ্ধতি নাজায়েয হলে শরীয়তসম্মত পদ্ধতি কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।

মহিলার জন্য তার স্বামীর পক্ষের গাইরে মাহরাম পুরুষের সাথে কথা বলা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭০৯) : কোনো মহিলার জন্য তার দেবর বা ভাসুর কিংবা তার স্বামীর ভগ্নিপতি এবং অন্যান্য গাইরে মাহরাম আত্মীয়স্বজন যেমন স্বামীর মামা, খালু, ফুফা ইত্যাদি এদের সাথে পর্দার অন্তরালে থেকে বা ফোনের মাধ্যমে কথাবার্তা বলা কিংবা খোঁজখবর নেওয়া জায়েয হবে কি? বা ঐ সকল লোকেরা ঐ মহিলার সাথে কথাবার্তা বলতে গেলে জায়েয হবে কি না? এমনিভাবে স্বামীর জন্য তার স্ত্রীর ঐ সকল আত্মীয়স্বজন যাদের সাথে পর্দা করা ফরয তাদের সাথে পর্দা করে বা ফোনের মাধ্যমে কথাবার্তা বলা বা খোঁজ-খবর নেওয়া জায়েয হবে কি? বা ঐ সকল মহিলারা ঐ পুরুষের সাথে কথা বলতে চাইলে তা জায়েয হবে কি?

ছেলেদের খতনা করার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৬৭৭) : শরীয়তের দৃষ্টিতে ছেলেদের খতনা করার হুকুম কী? ছোটকালে যদি কারো খতনা না করা হয়ে থাকে তাহলে বড় হওয়ার পরও কি খতনা করানো আবশ্যক? এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

বিয়েতে কুমারী মেয়ের নিকট অনুমতি চাওয়ার পর সে চুপ থাকলে কি তার বিয়ে সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২৬৬৭) : আমাদের এলাকার একটি মেয়ে তার পছন্দের একটি ছেলেকে বিবাহ করতে চাচ্ছিল। কিন্তু তার মা-বাবা অন্যত্র বিয়ে ঠিক করেন। বিবাহের দিন তার মতামত জানতে চাইলে মেয়ে হাঁ-না কিছুই না বলে চুপ থাকে। তবে মনে মনে সে নারাজ ছিল। এ অবস্থায় তার আকদ হয়ে যায়। এবং মেয়েটি নারাজ থাকলেও মা-বাবার কথায় স্বামীর বাড়িতে চলে যায়। এবং দু‘মাস তার সাথে সংসার করে। এরপর একদিন হঠাৎ সে পালিয়ে গিয়ে পূর্বোক্ত ছেলেটির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তার সাথে ঘর-সংসার শুরু করে। এটা নিয়ে এলাকায় অনেক তোলপাড় চলছে। মেয়েটির দাবি, সে প্রথম বিবাহে রাজি ছিল না। তাই তা সহিহ হয়নি। জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে মেয়েটির কথা কি ঠিক? তার প্রথম বিবাহ সহিহ হয়েছে কি না? এবং সে যে দ্বিতীয় বিবাহ করল এর হুকুম কী?

পুরুষ সাক্ষী ছাড়া কি বিয়ে শুদ্ধ হবে?

প্রশ্ন (১২৬০৬) : জনৈক শিক্ষক তার সাত বছরের এক ছেলেকে স্কুলে নিয়ে গিয়ে এক প্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীকে বলেছে, তোমাকে আমার ছেলের স্ত্রী হিসেবে নিলাম। মেয়েটিও কোন কিছু না বুঝে বলে ফেলেছে আলহামদুলিল্লাহ আমি কবুল করলাম। সেখানে তার বয়সী একাধিক মেয়ে উপস্থিত ছিল। তবে কোনো পুরুষ সেখানে ছিল না। এরপর ঘটনা আর আগে বাড়েনি। সম্প্রতি ঐ মেয়ের অন্যত্র বিয়ের কথা চূড়ান্ত হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, উপরোক্ত ঘটনায় কি তাদের মাঝে বিবাহ সম্পন্ন হয়ে গেছে? এবং সেক্ষেত্রে ঐ মেয়ের অন্যত্র বিবাহ কি বৈধ হবে?

বাচ্চাদের কোন ধরণের নাম রাখা উচিত?

প্রশ্ন (১২৫৫৮) : হযরত আমার নাম ইমন, আমার ভাইয়ের নাম নীরব, এগুলো আমাদের ডাক নাম। এভাবে বর্তমানে ব্যাপকভাবে ডাকনাম হিসেবে সংক্ষিপ্ত বাংলা-ইংরেজি শব্দে নাম রাখার প্রচলন রয়েছে। যেমন শান্ত , সজিব ইত্যাদি। এখন মুহতারামের কাছে জানতে চাই, এরকম নাম রাখার বিধান কী? এক্ষেত্রে শরীয়তের নীতিমালা কী? আমাদের নামগুলো কি ঠিক আছে? বিষয়টি একটু বিস্তারিত বুঝিয়ে বললে উপকৃত হতাম।

বড় ভাই ওলি হিসেবে অনুমতি দেওয়ার পর ছোট ভাই আপত্তি করতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৫৫১) : আমরা দুই ভাই এক বোন। আমার বাবা নেই। উভয়েই কাপড়ের ব্যবসা করেন। আমি ইন্টার পাশ করার পর তারা আমার বিবাহের জন্য একটি ছেলেকে পছন্দ করেন। ছেলেটি দ্বীনদার না হওয়াতে আমি রাযি হইনি। এরপর আমার মামা (যার মাধ্যমে আমি দ্বীনের বুঝ পেয়েছি) আমার জন্য একটি দ্বীনদার পাত্র ঠিক করেন, যার অর্থনৈতিক অবস্থা আমাদের থেকে কিছুটা দুর্বল। আমার বড় ভাইয়ের সম্মতিতে তার সাথে মহরে মিছিলে আমার বিবাহ হয়। এসময় আমার ছোট ভাই ব্যবসার কাজে ইন্ডিয়াতে ছিলেন। আকদের দুই দিন পরে ইন্ডিয়া থেকে আসেন এবং বলেন আমি এই বিয়েতে রাযি নই। কারণ তারা আমাদের থেকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল। এ বিষয়ে তিনি অনেক কঠোরতা করেছেন। এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, ছোট ভাইয়ের সম্মতি ছাড়া অর্থনৈতিক দিক থেকে গাইরে কুফুর মধ্যে বিবাহ হওয়ার দ্বারা কি আমাদের বিবাহ সহিহ হয়েছে? শরয়ীভাবে আমার ছোট ভাই কি আমাদের বিবাহ ভেঙ্গে দেয়ার অধিকার রাখে?

সন্তান লালন-পালন সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৪৪) : আমার এক বন্ধু এক মেয়েকে বিয়ে করে। সাত মাসের গর্ভবতী অবস্থায় মেয়েটি পালিয়ে গিয়ে আরেক ছেলের সাথে সংসার শুরু করে। এর এক মাস পর প্রথম স্বামী ঐ মেয়েকে তালাক প্রদান করে। পালিয়ে যাওয়ার তিন মাস পর একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। পরবর্তীতে মেয়েটি কাযী অফিসে গিয়ে ঐ ছেলেটিকে বিয়ে করে নেয়। সন্তানের লালন-পালন ঐ মেয়ে এবং তার দ্বিতীয় স্বামীই করে যাচ্ছে। প্রথম স্বামীকে লালন-পালন করা এমনকি দেখার সুযোগ দিতেও তারা রাজি না। এখন আমি জানতে চাই- ১. ঐ কন্যা সন্তানের পিতা হিসেবে পরিচয় কে পাবে? ২. সন্তানটির লালন-পালনের অধিকার কে রাখে? ৩. এমন অপারগতাবস্থায় সন্তানের খোঁজ-খবর না নেওয়ার দ্বারা প্রথম স্বামী গুনাহগার হবে কি না? ৪. ঐ সন্তানের লালন-পালনের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্বামীর কোনো অধিকার আছে কি না?

কনে থেকে সম্মতি নেওয়ার সময় সাক্ষী থাকা কি জরুরি?

প্রশ্ন (১২৫৪৩) : গত শনিবার ধানমণ্ডি তাকওয়া মসজিদে আমার বড় ভাগ্নির বিবাহের আকদ হয়। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আমার ভগ্নিপতি আমার ভাগ্নি থেকে ইযিন নিয়ে যান। এ সময় সেখানে শুধু আমার বোন ছিলেন। আকদের পূর্বে ছেলে পক্ষের কয়েকজন মুরব্বী বলে উঠলেন, বিবাহ সংঘটিত হওয়ার জন্য ইযিন নেয়ার সময়ও সাক্ষীদের উপস্থিত থাকা জরুরি। এরপর ইমাম সাহেব তাদেরকে কি যেন বলেন। তাতে তারা শান্ত হন। এরপর বিবাহ হয়। এছাড়াও এটা জরুরি কি না এ নিয়ে আরো কিছু বিবাহে জটিলতা সৃষ্টি হতে দেখেছি। এখন জানতে চাচ্ছি বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য ‘ইযিন’ নেয়ার সময় সাক্ষীদের উপস্থিতি জরুরি কি না?

নবজাতকের কানে আযান দেওয়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৫৪২) : কিছুদিন আগে আমার মেয়ের একটি ছেলেসন্তান জন্ম হয়। নার্সরা নাতিকে আমাদের কোলে দেওয়ার পর তার কানে আযান দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেই। ঠিক তখনই যোহর নামাযের আযান হয়। আমরা মসজিদের আযানই যথেষ্ট মনে করে পুনরায় তার কানে আর আযান দেইনি। জানার বিষয় হল, মসজিদের আযানের দ্বারা কি নবজাতকের কানে আযান দেওয়ার সুন্নাত আদায় হয়ে যায়? আর নবজাতকের কানে আযান দেওয়ার ক্ষেত্রেও কি حي على الصلاة ও حي على الفلاح বলার সময় ডানে-বামে চেহারা ঘোরানোর নিয়ম আছে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

ছেলে তার বাবার স্ত্রীর আগের ঘরের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৫৩৩) : কিছু দিন আগে আমার মায়ের ইন্তিকালের পর আমার পিতা এক বিধবা নারীকে বিবাহ করেন। তার ১৮ বছরের এক মেয়ে আছে। বর্তমানে সে আমাদের বাড়িতে অবস্থান করছে। সম্প্রতি ঐ মেয়ের মামা চাচ্ছেন আমার সঙ্গে তাকে বিবাহ দিতে। আমি কি তাকে বিবাহ করতে পারব? কেউ কেউ বলছেন, এই বিবাহ সহিহ হবে না। তাদের কথা কি ঠিক?

ফোনে বিয়ে করলে কি বিয়ে কার্যকর হবে?

প্রশ্ন (১২৫২৩) : আমার এক বন্ধু এক মেয়েকে ফোনে বিয়ে করে। সে মেয়েটিকে ফোনে বলে, আমি তোমাকে এত টাকার মহরে বিবাহ করলাম, তুমি রাজী থাকলে কবুল বল। মেয়েটি তখন কবুল বলে। ফোনে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে ছেলের দুজন বন্ধুও মেয়ের কবুল বলা শুনেছিল। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের অভিভাবক তাদেরকে ভিন্ন জায়গায় বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের উভয়ে বলে, আমাদের তো বিয়ে হয়ে গেছে। আমরা পরস্পর স্বামী-স্ত্রী। তাই অন্য কোথাও আমরা বিয়ে করব না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, তাদের বিবাহ কি শুদ্ধ হয়েছে? এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান কী? বর্তমানে তাদের বাবা-মা চাচ্ছেন তারা একে অপরকে তালাক দিয়ে দিক। এটা কি বৈধ হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।