স্বামী-স্ত্রী উলঙ্গ হয়ে ঘুমাতে পারবে কি
প্রশ্ন (১৯২৮) : স্বামী-স্ত্রী একা যদি একটি রুমে থাকে তাহলে তারা পরস্পর উলঙ্গ হয়ে ঘুমাতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৯২৮) : স্বামী-স্ত্রী একা যদি একটি রুমে থাকে তাহলে তারা পরস্পর উলঙ্গ হয়ে ঘুমাতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৯২৬) : আমি যদি আমার স্বামীকে ভাই বলে সম্বোধন করি তাহলে আমাদের বিয়ের কোনো ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৯১৮) : স্ত্রীকে আদর করে বোন বলে ডাকলে কি কোনো সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (১৭৩৪) : কোনো স্বামী কি তার স্ত্রীর স্তন মুখে নিতে পারবে? শরিয়তে কি এটি নিষেধ?
প্রশ্ন (১৭৩১) : স্ত্রীর স্তন চোষার সময় দুধ মুখে চলে গেলে কি বিয়ের কোনো ক্ষতি হয়?
প্রশ্ন (১৭৩০) : এক ব্যক্তি বলল, সহবাসের সময় ঘরের লাইট বন্ধ রাখতে হবে। যেন স্বামী স্ত্রী একে অপরের লজ্জাস্থান না দেখতে পারে। প্রশ্ন হলো, স্বামী স্ত্রী কি একে অপরের লজ্জাস্থান দেখতে পারে না? সহবাসের সময় কি লাইট বন্ধ রাখা জরুরি?
প্রশ্ন (১৬৫২) : আমি একটি বইয়ে পড়েছি যে, স্ত্রীর গোপনাঙ্গের দিকে তাকালে নাকি চোখের জ্যোতি কমে যায়। প্রশ্ন হলো, ইসলামি শরিয়তে এর কি কোনো ভিত্তি আছে? স্ত্রীর গোপনাঙ্গের দিকে তাকানো কি নিষেধ?
প্রশ্ন (১৬৩১) : গর্ভাবস্থায় স্ত্রী সহবাসের ব্যাপারে ইসলাম কী বলে?
প্রশ্ন (১৬২০) : কুরআনে স্ত্রীকে শস্যক্ষেত্র বলা হয়েছে এবং যেখান দিয়ে ইচ্ছা গমন করতে বলা হয়েছে। আমি জানতে চাচ্ছি, তাহলে কি স্ত্রীর পায়ুপথে সঙ্গম করা যাবে? স্ত্রীর পায়ুপথে সঙ্গম হারাম হওয়ার ব্যাপারে কি কোনো দলিল আছে?
প্রশ্ন (১৫৯৯) : স্ত্রী যদি রাগ করে আলাদা ঘুমায়, তাহলে স্বামীর করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৫৫৯) : উত্তেজনার সময় মাঝে মাঝে আমার স্ত্রী তার হাত দ্বারা আমার লজ্জাস্থান মৈথুন করে বীর্যপাত ঘটিয়ে দেয়। প্রশ্ন হলো, এটি কি হারাম কাজ হচ্ছে?
প্রশ্ন (১৫৪৭) : আমার যৌন কামনা তীব্র। যার কারণে স্ত্রী হায়েজগ্রস্ত হলে আমার জন্য ধৈর্য ধরা কষ্টকর হয়ে যায়। এমতাবস্থায় বীর্যপাত না করার কারণে আমার অণ্ডকোষসহ তলপেট ব্যথা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আমার করণীয় কী? আমি কি এই অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে পারব?
প্রশ্ন (৮৭৩) : স্বামী স্ত্রীকে প্রহার করতে পারবে কি? পারলে কতটুকু পারবে?
প্রশ্ন (৮৬৫) : আমার স্ত্রীর ছোট ভাইকে বছর দুয়েক আগে একটি মেয়ের সাথে বিবাহ সম্পন্ন করানো হয়। আমার শাশুড়ি একজন দ্বীনদার মহিলা। এজন্য তিনি উক্ত পাত্রীকে পুত্রবধূ হিসেবে নির্বাচন করেন, এই ভেবে যে, সে দ্বীনদার এবং আমলী হবে। নম্র ও ভদ্র হবে। বর্তমানে, শ্বশুর-শাশুড়ি নিজেদের বাসায় পুত্রবধূকে রেখেছেন। তার যাবতীয় ভরণপোষণ ও পুত্রের ভরণপোষণের সিংহভাগ তারাই দিচ্ছেন। কিন্তু উক্ত পুত্রবধূ তার শাশুড়ির সাথে ছোটখাটো বিষয়েও তর্ক ও বেয়াদবিতে লিপ্ত হচ্ছে। বিভিন্ন আমল যেমন কুরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, কিতাব পড়া ইত্যাদি ব্যাপারে তারা উৎসাহ দিলে উক্ত পুত্রবধূ বিরক্তি প্রকাশ করে এবং উদাসীনতা প্রদর্শন করে। ছোট ভাই মাঝে মাঝে তার স্ত্রীকে এসব বিষয়ে বুঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো ফল হচ্ছে না। শ্বশুরের বাসায় উক্ত পুত্রবধূর আচরণ নিয়ে সবাই পেরেশান। এমতাবস্থায় জানার বিষয় হলো, উক্ত পুত্রবধূকে আলাদা সংসার বুঝিয়ে না দিয়ে নিজেদের সাথে রাখাটা কি শরিয়তসম্মত হচ্ছে? উক্ত পুত্রবধূর সংশোধনের জন্য পুত্র ও শ্বশুর-শাশুড়ির দায়িত্ব কী?
প্রশ্ন (৭৯০) : আমি একজন জেনারেল শিক্ষিতা মহিলা। ইসলামী শিক্ষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আগ্রহ রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমি যখন বিশেষ অসুস্থ (হায়েজ) অবস্থায় থাকি তখনও আমার স্বামী আমার সাথে মিলিত হওয়া থেকে বিরত থাকতে পারেন না। বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন, আমি তোমার চেয়ে ভালো জানি। এভাবে তার সঙ্গে আমার ১০/১২ বছর সংসার চলছে। এখন আমি খুব অশান্তিতে আছি তাই দয়া করে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব। ক. ঋতুস্রাব অবস্থায় স্ত্রী সহবাসের কোনো সুযোগ আছে কি? খ. যদি তিনি সংশোধন হন তাহলে আমার বা তার ওপর কোনো কাফফারা ওয়াজিব হবে কি? গ. আর যদি সংশোধন না হন তাহলে আমি কী করতে পারি?
প্রশ্ন (১৯৬) : স্ত্রীকে রেখে স্বামী কতদিন প্রবাসে বা দূরে থাকতে পারবে?