আল কুর’আন

কুরআন না বুঝে পড়া কি নিষেধ

প্রশ্ন (৭৬৩৬) : আমার এক ভাইকে বলতে শুনলাম, কুরআন বুঝে পড়তে হবে। কুরআন না বুঝে পড়া জায়েয নেই। আমি জানতে চাচ্ছি, এ ব্যাপারে শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি কী? কুরআন না বুঝে পড়া কি আসলেই নাজায়েয?

যিনি কুরআন মুখস্থ করেছেন তিনি কি সর্বাবস্থায় কল্যাণপ্রাপ্ত

প্রশ্ন (৭৬৩১) : আল্লাহ তাআলা যে ব্যক্তিকে কুরআন মুখস্থ করার তাওফিক দিয়েছেন, সে শরিয়তের বিধি বিধান পালন না করলেও কি সর্বাবস্থায় কল্যাণপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে?

ক্যাসেট প্লেয়ারে কুরআন বাজালে তা শুনতে হবে কি

প্রশ্ন (৭৫৫০) : আমি শুনেছি, কুরআন তেলাওয়াত চলা অবস্থায় মনোযোগ সহকারে তা শ্রবণ করা আবশ্যক। আমার প্রশ্ন হল, যদি ক্যাসেট প্লেয়ারে কুরআন চালানো হয় তাহলেও কি মনোযোগসহকারে শ্রবণ করা আবশ্যক?

কুরআন মুখস্থ পড়লে কি সওয়াব কম হয়

প্রশ্ন (৭৫৪৮) : আমি একটি বইয়ে পড়েছি, কুরআন দেখে পড়লে সওয়াব বেশি। আর মুখস্থ পড়লে সওয়াব কম। আমার জানার বিষয় হল, এই বিষয়টি কি সঠিক? কুরআন মুখস্থ পড়লে কি সওয়াব কম হবে?

গাড়িতে ভ্রমণের সময় গান চলাকালে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে কি

প্রশ্ন (৭৫১৩) : গাড়িতে ভ্রমণের সময় কোনো কোনো গাড়িতে গান ছেড়ে দেওয়া হয়। গান শোনা থেকে বাঁচার জন্য আমি কুরআন তেলাওয়াত করতে থাকি। আমার প্রশ্ন হলো, গান চলাকালীন কুরআন তেলাওয়াতের কারণে কি কুরআনের অসম্মান হবে?

শুধু ঠোট ও জিহ্বা নাড়ানোর দ্বারা তেলাওয়াত করলে তেলাওয়াত হিসেবে গণ্য হবে কি

প্রশ্ন (৭৪০৮) : আমি গত ৩০ বছর যাবত হৃদরোগে ভুগছি এবং দুই বার অপারেশন করেছি। ডাক্তারের মতে আর অপারেশন করা সম্ভব নয়। কাজেই আমাকে ওষুধের উপর নির্ভর করে চলতে হবে। আমি উচ্চস্বরে কোনো কিছু বেশিক্ষণ পড়তে পারি না এবং বেশিক্ষণ কথা বলতে পারি না। যদি বলি তাহলে আমার বুকে ব্যথা হয়। এমতাবস্থায় আমি যদি জিহ্বা এবং ঠোঁট নেড়ে কোনো আওয়াজ না করে কোরআন তেলাওয়াত করি তাহলে আল্লাহ তাআলা কি তা গ্রহণ করবেন?

কুরআন কি সূরা ফাতেহা থেকে শুরু না সূরা বাকারা থেকে

প্রশ্ন (৭৩৮৩) : কুরআনের শুরু কোন জায়গায় থেকে? কেউ বলেন, সূরা বাকারা থেকে মূলত কুরআন শুরু হয়েছে। আবার কেউ বলেন, সুরা ফাতেহা থেকেই কুরআন শুরু হয়েছে। এই দুই মতের মধ্যে কোনটি সঠিক? বা এছাড়া এ ব্যাপারে আরো কোন মত আছে কিনা?

কুরআন শরিফে যে والفجر وليال عشر এখানে দশ রাত মানে কী?

প্রশ্ন (৭২৬৪) : তাফসির বিশারদগণ বলেছেন, আলোচ্য আয়াতে দশ রাত মানে হল, যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিন। কারণ এ দিনগুলো খুবই ফযিলতপূর্ণ। [তাফসীরে ইবনে কাসীর ৪/৫৩৫]