শরীরে মশার রক্ত থাকলে কি নামাজ হবে
প্রশ্ন (৮৪০৩) : আমি নামাজ পড়ার সময় আমার শরীরে একটি মশা কামড় দেয়। আমি তা মেরে ফেলি। ফলে মশার রক্ত আমার শরীরে লেগে যায়। আমি তা নিয়েই নামাজ পড়ি। এতে কি আমার নামায হয়েছে?
প্রশ্ন (৮৪০৩) : আমি নামাজ পড়ার সময় আমার শরীরে একটি মশা কামড় দেয়। আমি তা মেরে ফেলি। ফলে মশার রক্ত আমার শরীরে লেগে যায়। আমি তা নিয়েই নামাজ পড়ি। এতে কি আমার নামায হয়েছে?
প্রশ্ন (৮৩৯৮) : তারাবির নামাজে আমি আয়াত ভুলে গেলে রুকুতে গিয়ে তা মনে মনে পড়ে স্মরণ করার চেষ্টা করি। এতে কোন সমস্যা আছে কি?
প্রশ্ন (৮৩৭৯) : কেউ যদি ভুলে দক্ষিণ দিকে ফিরে নামাজ পড়ে ফেলে এবং নামাজের পর তার ভুল বুঝতে পারে তাহলে কি তার নামাজ আদায় হবে? না আবার পড়তে হবে?
প্রশ্ন (৮৩৭৮) : আমি আজকে জোহরের নামাজ ভুলে পূর্ব দিকে ফিরে পড়ে ফেলেছি। এখন কি আমার আবার নামাজ পড়তে হবে?
প্রশ্ন (৮৩৭৪) : আমি সহিহ মুসলিমের এক হাদিসে পেয়েছি, নামাজের বৈঠকে হাত উরুতে রাখবে। আরেক হাদিসে পেয়েছি হাঁটুতে রাখবে। আসলে কোনটি সঠিক?
প্রশ্ন (৮৩৬৯) : অনেক সময় এমন হয় যে, রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় মশাকে মারার কারণে তার রক্ত বিছানায় লেগে যায়। অতপর সেখানেই কখনো কখনো নামাজ পড়া হয়। এতে কি নামাজের কোন সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (৮৩৬০) : আমি সৌদিআরবে দেখেছি, ফজরের নামাজ দ্রুত পড়া হয়। আমাদের দেশে দেখি, অনেক দেরি করে পড়া হয়। এটার কোন দলিল আছে কি?
প্রশ্ন (৮৩৫৯) : শুনেছি, প্রত্যেক নামাজের মুস্তাহাব সময় আছে। ফজরের নামাজের মুস্তাহাব সময় কোনটি?
প্রশ্ন (৮৩৪৯) : আমি এক মসজিদের ইমাম। গতকাল আসরের নামাজে আমি সূরা ফাতেহার প্রথম দুই আয়াত জোরে পড়ে ফেলি। সাহু সেজদাও দেইনি। আমার জানামতে এ ক্ষেত্রে সাহু সেজদা দেওয়া জরুরি নয়। তারপরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাদেরকে জিজ্ঞাসা করছি।
প্রশ্ন (৮৩৪৭) : কেউ কোন কিছু খোঁজ করলে নামাজ থেকে ইশারার মাধ্যমে দেখিয়ে দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৮৩৪৬) : একবার আমাদের বাসায় আমার ভাই তার বই খুঁজছিল। বইটি টেবিলের নিচে পড়ে গিয়েছিল। আমার ভাই খেয়াল না করেই আমাকে বইটির কথা জিজ্ঞাসা করে। আমি তখন নামাজে ছিলাম। সে অবস্থায়ই তাকে হাতের ইশারা দিয়ে বইটি দেখিয়ে দিই। এতে কোন সমস্যা হয়েছে?
প্রশ্ন (৮৩৪৫) : নামাজে বসা অবস্থায় হাঁত কোথায় রাখবে? কুরআন হাদিসে এ ব্যাপারে কী আছে দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (৮৩২৪) : আমার কোন নামাজ কাযা নেই আলহামদুলিল্লাহ। এমতাবস্থায় আমার যদি কোন নামাজ কাযা হয়ে যায় আর মসজিদে গিয়ে দেখি ওয়াক্তিয়া নামাজের জামাত চলছে তাহলে এ অবস্থায় আমি কী করব? জামাতে শরিক হব না কাযা নামাজ আদায় করব?
প্রশ্ন (৮৩১০) : এক ব্যক্তি আমার সাথে বিতর্ক করেছে। আমি জানি নামাজ শুরু ওয়াক্তে পড়লে সওয়াব বেশি। কিন্তু সে বলল, হাদিসে নাকি বলা হয়েছে, ফজরের নামাজ বিলম্ব করে পড়তে। আসলে কি এমন কোন হাদিস আছে?
প্রশ্ন (৮৩০৫) : কেউ যদি অসুস্থতার কারণে চেয়ারে বসে নামাজ পড়ে তাহলে তার পিছনে সুস্থ ব্যক্তিরা নামাজের ইকতেদা করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৮২৯০) : আমার এক বন্ধু ফরজ নামাজ পড়ছিল। আমি তার পিছনে গিয়ে তার ইকতেদা করে ফেলি। সে বুঝতে পারেনি। তার সাথে রুকু সেজদা দিই। এতে কি আমার নামাজ হয়েছে?
প্রশ্ন (৮২৮৭) : কাতার সোজা করার জন্য রাসূল (সা.) কখন সাহাবায়ে কেরামকে বলতেন?
প্রশ্ন (৮২৮২) : আমি যদি কাউকে দেখি, সে নামাজ পড়ছে। আর আমি গিয়ে তার পিছনে ইকতেদা করে ফেলি তাহলে কি নামাজ আদায় হবে?
প্রশ্ন (৮২৭৮) : আমাদের দেশে ইমাম সাহেব যখন ঈদের খুতবায় তাকবীর বলে তখন মুসল্লিগণও তার সাথে তাকবীর বলে। এটা কি জায়েয আছে?
প্রশ্ন (৮২৬৭) : অনেক সময় এমন হয় যে, আমার তাশাহহুদ শেষ হওয়ার পূর্বেই ইমাম সাহে বৈঠক থেকে দাঁড়িয়ে যান। তাই আমিও দাঁড়িয়ে যাই। এতে কি আমার নামাজের কোন সমস্যা হবে?