হায়েয সংক্রান্ত একটি মাসআলা।
প্রশ্ন (১২০০২) : আামার ঋতুস্রাবের স্বাভাবিক সময় সাত দিন। কিন্তু এই মাসে তা দশ দিন অতিক্রম করে। এখন আমার জানার বিষয় হলো, আমার উপর নামাযের বিধান সাত দিনের পর থেকে শুরু হবে, নাকি দশ দিনের পর থেকে?
প্রশ্ন (১২০০২) : আামার ঋতুস্রাবের স্বাভাবিক সময় সাত দিন। কিন্তু এই মাসে তা দশ দিন অতিক্রম করে। এখন আমার জানার বিষয় হলো, আমার উপর নামাযের বিধান সাত দিনের পর থেকে শুরু হবে, নাকি দশ দিনের পর থেকে?
প্রশ্ন (১১৭৩৪) : আমি নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করে থাকি। কিন্তু মাসিকের সময় কুরআন তিলাওয়াত থেকে বিরত থাকি। আমি জানতে চাচ্ছি, মাসিক অবস্থায় কি আমি যিকির-আযকার ও তাসবিহাত আদায় করতে পারব?
প্রশ্ন (১১৫১৯) : আমার প্রথম সন্তানের জন্মের পর আমার নেফাস ছিল ১৮ দিন। দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার পর রক্ত আসে ২০ দিন। এরপর ১৬ দিন রক্ত দেখা যায়নি। পরে আবার ৬ দিন স্রাব এসেছে। এক্ষেত্রে আমি কতদিন নেফাস গণ্য করব?
প্রশ্ন (৯১২০) : সহবাসের পর যদি কোনো নারীর মাসিক শুরু হয়ে যায় তাহলে উক্ত নারী ফরয গোসল কখন করবে?
প্রশ্ন (৮০৫৩) : আমি মান্নত করেছিলাম যে, এই শুক্রবার রোজা রাখব। কিন্তু আজকে আমার হায়েয চলছে। তাহলে আমি কী করব?
প্রশ্ন (৭৯০৯) : নামাজের সময় বাকি থাকতে যদি স্রাব শুরু হয় তাহলে কি ঐ নামাজ পড়া লাগবে?
প্রশ্ন (৭৭৬৮) : হায়েজা নারী কুরআনের আয়াত পড়ে কাউকে ফুঁ দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৭৬৬৮) : আমার গর্ভের তিন মাস হয়েছে। বাচ্চার অঙ্গও প্রকাশ পেয়েছে কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে ডিএনসি করতে হয়েছে। এখন কি যে স্রাব যাচ্ছে তাকে হায়েয ধরব না অন্য কিছু?
প্রশ্ন (৭৪১৫) : আমার দুইটা প্রশ্ন রয়েছে। এক. আমি কয়েকমাস পূর্বে মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণে পরীক্ষা করে বুঝতে পারি আমি গর্ভবতী। এমতাবস্থায় দেড়-দুই মাস অতিক্রম হতেই আবার রক্ত দেখা দেয়। এই রক্তের হুকুম কী? দুই. দেড়-দুই মাসে বাচ্চা পড়ে গেলে যদি রক্ত আসে তাহলে তা হায়েয হিসেবে গণ্য হবে নাকি এর ভিন্ন হুকুম হবে?
প্রশ্ন (৭৩৯৫) : যদি কোনো মহিলা ওষুধের মাধ্যমে ঋতুস্রাব বন্ধ করে রাখে তাহলে তার সঙ্গে সহবাস জায়েয হবে কি? এবং তার জন্য নামাজ রোজা-আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৭২৩১) : এক মহিলার স্বাভাবিক মাসিক হয় সাত দিনে। কিন্তু এ মাসে পাঁচ দিন হয়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পরে আবার সপ্তম দিনের দিন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মাঝের দিন যে তার মাসিক বন্ধ ছিল, এ দিনে তার করণীয় কী ছিল?
প্রশ্ন (৬৯৩৫) : আমি একজন মুআল্লিমা। বাচ্চাদেরকে কুরআন শেখাই। আমার একটি প্রশ্ন হল, হায়েযা নারী কীভাবে কুরআন শিক্ষা দিবে?
প্রশ্ন (৬৯২৩) : আমি কুরআন শেখাই। শুনেছি, হায়েয অবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত করা যায় না। তাহলে এ অবস্থায় আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (৬৮৪১) : নারীদের হায়েয অবস্থায় যদি কেউ সেজদার আয়াত শুনে তাহলে তাকে কখন সেজদা দিতে হবে?
প্রশ্ন (৬৭৯৬) : হায়েযগ্রস্ত হলে তো কুরআন পড়তে পারে না। তবে অন্যান্য যিকির করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৬৭৯৫) : নারীদের তো প্রতি মাসে হায়েয হয়। সে সময় তারা কুরআন তেলাওয়াত করতে পারে না। তবে সে সময় কি তারা কুরআন শুনতে পারবে?
প্রশ্ন (৬৫৯৮) : কারও যদি তিন দিন হায়েয হওয়ার পর রক্ত বন্ধ হয়ে যায়, এরপর এক দিন পর আবার দুই দিন রক্ত দেখে তাহলে সে নামাজের ব্যাপারে কী করবে?
প্রশ্ন (৬৩২৪) : কোনো নারীর বাচ্চা প্রসব হওয়ার সাথে সাথেই কি গোসল ফরজ হয়ে যায়?
প্রশ্ন (৬২৫৭) : কিছুদিন আগে হায়েজ থেকে পবিত্র হওয়ার ব্যাপারে আমার স্ত্রীর কথার উপর ভিত্তি করে তার সাথে সহবাস করে থাকি। কিন্তু সহবাসের পর দেখতে পাই, তার রক্ত বের হচ্ছে। জানতে চাচ্ছি, এখন আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (৬২৪১) : হায়েজ অবস্থায় কোনো নারী কুরআন মাজিদ নিয়ে সফর করতে পারবে কি?