মসজিদে দান করার মান্নত করার যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩৮৮৭) : কোনো বস্তু অর্জনের উদ্দেশ্যে কি মান্নত করা জায়েয আছে? কেউ যদি চাকরি পাওয়ার আশায় মান্নত করে বলে যে, আমি পঞ্চাশ হাজার টাকা মসজিদে দান করব তাহলে তার এই কথা কি শরীয়তসম্মত হবে?
প্রশ্ন (১৩৮৮৭) : কোনো বস্তু অর্জনের উদ্দেশ্যে কি মান্নত করা জায়েয আছে? কেউ যদি চাকরি পাওয়ার আশায় মান্নত করে বলে যে, আমি পঞ্চাশ হাজার টাকা মসজিদে দান করব তাহলে তার এই কথা কি শরীয়তসম্মত হবে?
প্রশ্ন (১৩৮৩৮) : আমি যে স্থানে চাকরি করি সেখান থেকে আমার বাড়ি শরীয়ত নির্ধারিত মুসাফিরের সীমার অনেক উপরে। এখন আমার প্রশ্ন হল, আমি বাড়িতে যাওয়ার সময় এবং বাড়ি থেকে আসার সময় রাস্তায় কছর নামায পড়ব কি? যদি কছর পড়তে হয় তাহলে আমি আমার বাড়ি/চাকরিস্থলে পৌঁছার কতটুকু সীমানা পর্যন্ত কছর পড়ব?
প্রশ্ন (১৩৭৯৫) : ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়ে উক্ত চাকরি থেকে প্রাপ্ত বেতন হালাল হবে নাকি হারাম? কুরআন-হাদিসের আলোকে সমাধান জানালে উপকৃত হবো।
প্রশ্ন (১৩৭৪৮) : আমি একটি কলেজে শিক্ষকতা করি। এই কলেজটি একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের প্রভিডেন্ট ফান্ড-এর টাকা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ৫০% এবং চাকরিজীবীদের বেতন থেকে ৫০% ব্যাংক হিসাবে জমা হয়। উক্ত টাকা চাকরি শেষে চাকরিজীবীদের প্রদান করার নিয়ম রয়েছে। বর্তমানে কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত ৫০% এর উপর এফ.ডি.আর. করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ টাকাও চাকরির শেষে মূল ও বর্ধিত অংশসহ চাকরিজীবীদেরকে প্রদান করা হবে। অতএব এ অবস্থায় উক্ত মূল ও বর্ধিত অংশ চাকরির শেষে গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩৬৮৩) : আমি অনেকদিন যাবৎ চাকরির সন্ধান করেও কোথাও মনমত চাকরি খুঁজে পাচ্ছিলাম না। একবার একটা ভাল চাকরির সন্ধান পাই। আল্লাহর রহমতে উক্ত চাকরিতে ইন্টারভিউ দিয়ে উত্তীর্ণ হই। কিন্তু চাকুরী হবে কি না তা নিয়ে ভয়ে ছিলাম। তখন আমি এই বলে মান্নত করি যে, যদি আমার এই চাকুরিটা হয়ে যায় তাহলে আমি প্রতি জুমার দিন রোযা রাখবো। পরে আমার ঐ চাকুরিটা হয়ে যায়। তাই আমি প্রত্যেক জুমার দিন রোযা রেখে যাচ্ছি। কিন্তু বর্তমানে আমার সাংসারিক ঝামেলা অনেক বেড়ে গেছে। তাই মাঝেমধ্যে জুমআর দিনে রোযা রাখা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। হুযুরের নিকট আমার জানার বিষয় হলো, রোযা না রাখতে পারলে আমার করণীয় কী? যে দিনগুরোর রোযা ছুটেছে সেগুলোর জন্য কী করতে হবে? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ হবো।
প্রশ্ন (১৩৫৯১) : আমি একজন চাকরিজীবী। আমি আমার বেতন থেকে অল্প অল্প করে প্রায় লাখ খানেক টাকা সঞ্চয় করেছি। আর গ্রামের বাড়িতে পৈত্রিকসূত্রে দেড় বিঘা জমি পেয়েছি। যার আনুমানিক মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হবে। এছাড়া আমার আর কোনো অর্থ-সম্পদ নেই। চাকরির বেতন দিয়েই আমার সংসার চলে। আর জমি থেকে বর্গাচাষের ভিত্তিতে বছরে কিছু আয় আসে। আমার জানার বিষয় হল, এ অবস্থায় আমার উপর হজ্ব ফরয হবে কি? অথচ হজ্বে যাওয়ার মতো টাকা আমার কাছে নেই।
প্রশ্ন (১৩৫৮৪) : আমার এক প্রতিবেশী মাসিক ছয় হাজার টাকা বেতনের ছোট একটি চাকরি করেন। পাশাপারি কিছু ফসলী জমি চাষ করেন। চাকরি ও ফসলের আয় দ্বারা তার সংসার মোটামুটি চলে। তবে অতিরিক্ত কিছু তিনি রাখতে পারেন না। এ ছাড়া তার দুইটি ফলের বাগান রয়েছে। সেগুলোর মূল্য প্রায় চার লক্ষ টাকা হবে। তার একটি ছেলে আছে। তাকে বুঝানোর পর তিনি তার সন্তানকে মাদরাসায় পড়াতে রাজি হয়েছেন। কিন্তু তিনি মাদরাসার খরচাদি দিতে রাজি নন। তবে তিনি চেষ্টা করলে খরচ বহন করতে পারবেন। এখন আমার প্রশ্ন হল, আমি কি আমার বা অন্য কারো যাকাতের টাকা থেকে ঐ ছেলের মাদরাসার খরচ চালাতে পারব?
প্রশ্ন (১৩৫৬৭) : আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। আমার অনেক সহকর্মী ঘুষ গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন অসৎ উপায়ে আয় করে। তো তারা আমাকে তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠারে খাবারের দাওয়াত দেয়। জানার বিষয় হলো, তাদের এ দাওয়াত গ্রহণ করা কি আমার জন্য ঠিক হবে?
প্রশ্ন (১৩৫২৬) : আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। এখানে প্রতি মাসে আমার বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা রাখা হয়। আমি ইচ্ছা করলে বেশি টাকাও জমা রাখতে পারি। ২০২২ সাল থেকে ২০২৩ সলে বেতনের প্রায় অর্ধেক জমা রেখেছিলাম। এতে আনুমানিক ১ লক্ষ টাকা সরকারী বাধ্যবাধকতার অতিরিক্ত জমা করেছি। এই টাকার উপর মুনাফা দেওয়া হয়। এখন আমি জানতে চাচ্ছি যে, এই মুনাফা নেওয়া কি আমার জন্য বৈধ হবে? আর এই জমানো টাকার উপর আমাকে প্রতি বছর যাকাত আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৫০২) : আমার একটি মুদির দোকান আছে। দোকান বড় হওয়ায় কয়েকজন কর্মচারী রেখেছি। তাদেরকে প্রত্যেক মাসে বেতনের পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে নির্ধারিত অংকের বোনাসও দেওয়ার চুক্তি হয়েছে। এখন জানার বিষয় হল, আমি কি যাকাতের টাকা থেকে তাদেরকে বোনাস দিতে পারব?
প্রশ্ন (১৩৪৭৮) : আমাদের একটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার আছে। আমি ও আমার বড় ভাই মিলে এটি পরিচালানা করি। আমাদের এখানে অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন চাকরির আবেদন, বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজে ভর্তি ইত্যাদি ফরম পূরণ করা হয়। আমি জানি, ব্যাংকে চাকরি করা জায়েয নয়। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, আমাদের জন্য কি অনলাইনের মাধ্যমে কোনো ব্যাংকে চাকরির আবেদন ফরম পূরণ করা জায়েয হবে? দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (১৩৩৮৭) : প্রচলিত ধারার ব্যাংকে চাকরি করা কি জায়েয?
প্রশ্ন (১৩৩৬৮) : আমি একটি স্কুল পরিচালনা করি। সেখানে শিক্ষক, স্টাফ মিলে প্রায় ৪০ জন কর্মচারী আছে। আমার যাকাতবর্ষ পূর্ণ হওয়ার সময় আমার কাছে বেতন বাবদ তাদের বেশ টাকা পাওনা থাকে। আমি উক্ত টাকা ঋণ হিসেবে যাকাত থেকে বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সম্পদের যাকাত আদায় করি। হুজুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আমার এভাবে যাকাত আদায় করা ঠিক আছে কি?
প্রশ্ন (১৩৩৬২) : ঈদের দিন অনেক গরীব-মিসকিন বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হাদিয় চায়, যাকাতের টাকা থেকে তাদেরকে হাদিয়া দেওয়া যাবে কি? আর যাকাত দেওয়ার সময় ব্যক্তিকে জানিয়ে দেওয়া জরুরি কি?
প্রশ্ন (১৩৩৫০) : আমি সরকারী চাকরি করি। প্রতি মাসেই সরকার আমার বেতনের নির্দিষ্ট একটা অংশ প্রভিডেন্ট ফান্ডে বাধ্যতামুলক কেটে রাখে। এই টাকার উপর চাকুরি শেষে সুদ দেওয়া হবে। আমার জানার বিষয় হলো, মূল বেতনের অতিরিক্তটা নেওয়া কি আমার জন্য বৈধ হবে? আর এই টাকার উপর কি প্রতি বছর আমাকে যাকাত দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৩৪০) : আমরা স্বামী-স্ত্রী উভয়ে ব্যাংকে চাকুরী করি। ব্যাংকে পরিশ্রমের বিনিময়ে আমাদেরকে বেতন দেওয়া হচ্ছে এবং অবসরের পর কয়েক লক্ষ টাকা পেনশন দেওয়া হবে। আমার প্রশ্ন হল, পরিশ্রমের মাধ্যমে উক্ত বেতন এবং পেনশন-এর টাকা আমাদের জন্য হালাল হচ্ছে কি?
প্রশ্ন (১৩৩২৩) : আমরা দুই ভাই। বাবা মারা যাওয়ার পর আমরা মীরাস সূত্রে একটি মালবাহী কার্গো পাই। কার্গোটি আমরা ভাড়ায় খাটাই। কার্গোটির যাবতীয় কাজ-কারবার, দেখাশোনা, গ্রাহকদের সাথে কথাবার্তা সবকিছু আমি করি। আমাদের চুক্তি হল, যা আয় হবে তার ৪০% ভাইয়ের, বাকিটা আমার, আমাদের এই বণ্টন কি সহিহ?
প্রশ্ন (১৩৩২২) : একজন সরকারী কর্মচারী চাইলে মূল বেতনের কমপক্ষে ৫% বাধ্যতামূলক এবং সর্বোচ্চ ২৫% টাকা ঐচ্ছিক কর্তন করাতে পারেন। জানার বিষয় হলো, জিপি ফান্ডের সরকার প্রদত্ব অংশ বা সুদ নেওয়া জায়েয আছে কি? জিপি ফাণ্ডের সরকার প্রদত্ত অংশ বা সুদ না নিয়ে এই টাকা দিয়ে সরকারকে ট্যাক্স দেওয়া ঠিক হবে কি? অথবা এই টাকা দিয়ে নিতান্ত অপারগতার কারণে অন্য কোনো সরকারী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে পারব কি?
প্রশ্ন (১৩২৪৪) : আমি একটি কোম্পানিতে চাকরি করি। চাকরির সুবাদে আমাকে প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। তাই কোম্পানি থেকে আমার চলাচলের জন্য একটি মোটর সাইকেল দেওয়া হয়েছে। দুই মাস আগে একদিন আমি অফিসে যাচ্ছিলাম। বৃষ্টির কারণে পথ পিচ্ছিল ছিল। তখন অন্য একটি মোটর সাইকেলের ধাক্কায় আমি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি এবং পথও পিচ্ছিল হওয়ার কারণে বড় রকমের দূর্ঘটনা ঘটে। দুই মাস চিকিৎসার পর এখন আমি আবার অফিসে জয়েন করতে গেলে তারা বলল, তারা আমাকে যে মোটর সাইকেলটি ব্যবহার করতে দিয়েছিল, যা এক্সিডেন্টে নষ্ট হয়েছে, সেটা ঠিক করতে যত টাকা লেগেছে তার ২৫% টাকা যেন আমি জরিমানাসূলভ তাদেরকে দেই। আমি জানতে চাচ্ছি, এখানে তো আমার কোনো দোষের কারণে এক্সিডেন্ট হয়নি, তবুও কি আমি জরিমানা দিতে বাধ্য?
প্রশ্ন (১৩২৩৪) : ডিশ লাইনে চাকরি করে উপার্জিত টাকা হালাল না হারাম? সে টাকা যদি কেউ তার বোন অথবা ভগ্নিপতিকে প্রয়োজনে ব্যয় করতে দেয় তাহলে তাদের জন্য তা হালাল হবে কি? দয়া করে জানালে খুবই উপকৃত হব।