একাকী ফরয নামায আদায় করার পর আবার জামাতে উক্ত নামায পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩৮০৩) : ফরয নামায আদায় করার পর ঐ ফরয নামায পুণরায় জামাতে আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩৮০৩) : ফরয নামায আদায় করার পর ঐ ফরয নামায পুণরায় জামাতে আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩৭৯৪) : আমাদের মসজিদে একটি তাবলীগের জামাত আছে। উক্ত জামাতের এক ব্যক্তি মাগরিবের নামাযের পর বয়ানে পর্দার আলোচনা করতে গিয়ে বললেন, কোনো মহিলার যখন ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হয়ে যায় তখন তার সাথে পর্দার বিধান থাকে না। তাই তার সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করা জায়েয। তার এ কথা কি সঠিক? দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (১৩৭৯০) : আমাদের এলাকার মসজিদে একটি তাবলীগ জামাত গঠন করা হয়েছে। তাবলীগের মুরুব্বিরা সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, উক্ত জামাত দিনাজপুরের এক ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মসজিদে ৪০ দিনের জন্য অবস্থান করবে। এক মসজিদে তিন দিন করে থাকা হবে। এভাবে ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর জামাতটি আবার এলাকায় ফিরে আসবে। আমাদের জানার বিষয় হলো, আমরা যেহেতু একই ইউনিয়নে ৪০ দিন অবস্থান করার নিয়ত করেছি তাহলে কি আমরা সকলেই মুকীম হিসেবে গণ্য হবো?
প্রশ্ন (১৩৭৮২) : মুসাফির ব্যক্তি কি জামাতে নামায আদায় করবে? আর মুসাফিরের জন্য জামাতে নামায আদায়ের পদ্ধতি কী? মাসআলাটি জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৩৭২৯) : ইমামের পিছনে নামায পড়া অবস্থায় প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার পর মুক্তাদি যদি ভুলে দরূদ শরীফ পড়ে ফেলে তাহলে উপর কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?
প্রশ্ন (১৩৭১৪) : মাঝে মাঝে আমার মসজিদে যেতে দেরি হয়ে গেলে দুজন মিলে জামাত করি। আমার জানামতে দুজন মিলে জামাত করার নিয়ম হলো, মুক্তাদি ইমামের ডান পাশে একটু পিছনে সরে দাঁড়াবে। কয়েকদিন আগে এক হুজুরের সাথে নামায পড়ছিলাম। আমি তার থেকে একটু পিছনে সরে দাঁড়ালে তিনি আমাকে তার বরাবরে দাঁড় করালেন এবং বললেন যে, এটাই নাকি নিয়ম। তার এ কথা কি সঠিক? দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (১৩৭০১) : আমি একটি মেসে ভাড়া থাকি। সেখানে আমার সাথে আরও চারজন থাকে। একদিন আমাদের ঘুম থেকে উঠতে বিলম্ব হয়। ফলে সকলেরই ফজরের নামায কাযা হয়ে যায়। তখন আমরা ঐ নামায জামাতের সাথে আদায় করি। এখন জানার বিষয় হল, কাযা নামায জামাতের সাথে পড়া কি আমাদের জন্য ঠিক হয়েছে? এবং এক্ষেত্রে কিরাত জোরে পড়তে হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৬৯৬) : দুই ব্যক্তি জামাতে নামায আদায় করার ক্ষেত্রে শরীয়তের সঠিক বিধান হলো মুকতাদি ইমামের ডান পাশে দাঁড়াবে। হযরতের কাছে জানার বিষয় হলো, এক্ষেত্রে যদি মুকতাদি লম্বা হওয়ার কারণে মুক্তাদির সিজদা ইমামের আগে চলে যায় তাহলে কি মুকতাদির নামায ফাসেদ হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১৩৬৯২) : এই রমযানে আমাদের এলাকার মসজিদে একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হাফেয তারাবীর নামায পড়িয়েছে। মসজিদের ইমাম সাহেব আমাদেরকে মাসআলা বলেছেন, নাবালেগের পিছনে তারাবীর নামায পড়া জায়েয আছে। জানার বিষয় হল, তার কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৩৬৫৫) : আসরের নামাযে আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব ভুলে তৃতীয় রাকাতে বসে পড়েছেন। এরপর চতুর্থ রাকাতে ইমাম সাহেব না বসে সোজা দাঁড়িয়ে যান। কেননা তিনি ভেবেছেন, এটি তৃতীয় রাকাত। মুসল্লিরা শেষ বৈঠকে বসে লোকমা দিয়েছেন। কিন্তু ইমাম সাহেব বৈঠকে ফিরে না আসায় মুসল্লিরা বৈঠক ছেড়ে ইমাম সাহেবের অনুসরণ করে। মাসআলা জানা থাকায় আমি ও কয়েকজন মুসল্লি শেষ বৈঠকে বসে ছিলাম। এরপর ইমাম সাহেব যখন পঞ্চম রাকাতের সিজদা করেছেন তখন আমরা সালাম ফিরিয়েছি। এরপর অবশ্য আমরাও সকলের সাথে সতর্কতাবশত পুনরায় আসরের নামায আদায় করে নিয়েছি। জানার বিষয় হল, আমাদের প্রথম নামায সহিহ হয়েছিল কি?
প্রশ্ন (১৩৬৫০) : আমি মাঝে মাঝেই ফজরের সময় মসজিদে গিয়ে দেখি ইকামত হচ্ছে বা জামাত শুরু হয়ে গেছে। এ অবস্থায় আমি সুন্নত পড়ব নাকি পড়ব না? দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।
প্রশ্ন (১৩৬২৮) : আমি গতকাল গাড়িতে থাকায় আসরের নামায যথাসময়ে আদায় করতে পারি নি। পরে মাগরিবের সময় গাড়ি থেকে নেমে এক মসজিদে জামাতের সাথে মাগরিবের নামায পড়ি। তখন আমার আসরের নামাযের কথা স্মরণ ছিল। কিন্তু মাগরিবের জামাত দাঁড়িয়ে যাওয়ায় আসরের কথা স্মরণ থাকা সত্ত্বেও মাগরিবের জামাতে শরিক হয়ে যাই। আর আমার পূর্বের কোনো নামায কাযা নেই। এখন আমার করণীয় কী? আমি কি আসরের কাযা আদায় করে নিব? বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৩৬০৯) : একবার জামাত শুরু হয়ে যাওয়ার পর মসজিদে যাই। তখন জামাত পাওয়ার জন্য দ্রুত অযু করতে শুরু করি। আমার হাতে ২টি আংটি ছিল। তাড়াহুড়োর কারণে সেগুলো খুলতে মনে ছিল না। সেগুলোসহই অযু শেষ করি। পরে এব্যাপারে আমার মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয় যে, আমার অযু হয়েছে কি না। তবে ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাওয়ায় নামায পুনরায় পড়িনি। এখন জানতে চাচ্ছি,আমার উক্ত অযু ও নামায হয়েছে কি?
প্রশ্ন (১৩৫১৯) : আমাদের এলাকায় একটি বড় মাদরাসা আছে। মাদরাসার মুহতামিম সাহেব একজন সর্বজনশ্রদ্ধেয় আলেম। তিনি সবসময় আমাদের জামে মসজিদে জুমআ, দুই ঈদ ও তারাবীহর নামায পড়ান। কিছুদিন আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। এখনও তিনি আমাদের জামে মসজিদে জুমআ, ঈদ ও তারাবীহর নামায পড়ান। আমি শুনেছি, অন্ধ ব্যক্তির পেছনে নামায মাকরূহ হয়। জানার বিষয় হল, আমাদের উক্ত ইমামের পেছনে নামায মাকরূহ হবে কি?
প্রশ্ন (১৩৫০৪) : আমি নিয়মিত মসজিদেই নামায পড়ি। কখনো মসজিদে যেতে দেরি হয়ে গেলে বাড়িতে আমার স্ত্রীকে নিয়ে জামাত করি। এক্ষেত্রে তাকে আমার ডান পাশে একটু পেছনে দাঁড় করাই। অর্থাৎ তার পায়ের আঙ্গুল আমার গোড়ালির পরে হয়ে থাকে। আমার এ নিয়ম কি ঠিক আছে?
প্রশ্ন (১৩৪৫৬) : আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে শুক্রবার দিন ট্রেনে ঢাকা থেকে সিলেট যাচ্ছিলাম। জুমার নামাযের সময় ট্রেন না থামায় আমরা জুমার নামায পড়তে পারিনি। আমরা ট্রেন থেকে নেমে এক মসজিদে ঢুকে যোহরের নামায জামাতের সাথে আদায় করি। জানতে চাচ্ছি, জামাতের সাথে এভাবে যোহরের নামায আদায় করা কি ঠিক হয়েছে? নাকি পৃথকভাবে আদায় করা উচিত ছিল?
প্রশ্ন (১৩৪৩২) : কিছুদিন আগে আমরা কয়েকজন বরিশাল থেকে ঢাকায় আসি। এখানে আমার ভগ্নিপতির মাদরাসা আছে। জুমআর দিন তিনি উপস্থিত না থাকায় আমাদের সাথে আসা একজন জুমার নামায পড়িয়ে দেন। পরে আমার মনে হল, তিনি তো মুসাফির। তার নিজের উপরই যখন জুমা ওয়াজিব নয় তখন তিনি মুকীমদের ইমাম হবেন কীভাবে? তাই জানতে চাই, মুসাফিরের জন্য জুমার ইমামতি করার বিধান কী?
প্রশ্ন (১৩৪২৯) : আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। আমার ডিউটি রাত ৮টা পর্যন্ত। ডিউটি শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে প্রায় দশটা বেজে যায়। এরপর খাবার-দাবার ও অন্যান্য কাজ শেষ করে ইশার নামায পড়তে পড়তে প্রায় বারোটা, সাড়ে বারোটা বেজে যায়। এর আগে পড়াটা একটু কঠিন হয়। জানতে চাই, আমার জন্য এত দেরি করে নামায আদায় করায় কোনো সমস্যা আছে কি?
প্রশ্ন (১৩৪১৭) : ফজরের ওয়াক্তে প্রায় সময় ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে গেলে মসজিদে গিয়ে দেখি ফজরের জামাত শুরু হয়ে গেছে। তখন সুন্নত না পড়েই জামাতে শরিক হয়ে যাই। জানার বিষয় হলো, এই সুন্নত কি পরে কাযা করতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৩৮৯) : আমাদের এলাকায় কোন ঈদগাহ মাঠ নেই। আর মসজিদ ছোট হওয়ায় মুসল্লিদের জায়গা হয় না। তাই আমাদের মসজিদে ঈদের দুইটি জামাত হয়। একটি ৭:৩০ মিনিটে, অপরটি ৮:৩০ মিনিটে। আমরা সাত শরিকে কুরবানী দিয়েছি। এক শরিক দ্বিতীয় জামাতে নামায পড়েছে। আমরা প্রথম জামাতে নামায পড়ে এসেই পশু যবাই করে দেই। পরে জানা গেল আমাদের এক শরিক তখনও ঈদের নামায পড়েনি। লোকজন বলছে শরিকের নামায পড়ার আগে কুরবানী করার কারণে আমাদের কুরবানী নাকি হয়নি। এখন আমাদের করণীয় কী?