জামাআত

ভুলে দাঁড়িয়ে আবার বসে গেলে নামায হবে কি

প্রশ্ন (১১৮৩৬) : কিছুদিন আগে জামাতে এশার নামায পড়ছিলাম। দ্বিতীয় রাকাতের বৈঠকে ইমাম সাহেব তাকবীর কিছুটা দীর্ঘ করেন। এ কারণে আমরা কয়েকজন না বসে দাঁড়িয়ে যাই। সাথে সাথে আবার বসে যাই। জানতে চাচ্ছি, আমাদের নামায কি হয়েছিল?

পরে ইকতেদা করা হলে উচ্চস্বরে কেরাত পড়তে হবে কি

প্রশ্ন (১১৮৩১) : আমি একদিন একাকি ফজরের নামায পড়ছিলাম। পরবর্তীতে দুইজন ব্যক্তি আমার পিছনে ইকতেদা করে। কিন্তু আমি বাকি নামায একাকি আদায়কারীর ন্যায় শেষ করি। নামায শেষে মুক্তাদীরা বলে, আপনার জন্য উচ্চস্বরে কেরাত পড়া জরুরি ছিল। জানতে চাচ্ছি, আমার কি নামায হয়েছিল?

মুসাফির ব্যক্তি মুকিমের পিছনে ইকতিদা করলে কত রাকাত আদায় করবে?

প্রশ্ন (১১৬৯৯) : আমার বাড়ি যশোর। মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত কাজে আমার ঢাকা যেতে হয়। যাত্রাপথে ড্রাইভার নামাযের বিরতি দেয়। তখন মসজিদে জামাত হলেও আমি এই ভেবে জামাতে শরিক হই না যে, ইমাম সাহেব মুকিম, তাই তিনি চার রাকাত নামায পড়াবেন। আর আমি তো মুসাফির, আমার উপর দুই রাকাত ওয়াজিব। তো আমার এই ভাবনা কি ঠিক আছে?

মুসাফির ব্যক্তি জুমার নামায পড়ালে কি সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১১৬৯৪) : আমি একজন আলেম। আমি ঢাকা থাকি। একবার আমি সিলেট আমার এক বন্ধুর বাড়ি দুই দিনের জন্য বেড়াতে যাই। সেখানে জুমার দিনে বন্ধুর আবেদনে তাদের মসজিদে জুমার নামায পড়াই। নামাযের পর স্থানীয় একজন লোক বলল, হুজুর তো মুসাফির। আর মুসাফিরের উপর তো জুমার নামায ফরয না। তাহলে হুজুরের জুমার নামায পড়ানো কি সঠিক হয়েছে? হযরতের নিকট জানতে চাচ্ছি, মুসাফির ব্যক্তি জুমার নামায পড়ালে কি শুদ্ধ হবে?

ইমাম সাহেব যেখানে দাঁড়িয়ে ইমামতি করেছেন সেখানে দাঁড়িয়ে সুন্নত পড়া অনুত্তম।

প্রশ্ন (১১৬৫২) : একদিন যোহরের নামাযের সময় আমাদের মসজিদে ইমাম সাহেব না থাকায় আমি ইমামতি করি। নামায শেষে ইমামতির জায়গায় দাঁড়িয়েই আমি নামায পরবর্তী সুন্নত আদায় করি। নামায শেষে একজন আলেম আমাকে বললেন, যেখানে দাঁড়িয়ে আপনি ইমামতি করেছেন সেখানে দাঁড়িয়ে পরবর্তী সুন্নত আদায় করা অনুত্তম হয়েছে। সেই আলেমের কথা ঠিক আছে?

নাবালেগের পিছনে বালেগ ব্যক্তির ইক্তিদা সহিহ নয়।

প্রশ্ন (১১৬৫০) : আমার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। সেখানে হিফয বিভাগও আছে। তো রমযান মাসে ছাত্রদের ইয়াদ মজবুত করার উদ্দেশ্যে তারাবীর নামায পড়ানোর জন্য ছাত্রদের কয়েকটা গ্রুপ করা হয়ে থাকে। কোনো কোনো গ্রুপে নাবালেগ ছাত্র ইমামতি করে এবং তার পিছনে বালেগ ছাত্র বা উস্তাদ ইক্তিদা করে। তো আমার জানার বিষয় হলো, নাবালেগের পিছেনে বালেগ ব্যক্তির ইক্তিদা সহিহ আছে?

সুন্নত নামায কাযা করা আবশ্যক নয়।

প্রশ্ন (১১৬৩১) : আমি যোহরের নামাযের আগের চার রাকাত সুন্নতে দাঁড়ানোর পর জামাত শুরু হয়ে যায়। তাই আমি দুই রাকাত পড়ে সালাম ফিরিয়ে জামাতে শরীক হই। নামাযের পর আর সেই সুন্নত নামাযটি পুনরায় পড়া হয়নি। এখন কি আমাকে ঐ চার রাকাত সুন্নতের কাযা করতে হবে? কারণ আমি শুনেছি, নফল ও সুন্নত নামায শুরু করলে তা ওয়াজিব হয়ে যায়।

ইমাম সাহেব নামাযের মাঝে কেরাতে আটকে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১১৬২৭) : আমি মাঝে মাঝে আমাদের এলাকার মসজিদে ইমামতি করি। নামাযে কেরাত পড়ার সময় কখনো আয়াতের মাঝে আটকে যাই, আবার কখনো পরবর্তী আয়াত স্মরণ করতে পারি না। এমন পরিস্থিতিতে পড়লে আমার করণীয় কি?

মসজিদের ভিতরে আযান দেওয়া কি মাকরুহ?

প্রশ্ন (১১৬১৯) : আমাদের দেশে সাধারণত মসজিদের ভিতরেই আযান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। এবং মুআজ্জিন মসজিদের ভিতরে থেকেই আযান দিয়ে থাকেন । তো গতকাল মসজিদে একটি তাবলীগ জামাত আসে। ঐ জামাতের আমির সাহেব আমাদেরকে বলেন, মসজিদের ভেতর থেকে আযান দেওয়া মাকরূহ। তাই আযানের ব্যবস্থা মসজিদের বাহিরে করলে ভালো হয়। ঐ আমির সাহেবের কথা সঠিক?

অসুস্থতার কারণে ঘরে নামায আদায় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১১৬০৮) : আমি বালেগ হওয়ার পর থেকে সর্বদা মসজিদে জামাতের সাথে নামায পড়ার চেষ্টা করছি। বর্তমানে আমি শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ থাকায় জামাতের সাথে নামায আদায় করা আমার জন্য কষ্ট হয়ে যায়। তবুও নামায জামাতেই পড়ছি। প্রথম রাকাত দাঁড়িয়ে পড়ি। পরবর্তী রাকাতগুলো বসে এবং ইশারায় পড়ি। এমতাবস্থায় আমার জন্য নিজ ঘরে নামায পড়ার অনুমতি আছে কি ? এক্ষেত্রে কি আমি জামাতের সওয়াব পাব?

জুমার জামাত না পেলে একাকী আদায় করলে কি জুমার নামায আাদায় হবে?

প্রশ্ন (১১৬০৩) : আমি শুক্রবার দিন সকালে ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। রাস্তায় অনেক জ্যাম ছিল। তাই বাড়িতে পৌঁছতে দেরি হয়ে যায়। তো গ্রামে পৌঁছে দেখি, জুমার নামায প্রায় শেষের দিকে। ওযু করে আসতে আসতে ইমাম সাহেব সালাম ফিরিয়ে ফেলেন। পরে আমি একাকী দুই রাকাত জুমার নামায আদায় করে নিই। হুজুরের কাছে জানার বিষয় হল, একাকী আদায় করার দ্বারা আমার জুমার নামায কি আদায় হয়েছে?

জানাযার নামাযে ভুলে চারের অধিক তাকবীর বলে ফেললে কি নামায হবে?

প্রশ্ন (১১৫৮৫) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাকে এক মাইয়্যিতের জানাযার নামায পড়াতে দেওয়া হয়। আমি ভুলে চতুর্থ তাকবীরের পর পঞ্চম তাকবীর দিয়ে ফেলি। এতে কি আমার নামায হয়েছে? নাকি আবার পড়াতে হবে?

নারী-পুরুষ একসাথে জামাতে নামায পড়লে কিভাবে দাঁড়াবে?

প্রশ্ন (১১৫৬৯) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মাঝে মধ্যে আমরা কয়েকজম মিলে বাসায় জামাত করি। কখনো কখনো মাহরাম নারী জামাতে শরীক হয়। এক্ষেত্রে দাঁড়ানোর সঠিক পদ্ধতি কী?

জামাত চলাকালীন সময়ে মসজিদে গিয়ে ইমাম সাহেবকে সিজদায় পেলে করণীয় কি?

প্রশ্ন (১১৫৬৬) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মসজিদে জামাত চলাকালীন সময়ে যদি গিয়ে ‍দেখি ইমাম সাহেব সিজদায় আছে তাহলে এক্ষেত্রে কি করব? তাকবীরে তাহরীমা বলে তখনই ইমামের সাথে সিজদায় শরীক হবো নাকি ইমাম সাহেবের দাঁড়ানোর পর তাকবীর বাধবো?

কোনো কারণে ঈদের নামায ছুটে গেলে করণীয় কি?

প্রশ্ন (১১৫৫৩) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের বাড়ি থেকে ঈদগাহ অনেক দূরে। এবার ঈদের নামাযে যাওয়ার পথে পাশ দিয়ে দ্রুত গতিতে অতিক্রমকারী সিএনজির কারণে রাস্তার কাদা আমার জামায় ছিটকে আসে। পরে আমি বাড়িতে যাই জামা পরিবর্তন করতে। বাড়ি থেকে জামা পরিবর্তন করে আসতে আসতে ঈদের নামায শেষ হয়ে যায়। পরে শুধু খুতবা শুনতে পারি। যেহেতু আমি ঈদের নামায পড়তে পারিনি এক্ষেত্রে আমার কি করণীয়?

এশার নামায না পড়ে তারাবী পড়লে কি তা আদায় হবে?

প্রশ্ন (১১৫০৮) : এই রমযানে একদিন এশার জামাতের সময় মসজিদে যেতে দেরি হয়ে যায়। মসজিদে গিয়ে দেখি, ইমাম সাহেব তারাবীর নামায শুরু করে দিয়েছেন। তখন আমি খতম ছুটে আশঙ্কায় এশার নামায না পড়েই তারাবীতে শরীক হয়ে যাই। পরে বাসায় এসে এশা ও বিতির আদায় করি। তো এশার নামায না পড়ে তারাবীতে শরীক হওয়ায় আমার উক্ত তারাবী কি সহিহ হয়েছে?

তাহাজ্জুদগুজার ব্যক্তির জন্য বেতের জামাতে পড়া কি উত্তম

প্রশ্ন (১১৩২৭) : আমার পিতা নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামায আদায় করেন এবং তাহাজ্জুদের পরই বেতের পড়েন। জানতে চাচ্ছি, রমযানে তার জন্য বেতেরের নামায জামাতে পড়া কি উত্তম নাকি তাহাজ্জুদের পর?