তারাবি না পড়ে ইকামতে দ্বীন সংশ্লিষ্ট কাজ করা যাবে কি
প্রশ্ন (৩০৫২) : তারাবির নামাজ তো সুন্নতে মুয়াক্কাদা। সে হিসেবে আমি যদি তারাবি না পড়ে ইকামতে দ্বীন সংশ্লিষ্ট কোনো কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ি তাহলে হাদিসে বর্ণিত রমজানের রাতে নামাজ পড়ার ফজিলত লাভ হবে কি?
প্রশ্ন (৩০৫২) : তারাবির নামাজ তো সুন্নতে মুয়াক্কাদা। সে হিসেবে আমি যদি তারাবি না পড়ে ইকামতে দ্বীন সংশ্লিষ্ট কোনো কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ি তাহলে হাদিসে বর্ণিত রমজানের রাতে নামাজ পড়ার ফজিলত লাভ হবে কি?
প্রশ্ন (২৯৫০) : সদকাতুল ফিতর ফরজ, সুন্নত, ওয়াজিব, নাকি নফল?
প্রশ্ন (২৯৪৫) : নফল নামাজ মসজিদে পড়া উত্তম না ঘরে পড়া উত্তম?
প্রশ্ন (২৭৭৯) : রোজার সাথে তারাবির সম্পর্ক কতটুকু? তারাবিহ না পড়ে রোজা রাখলে রোজা হবে কিনা?
প্রশ্ন (২৬৩৪) : আমি নফল রোজা অবস্থায় ছিলাম। এমতাবস্থায় আমার সাথে আমার স্বামী সহবাস করে ফেলে। প্রশ্ন হল, এক্ষেত্রে আমার রোজার বিধান কী হবে? আমার রোজা কি বহাল থাকবে? না থাকলে সেই রোজা কি আবার কাযা করতে হবে?
প্রশ্ন (২৬২০) : একবার ফরজ নামাজ নিজে নিজে পড়ার পর পরবর্তীতে অন্য কোন জামাতের ইমামতি করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৪৬৪) : কিছুদিন আগে জনৈক বক্তাকে রমজান মাসের ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে একটি হাদিস বলতে শুনলাম যে, রমজানের একটি নফল ইবাদত অন্য মাসের একটি ফরজ ইবাদতের সমতুল্য হয়ে থাকে। আমার প্রশ্ন হল, হাদিসটি কি সহিহ?
প্রশ্ন (২৩৯১) : আমি মসজিদে প্রবেশ করার পর নিয়মিত তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়ে থাকি। কিন্তু শুনেছি, ফজরের সময় নফল নামাজ পড়া যায় না। তাই জানতে চাচ্ছি, ফজরের সময় তাহিয়্যাতুল মসজিদ কীভাবে পড়ব?
প্রশ্ন (২২৫৫) : নামাজে দুই সেজদার মাঝে যে দোয়াটির কথা এসেছে তা কি ফরজ নামাজেও পড়তে পারবে? নাকি শুধু নফল নামাজ পড়তে হবে?
প্রশ্ন (২২১২) : আমার বড় বোন নফল রোজা রাখার নিয়ত করে ঘুমিয়েছে। কিন্ত তিনি সাহরির সময় উঠতে পারেননি। ফজরের সময় তার ঘুম ভাঙ্গে। তখন তিনি কিছু না খেয়ে রোজার নিয়ত করে নেন এবং রোজা রাখেন। এখন জানতে চাই, তার রোজা কি হয়েছে?
প্রশ্ন (২১৪০) : আমি কখনো কখনো নফল নামাজ বসে পড়ে থাকি। এর জন্য কি আমার সওয়াব কম হবে?
প্রশ্ন (২১৩৯) : আমি শুনেছি, নফল নামাজ কোন ওজর না থাকলেও বসে পড়া যাবে। আসলে কি তাই?
প্রশ্ন (২১৩৬) : আমি যদি শাওয়ালের ছয় রোজা রাখার সময় আমার কাযা রোজা রাখারও নিয়ত করি তাহলে কি আমার উভয় রোজা আদায় হবে?
প্রশ্ন (২০৭৬) : আমি একবার ঈদের নামাজের পূর্বে ইশরাক নামাজ পড়তে গেলে আমার আম্মা আমাকে নিষেধ করেন। তিনি বলেন: ঈদের নামাজের পূর্বে নফল নামাজ পড়া যায় না। তার কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২০৬৬) : বর্তমানে করোনার পরিস্থিতিতে যদি মসজিদে কয়েকটি জামাত করা হয় এবং এক ইমামের দুই জামাতে ইমামতি করতে হয় তাহলে কোন সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (২০৬৩) : ঈদের নামাজের পর নফল পড়া যায়? শুনেছি, নামাজের পূর্বে নফল নামাজ পড়া যায় না। নামাজের পরেও কি পড়া যায় না?
প্রশ্ন (২০১৬) : তাবলীগের এক সাথি ভাই আমাকে বিয়ের আদব কায়দা শেখাতে গিয়ে বলেছিলেন, বাসর ঘরে স্ত্রীকে নিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তে। কিন্তু কয়েক দিন পূর্বে ইউটিউবে এক বক্তার কাছে শুনলাম, বাসর ঘরে এ নামাজ পড়া নাকি বেদআত। আসলে সঠিক কোনটি?
প্রশ্ন (২০০৮) : আমার বিয়ের কথাবার্তা চলছে। এক মেয়ের সাথে কথাবার্তা অনেক দূর এগিয়েছে। আমার মামাত ভাই বলল, ইস্তেখারা করতে। আমি জানতে চাচ্ছি, ইস্তেখারা কীভাবে করতে হয়?
প্রশ্ন (১৯৬৪) : আমি শুনেছি, এক প্রকার ইতেকাফ আছে নফল ইতেকাফ। এই ইতেকাফের ফযিলত কী?
প্রশ্ন (১৯৬৩) : আমি জানি, রমজানের শেষ দশ দিন ইতেকাফ করতে হলে ২০ রমজান দিবাগত রাতে মাগরিবের পূর্বে মসজিদে উপস্থিত হতে হয়। কিন্তু এ বছর কোন কারণে আমি ২০ রমজান দিবাগত রাতে মাগরিবের পূর্বে মসজিদে যেতে পারিনি। তাই আমি ২১ রমজান দিনের বেলায় মসজিদে গিয়ে ইতেকাফ করা শুরু করি। এতে কি আমার ইতেকাফ আদায় হবে? আমি কি ইতেকাফ বাদ দিয়ে দিব?