কাযা নামাজ

সফরে গিয়ে রোজা ভেঙ্গে ফেললে কাফফারা আসবে কি

প্রশ্ন (৬৬৪৫) : আমরা তিন বন্ধু রোজা রেখে সফরে বের হই। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাই। চট্টগ্রামে যাওয়ার পর রোজা রাখতে কষ্ট হলে আমি রোজা ভেঙ্গে ফেলি। এখন কি আমাকে তার কাযা ও কাফফারা আদায় করতে হবে?

কাযা নামাজ থাকলে আগে জামাত ধরবে নাকি কাযা পড়বে

প্রশ্ন (৬১৫৮) : আমার একদিন ফজরের নামাজ কাযা হয়। যোহরের সময় মসজিদে গিয়ে দেখি ইমাম সাহেব জামাত শুরু করে দিয়েছেন। জানতে চাচ্ছি, ঐ মুহূর্তে আমার করণীয় কী ছিল?

শরিয়তের বিধান সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে নামাজের কাযা লাগবে কি

প্রশ্ন (৬১৩৩) : জনৈক ব্যক্তি মুসলমান হওয়ার পর শরিয়তের বিধি বিধান সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল। কারণ, সে এমন এক এলাকায় বাস করত যেখানে ইসলাম সম্পর্কে জানার কোনো মাধ্যম ছিল না। ৫ বছর পর তার ইসলাম সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়। এখন সে শরিয়তের বিধান যথাযথভাবে মানার চেষ্টা করছে। প্রশ্ন হল, ৫ বছরের নামাজ রোজার কি কাযা করতে হবে?

কাযার কথা স্মরণ না থাকলে কি ওয়াক্তিয়া নামাজ শুদ্ধ হবে

প্রশ্ন (৬০৩৩) : আমি সাহেবে তারতীব। কিছুদিন আগে আমার আসরের নামাজ কাযা হয়। কিন্তু উক্ত কাযার কথা বিলকুল ভুলে যাই। তাই মাগরিবের নামাজ পড়ে ফেলি। নামাজ শেষে আসরের কথা স্মরণ হলে সেটার কাযা পড়ি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের মাগরিব শুদ্ধ হয়েছিল কি?

স্টাইল করে চুল কাটা যাবে কি

প্রশ্ন (৫৬৩১) : বর্তমানে অনেক যুবককে দেখা যায় স্টাইল করে চুল কাটতে। সামনের দিকে চুল বড় রেখে দুই পাশে চুল ছোট করে কেটে রাখে। জানতে চাচ্ছি, এভাবে স্টাইল করে চুল কাটা জায়েয আছে কি?

আশুরার রোজা কাযা করা যাবে কি

প্রশ্ন (৫১৮৩) : আমি শুনেছি, আশুরার রোজার অনেক ফজিলত। এ বছর আমি আশুরার রোজা রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার হায়েজ চলে আসে। যার কারণে রোজা রাখতে পারছি না। জানতে চাচ্ছি, পরবর্তীতে এই রোজা কাযা করা যাবে কি?

স্ত্রীর মাধ্যমে হস্তমৈথুন করালে কি রোজার কাফফারাও দিতে হবে

প্রশ্ন (৪৮৭৯) : এ বছর রমজানে রোজা অবস্থায় স্ত্রীকে আদর করতে থাকি। এক পর্যায়ে উভয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়ি। আমার স্ত্রী হাত দিয়ে আমাকে মৈথুন করে দেয়। ফলে আমার বীর্যপাত হয়ে যায়। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কারণে কি আমার উপর কাফফারাও আবশ্যক হবে?

ইমামের সাথে রুকু না পেলে নামাজ হবে কি

প্রশ্ন (৪৭৩৮) : এ বছর ঈদের নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম সাহেব অতিরিক্ত তাকবীর দিতে ভুলে যান এবং রুকুতে চলে যান। যথারীতি সাহ সেজদার মাধ্যমে নামাজ শেষ করেন। কিন্তু মসজিদের বাহিরে যে সকল মুসল্লী ছিলেন, তারা মনে করেছেন ইমাম সাহেব তাকবীর দিয়েছেন। পরবর্তীতে যখন বুঝতে পারেন তখন ইমামের সাথে সেজদায় চলে যান রুকু না করেই। জানতে চাচ্ছি, তাদের নামাজ কি হয়েছে?