কাযা নামাজ

দেড়মাসের গর্ভ নষ্ট হওয়ার পর যে রক্ত বের হয় তা কিসের রক্ত

প্রশ্ন (১৪২৩) : আমার স্ত্রী দেড়মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলো। কিছু সমস্যার কারণে তার গর্ভপাত করতে হয়। এতে জমাটবদ্ধ কিছু রক্ত বের হয়ে আসে। এরপর ৫ দিন রক্ত দেখা যায়। সেই ৫ দিন সে নামাজ পড়েনি। আমি জানতে চাচ্ছি, এই রক্তটা কিসের রক্ত? তার কি সেই দিনগুলোর নামাজ পুনরায় কাযা করতে হবে?

রমজানের কাফফারা স্বরূপ লাগাতার ২ মাস রোজা রাখলে চলবে না লাগাতার ৬০ দিন রাখতে হবে

প্রশ্ন (১৪১১) : এই রমজানে ইচ্ছাকৃত আমি একটি রোজা ভেঙ্গে ফেলেছি। আমি জানি যে, এক্ষেত্রে ১টি রোজা কাযা করলে লাগাতার ২ মাস কাফফারা স্বরূপ রোজা রাখতে হবে। এখন আমার প্রশ্ন হলো, চন্দ্র মাস তো ঊনত্রিশেও হয় আবার ত্রিশেও হয়। সে হিসেবে লাগাতার ২ মাস রোজা রাখলেই যথেষ্ট হবে, নাকি লাগাতার ৬০ টি রাখতে হবে?

রমজানের রোজা পরবর্তীতে কাজা করার সুযোগ না পেলে ফিদয়া দিতে হবে কি

প্রশ্ন (১৩৩৪) : আমার বাবা রমজানের ২৫ তারিখ দশ দিনের জন্য তাবলীগে বের হয়েছেন। সফরে কষ্ট হওয়ায় তিনি দুই দিন রোজা রাখেন নি। রমজানের ২৯ তারিখ তিনি খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবশেষে এই অসুস্থতায়ই ঈদের দিন তিনি ইন্তেকাল করেন। আমার জানার বিষয় হলো আমার বাবা যে দুদিন রোজা রাখতে পারেননি তার কি ফিদয়া দিতে হবে?

পিছনের কাজা নামাজ আদায় করার পর পুনরায় কি সাহেবে তারতিব হওয়া যাবে

প্রশ্ন (৮১৩) : আমি বালেগ হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন নামাজ পড়িনি। পরবর্তীতে তাবলীগে যাওয়ার পর এখন নিয়মিত নামাজ পড়ি। এবং হিসেব করে পিছনে ছুটে যাওয়া নামাজগুলোর কাজা আদায় করি। এখন আমার প্রশ্ন হলো, আমি কি পুনরায় সাহেবে তারতিব (যার বিতর ছাড়া পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ছুটেনি) হব? যদি সাহেবে তারতিব হই,তাহলে পরবর্তীতে কোন সময় দশ বা তার চেয়ে বেশী ওয়াক্ত নামাজ ছুটে গেলে, সে নামাজগুলোর কাজা আদায় করে আমি আবার সাহেবে তারতিব হিসাবে গণ্য হব কি?

কাযা নামাজ আদায়ের নিয়ত কীভাবে করবে

প্রশ্ন (৫৪৭) : আমি দীর্ঘদিন যাবত নামাজ পড়িনি। এখন সেই নামাজগুলোর কাযা আদায় করতে চাচ্ছি। আমি জানতে চাই, বিগত দিনের কাযা নামাজগুলোর নিয়ত কীভাবে করব?

রোযা অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে কিংবা হিজামা করলে রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি

প্রশ্ন (৫১৪) : রোযা অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে কিংবা হিজামা করলে কি রোযার কোনো ক্ষতি হবে? একবার রোযা অবস্থায় আমি শিঙ্গা লাগাই। জানতে চাই, আমার কি রোযাটি ভেঙ্গে গেছে? আমার কি রোযাটি কাযা করা লাগবে?

সুন্নত নামাজের কাযা করা লাগবে কি

প্রশ্ন (৩২৯) : আমি একবার অসুস্থ থাকার কারণে সারাদিন নামাজ পড়তে খুব কষ্ট হয়। তারপরও কষ্ট করে শুধু ফরজ ও বিতর নামাজ আদায় করি। সুন্নত নামাজগুলো বাদ দিই। আমি জানতে চাই এখন কি আমার সুন্নত নামাজগুলো কাযা করতে হবে?

অন্যের কথার উপর ভিত্তি করে নামাজ পুনরায় আদায় করা লাগবে কি

প্রশ্ন (২২৬) : আমি একবার মাগরিবের নামাজ শেষ করার পর আমার মামা আমাকে বললো, তুমি দুই রাকাত নামাজ পড়েছো। আমি বললাম, না, আমি তিন রাকাতই পড়েছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিলো, আমি তিন রাকাতই পড়েছি। তাই আমি পুনরায় সে নামাজ আর পড়িনি। জানতে চাই, আমার নামাজ কি শুদ্ধ হয়েছে? নাকি পুনরায় সে নামাজ কাযা করা লাগবে?

বার্ধক্যের কারণে রোজা রাখতে অক্ষম হলে কী করবে

প্রশ্ন (১৪০) : আমাদের প্রতিবেশী এক ব্যক্তি বার্ধক্যের কারণে রমজানের সিয়াম রাখতে পারে না। অপরদিকে সে খুবই দরিদ্র। যার দরুন রোজার ফিদইয়া আদায় করাও তার পক্ষে সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় তার জন্য রোজা থেকে দায়মুক্ত হওয়ার কোনো পন্থা আছে কি?

বিগত বছরসমূহের অনাদায়কৃত যাকাতের কাযা পরিশোধ কীভাবে করবে

প্রশ্ন (১২০) : মুসলিম হয়েও ইসলামের সরল পথ থেকে দূরে থাকার কারণে বিগত বছরগুলোতে আমি যাকাত আদায় করিনি। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি এবং আল্লাহর কাছে তওবা করেছি। বিগত ৫ বছর যাবত আমার উপর যাকাত ওয়াজিব। এখন আমি সেগুলোর প্রতিকার করতে চাই। কীভাবে আমি এর প্রতিকার করতে পারি?

দাওয়াতের অনুরোধে রমজানের কাযা রোযা ভাঙ্গা যাবে কি

প্রশ্ন (১০০) : আমি রমজানের একটি কাযা রোযা পালন করছিলাম। ইতোমধ্যে দুপুরের দিকে এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আমাকে তার বাড়িতে দাওয়াত দিলে তার অনুরোধে আমি রোযা ভেঙ্গে ফেলি। আমার কাজটি কি বৈধ হয়েছে?

নফলের নিয়তে রোজা শুরু করার পর দিনের বেলা তা ওয়াজিব রোজা হিসেবে পরিবর্তন করা যাবে কি

প্রশ্ন (৪২) : আমি নফলের নিয়তে রোজা রাখা শুরু করি । দুপুর ১২ টার দিকে আমার মনে পড়ে যে, আমার উপর একটি মানতের রোযা আবশ্যক রয়েছে। তখন আমি নিয়ত পরিবর্তন করে মানতের রোজা হিসেবে রোজাটি পূর্ণ করি। আমার রোজাটি কি সঠিক হয়েছে?

নফলের নিয়তে রোযা পূর্ণ করার পর তা রমজানের কাযা রোজা হিসেবে ধরা যাবে কি   

প্রশ্ন (৩৯) : আমার উপর রমজানের ৪টি কাজা রোজা রাখা আবশ্যক ছিল। কিন্তু আমি সেগুলোরকথা ভুলে গিয়ে নফল রোজা রাখতে শুরু করি। রমজানের পর এ পর্যন্ত আমি ১০ টি নফল রোজা রেখেছি। প্রশ্ন হলো এখন যদি আমি এ নফল রোজাগুলোকে আমার উপর আবশ্যক থাকা কাজা রোজা হিসেবে ধরে নেই, তাহলে কি তা সঠিক হবে? নাকি আমাকে পুনরায় আরো ৪ টি রোজা রাখতে হবে?