সালাম

সালামের উত্তর দেওয়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৫৭৭) : এমন অনেক মানুষ আছে যাদেরকে সালাম দিলে উত্তরই দেয় না। আবার অনেকে আওয়াজ ছাড়া শুধু ঠোঁট নাড়িয়ে উত্তর দেয়। আমার জানার বিষয় হল, সালামের জবাব দেওয়ার বিধান কী? এবং তা কি জোরে দেওয়া জরুরি, নাকি আস্তে দিলেও হবে?

ইতিকাফরত অবস্থায় কাউকে সালাম দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৩৭৭) : ইতিকাফরত অবস্থায় শরীয়তসম্মত কোনো প্রয়োজনে কেউ যদি বাইরে যায় তাহলে সে কাউকে সালাম ও সালামের জবাব দিতে পারবে কি? কেউ কেউ বলেন যে, তার জন্য সালাম দেওয়া জায়েয নেই। আবার কেউ বলেন, সালাম দেওয়া যাবে। তাই এক্ষেত্রে সঠিক মাসআলা জানতে চাই।

নারীদেরকে সালাম দেওয়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩২৪৯) : নারীদেরকে সালাম দেওয়ার বিধান কী? তারা যদি সালাম দেয় তাহলে কি তার জওয়াব দেওয়া যাবে? বিশেষত মোবাইলে কথা বলার সময় অনেক নারীই সালাম দেয় তাদের সালামের জওয়াব দেওয়া যাবে কি?

মুসাফির ব্যক্তি মাসবুক হলে ইমামের সালাম ফিরানোর পর কত রাকাত পড়বে?

প্রশ্ন (১৩০৪৭) : কয়েকজন মুসাফির মিলে আসরের নামায জামাতের সাথে আদায় করছিল। এক রাকাত হয়ে গেছে আর এক রাকাত বাকি। ইতিমধ্যে একজন মুসাফির এসে নামাযে শরীক হল। এখন কথা হল এই মুসাফির তো জানে না যে, ইমাম মুসাফির না মুকিম। এখন জানার বিষয় হলো, এই মুসাফির মুসল্লি কত রাকাত নামায পড়বে?

অগ্রিম পণ্য ক্রয় করার পর পণ্য পরিশোধের সময় তার বাজার মূল্য গ্রহণ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭৮৩) : আমাদের এলাকায় টাকা পয়সা ঋণ নেওয়ার একটা প্রচলন আছে। তা হলো, কারো ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন হলে অন্যের নিকট থেকে এই শর্তে টাকা নেয় যে, এখন এক হাজার টাকা দিব, এক/দুই মাস পর সে টাকার বিনিময়ে দুই মণ ধান দিতে হবে। মেয়াদ শেষে ঋণদাতা কখনো ধান না নিয়ে সে সময়ের বাজারদর হিসেবে ধানের মূল্য নিয়ে নেয়। অনেকে এ ধরনের লেনদেনকে সুদী কারবার বলে। কারণ, এর দ্বারা ঋণদাতার লাভ হয়। তাই মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি, উক্ত লেনদেনের শরয়ী হুকুম কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।

সালাম ফিরানোর সময় সাহু সিজদা দেওয়ার কথা মনে পড়লে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২৭৪৪) : আমি যোহরের নামাযে প্রথম বৈঠকে ভুলে দরূদ শরীফ পড়ে ফেলি। কিন্তু সিজদায়ে সাহু করতে ভুলে যাই। দ্বিতীয় সালামের পরই সিজদায়ে সাহুর কথা মনে পড়ে। এরপর আমি নামায পুনরায় পড়ে নেই। এখন জানার বিষয় হচ্ছে, দ্বিতীয় সালামের পরপরই বা এক সালামের পর যদি সিজদায়ে সাহুর কথা স্মরণ হয় তাহলে এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান কী?

নামায শেষে সালাম ফিরানোর সুন্নতসম্মত পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১২৫১০) : আমি একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে নামাযের ইমামতি করি। কিছুদিন আগে একটি ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত সাময়িকীতে দেখলাম ‘সুন্নাহসম্মত নামায’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন এক নিবন্ধকার। সেখানে বলা হয়েছে, নামাযের শেষে যে সালাম ফেরানো হয় তার একটি সুন্নত হল, সালামের শব্দগুলো ‘মদ’ না করে (দীর্ঘক্ষণ না টেনে) সংক্ষেপে স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণ করা। সালাম বিষয়ে এ কথাটি এর আগে কোথাও পড়িনি বা শুনিনি। তাই আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি, এ নিবন্ধে যা লেখা হয়েছে তা কি ঠিক? নামাযের শেষে সালামের শব্দ উচ্চারণের সুন্নাহসম্মত তরীকা কি এটাই? জানালে অনেক উপকৃত হব।

মাসবুক ব্যক্তি ইমামের প্রথম সালামের পর দাঁড়াবে নাকি দ্বিতীয় সালামের পর?

প্রশ্ন (১২২৯৪) : মসজিদে প্রায় প্রতি ওয়াক্তেই অনেক মানুষ মাসবুক হয়। অনেককে দেখি ইমাম সাহেব প্রথম সালাম ফিরানোর সাথে সাথেই বাকি নামায আদায়ের জন্য দাঁড়িয়ে যান। আবার অনেকে দ্বিতীয় সালামের পর দাঁড়ান। জানার বিষয় হল, মাসবুক বাকি নামায আদায়ের জন্য কখন দাঁড়াবে?

জানাযার নামাযে দুই দিকে সালাম ফিরাবে নাকি একদিকে?

প্রশ্ন (১২২৪৩) : একজন আলেমকে বলতে শুনলাম, জানাযার নামাযে দু’দিকে সালাম ফিরানো ঠিক নয়। বরং সুন্নাহসম্মত পন্থা হচ্ছে জানাযার নামাযে এক দিকে সালাম ফেরানো। নবী কারীম (সা.) এমনটি করেছেন। আমি জানতে চাচ্ছি, তার কথা কি ঠিক? আমরা কি জানাযায় এক দিকে সালাম ফেরাব?

ভিক্ষুকদের সালামের উত্তর দেওয়া ক জরুরী?

প্রশ্ন (১২২২৩) : আমি একটি সরকারী হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার। প্রায় সময় হাসপাতালের গেইটে ভিক্ষুকেরা কিছুদূর পর পর বসা থাকে। তাদের সামনে দিয়ে অতিক্রম করার সময় তারা পথচারীদেরকে একের পর এক সালাম দেয়। জানতে চাই, ভিক্ষুকদের এই সালামের উত্তর দেওয়া কি ওয়াজিব?

মাসবুক ব্যক্তি ইমাম সাহেবের সাথে সালাম ফিরিয়ে ফেললে কি তার নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২০৯৬) : কখনো কখনো মাসবুক হলে শেষ বৈঠকে তা স্মরণ থাকে না। ভুলে ইমাম সাহেবের সাথে সালাম ফিরিয়ে ফেলি। প্রথম সালাম ফিরিয়ে নেওয়ার পর মাসবুক হওয়ার বিষয়টি মনে পড়ে। এক্ষেত্রে কি আমার নামায ভেঙে যাবে। আর যদি না ভাঙে, তাহলে কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?

নামাযে সালাম ফিরানোর পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১২০২৬) : ক) আমরা জানি, নামায থেকে বের হওয়ার জন্য সালাম ফিরানো ওয়াজিব। কিন্তু এটা কি এক সালামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না উভয় সালামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? কেউ যদি এক সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করে দেয় তাহলে কি কোনো অসুবিধা আছে? খ) সাধারণত লোকদের তিনভাবে সালাম ফিরাতে দেখা যায়। ১. সামনের দিকে চেহারা রেখে السّلَامُ عَلَيْكُمْ বলে। আর وَرَحْمَةُ اللهِ বলার সময় চেহারা ডানে-বামে ফিরায়। অথবা পুরা সালামই চেহারা সামনের দিকে রেখে বলে। এরপর চেহারা ডানে-বামে ফিরায়। ২. সালামের পুরা বাক্যই ডানে বা বামে চেহারা ফিরিয়ে বলে। অর্থাৎ চেহারা ডান বা বাম দিকে ফিরানোর পর السّلَامُ عَلَيْكُمْ বলা শুরু করে। ৩. সামনে থেকে সালাম শুরু করে। সালাম বলতে বলতে ডানে বা বামে চেহারা ফিরায়। যাতে ডানে বা বাম দিকে পূর্ণ চেহারা ফিরানোর সাথে সাথে সালামও শেষ হয়ে যায়। জানার বিষয় হল, এই তিন পদ্ধতির মধ্যে কোন পদ্ধতিটি সহিহ?

মাসবুক প্রথম রাকাতে বৈঠক না করলে সেজদা করতে হবে কি

প্রশ্ন (১১৮৪১) : কিছুদিন আগে এশার নামাযে এক রাকাত পাই। ইমামের সালামের পর নিজের প্রথম রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যাই। পরবর্তী রাকাতে বসি। নামায শেষে সেজদা দেইনি। আমার কি নামায হয়েছিল?

ইশারায় সালাম দেওয়ার বিধান।

প্রশ্ন (১১৬৭২) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, অনেককেই দেখা যায় হাতের ইশারা কিংবা মাথা নেড়ে সালামের জবাব দেয়। এভাবে সালামের জবাব দেওয়া জায়েয আছে কি?

চিঠি বা মেসেজের মাধ্যমে দেওয়া সালামের জবাব

প্রশ্ন (১১৫৯৪) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, কেউ মেসেজে সালাম লিখে পাঠালে তার উত্তর মেসেজে দেওয়া কি আবশ্যক? নাকি মুখে সালামের উত্তর নিয়ে নিলেই হবে?

কুরআন তিলাওয়াতের সময় কেউ সালাম দিলে কি জবাবা দেওয়া আবশ্যক?

প্রশ্ন (১১৫৫৬) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি একজন হাফেজে কুরআন। রাস্তা-ঘাটে চলাফেরার সময় আমি কুরআন কারীম তিলাওয়াত করি। তিলাওয়াতরত অবস্থায় অনেকেই সালাম দেয়। এ অবস্থায় আমি কি তিলাওয়াত বন্ধ করে সালামের জবাব দেব, নাকি জবাব না দিয়ে তিলাওয়াত চালিয়ে যাব?

মাসবুক ব্যক্তি ইমামের সাথে ভুলে সালাম ফিরিয়ে ফেললে তার নামাযের বিধান কি?

প্রশ্ন (১১৪৫১) : আমি প্রায় সময় নামাযে মাসবুক হই। কিন্তু শেষ বৈঠকে সেটা মনে থাকে না। ফলে ভুলে ইমাম সাহেবের সাথে সালাম ফিরিয়ে ফেলি। কখনো প্রথম সালাম ফিরিয়ে নেওয়ার পর আবার কখনো দ্বিতীয় সালাম ফিরিয়ে নেওয়ার পর মাসবুক হওয়ার বিষয়টি মনে পড়ে। এক্ষেত্রে কি আমার নামায ভেঙে যাবে? যদি না ভাঙে, তাহলে কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?