মুসাফিরের নামাজ

কছর সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৮৩৮) : আমি যে স্থানে চাকরি করি সেখান থেকে আমার বাড়ি শরীয়ত নির্ধারিত মুসাফিরের সীমার অনেক উপরে। এখন আমার প্রশ্ন হল, আমি বাড়িতে যাওয়ার সময় এবং বাড়ি থেকে আসার সময় রাস্তায় কছর নামায পড়ব কি? যদি কছর পড়তে হয় তাহলে আমি আমার বাড়ি/চাকরিস্থলে পৌঁছার কতটুকু সীমানা পর্যন্ত কছর পড়ব?

নামাযের ওয়াক্ত বাকি থাকা অবস্থায় সফর থেকে বাড়িতে ফিরলে কি উক্ত নামায কত রাকাত আদায় করবে?

প্রশ্ন (১৩৭৪৬) : কিছুদিন আগে আমি একটি সফরে যাই । গতকাল যোহরের নামাযের ওয়াক্ত আধা ঘণ্টা বাকি থাকাবস্থায় আমি সফর থেকে বাড়িতে আসি। তখন ক্লান্তির দরুণ নামাযের কথা ভুলে যাই। আসরের আযান শুনে আমার ঘুম ভাঙ্গে। প্রশ্ন হল, উক্ত যোহরের কাযা কি আমাকে চার রাকাত পড়তে হবে, নাকি দুই রাকাত? জানালে উপকৃত হব।

কসর সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৭১৫) : আমি বরিশাল যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফার্মগেট থেকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাই। আমার জানার বিষয় হলো, সদরঘাট থেকে লঞ্চ ছাড়ার আগে কি আমি নামায কসর করতে পারব?

ঢাকায় বসবাসকারী ব্যক্তি বিদেশে সফরে যাওয়ার সময় এয়ারপোর্টে কি নামায কসর করবে নাকি পূর্ন নামায পড়বে?

প্রশ্ন (১৩৭০৫) : আমার বাসা মোহাম্মদপুর বসিলায়। প্রায় সময়ই আমি দেশের বাইরে সফরে যাই। আমি যখন বসিলা থেকে এয়ারপোর্ট যাব তখন এয়ারপোর্টে থাকাবস্থায় নামায কি কসর পড়ব না পূর্ণ নামায পড়ব?

মুসাফির ব্যক্তি সফর থেকে ফেরার নিয়ত করলে কি তার সফরের বিধান রহিত হয়ে যাবে?

প্রশ্ন (১৩৬৭৩) : কোনো মুসাফির সফর থেকে ফিরে আসার নিয়ত করার পর পথিমধ্যে কোথাও দু’ এক দিনের নিয়তে অবস্থান করলে সেখানে কি সে কসর করবে, নাকি পূর্ণ নামাযই পড়বে?

মুসাফিরের জন্য নামায কসর করার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৫৩০) : আমি জানি ইসলামে মুসাফিরের জন্য নামায কসর করার বিধান রয়েছে। এক ব্যক্তি আমাকে বলল কসর করা নাকি জরুরি নয়। কেউ চাইলে পুরো নামাযও পড়তে পারে আবার কসরও করতে পারে। এতে কোনো অসুবিধা নেই। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, সফর অবস্থায় নামায কসর করা কি জরুরি? দয়া করে আমাকে এর সমাধান জানাবেন।

সফর সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৪৬৪) : আমি বিকালে সফরের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হই। ১৫/২০ কিলোমিটার যাওয়ার পর আসরের সময় হলে এক জায়গায় আমি আসরের নামায দুই রাকাত কসর পড়ে নেই। কিন্তু আরো কিছু দূর যাওয়ার পর জরুরী কাজে আমার সফরটি মুলতবি করতে হয়। তো কাজ সেরে বাড়ি যেতে যেতে রাত প্রায় ১১টা বেজে যায়। এখন জানার বিষয় হল, রাস্তায় আদায়কৃত আসরের নামায কি আদায় হয়েছে? আর সফর যেহেতু মুলতবি করেছি সেক্ষেত্রে ইশার নামায একাকী পূর্ণ পড়া উচিত ছিল নাকি কসর? দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।

মুসাফির ব্যক্তি মুকিম ইমামের পিছনে মাসবুক হলে কত রাকাত আদায় করবে?

প্রশ্ন (১৩৪১৫) : মুসাফির ব্যক্তি যদি মুকীম ইমামের পিছনে মাসবুক হয় তবে সে দুই রাকাত পেলে কি আরো দুই রাকাত একাকী পড়বে, নাকি দইু রাকাতেই নামায শেষ করবে? আর যদি এক রাকাত পায় তাহলে কয় রাকাত পড়বে?

কসরের হুকুম জানা সত্ত্বেও কসর না করলে কি নামায আদায় হবে?

প্রশ্ন (১৩২৯৩) : আমি মাঝে মাঝেই কাজের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফ যাতায়াত করি। সফরে কসর করতে হয় এ মাসআলা আমি জানতাম। কিন্ত কখনো কখনো সফরের সময় তা আমার স্মরণ থাকত না। তাই পথিমধ্যে আসর ও মাগরিব পূর্ণ নামাযই আদায় করতাম। হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমার জানা থাকা সত্ত্বেও এতদিন যাবৎ আমি যে সফর অবস্থায় পূর্ণ নামায পড়েছি এর কী হুকুম? উক্ত নামাযগুলো আমাকে কি পুনরায় আদায় করে নিতে হবে? আমার তো সব স্মরণও নেই। বিস্তারিত জানালে খুশি হব।

মুকীম ইমামের পিছনে মুসাফির ব্যক্তির আদায়কৃত আসরের নামায ফাসেদ হয়ে গেলে তা কত রাকাত কাযা করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩২৯০) : আমি সিলেট থেকে সফর করে ঢাকায় আসছিলাম। আমাদের বাস যখন হবিগঞ্জ অতিক্রম করছিল তখন আসরের নামাযের সময় হয়ে যায়। বাসটি একটি মসজিদের পাশে থামিয়ে যাত্রিদেরকে নামাযের জন্য সময় দেয়া হয়। আমরা নেমে সে মসজিদের মুকীম ইমামের পেছনে আসরের চার রাকাত নামায আদায় করি। নামায শেষে ইমাম সাহেব ঘোষণা করেন, নামায হয়নি, আবার পড়তে হবে। এদিকে আমাদের বাস ছাড়ার সময় হয়ে যায়। তাই আমরা দ্রুত গিয়ে বাসে উঠে যাই। জানার বিষয় হল, এখন আমরা উক্ত নামায কয় রাকাত কাযা করব?

মুসাফির ব্যক্তি চার রাকাতবিশিষ্টি নামায কসর করতে ভুলে কি তার নামায আদায় হবে?

প্রশ্ন (১৩২৫৮) : মুসাফির ব্যক্তি যদি চার রাকাতবিশিষ্ট ফরয নামাযে দুই রাকাত কসর না পড়ে ভুলে চার রাকাত পড়ে ফেলে তাহলে তার নামায আদায় হবে কি?

ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর সফরে বের হয়ে নামায কাযা হলে তা আদায় করবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১৩২২১) : রাত আটটায় আমার একটি সফর ছিল ট্রেনে। আর এশার নামাযের সময় হয় রাত সাতটায়। ট্রেন ছাড়ে আমার মুকিম অবস্থায়। রাস্তায় থাকার কারণে আমি সেদিন ইশার নামায আদায় করতে পারি নি। পরবর্তীতে ট্রেনে ভিড়ের কারণে নামায পড়তে পারিনি। এখন প্রশ্ন হল, আমি কি কাযা আদায়ের সময় কসর করব না পূর্ণ নামায পড়ব?

লঞ্চে জামাতের সাথে নামায আদায় করার জন্য কি আযান দেওয়া আবশ্যক?

প্রশ্ন (১৩১৪৪) : আমার বাড়ি বরিশাল। আমি লঞ্চে ঢাকা যাতায়াত করি। যাত্রীদের মধ্যে অনেককে দেখেছি, তারা জামাতের সাথে নামায আদায়ের জন্য আযান দেওয়াকে আবশ্যক মনে করে। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, মহল্লার মসজিদে জামাতের সাথে নামায আদায়ের জন্য যেভাবে আযান দিতে হয়, সেভাবে লঞ্চের মধ্যে জামাতের সাথে নামায আদায়ের জন্যও কি আযান দিতে হবে?

পনের দিনের বেশি থাকার নিয়তে সফরে গিয়ে এর আগেই চলে আসার নিয়ত করলে কত রাকাত নামায আদায় করবে?

প্রশ্ন (১৩০৪৮) : গত মাসে সফরের উদ্দেশ্যে ইন্ডিয়া গিয়েছিলাম। যাওয়ার সময় পনের দিনের বেশি অবস্থানের ইচ্ছা ছিল। ভিসাও ছিল বিশ দিনের। কিন্তু কোনো কারণে আটদিন থেকে দেশে ফেরার ইচ্ছা করি। প্রথমে তো পনের দিন থাকার ইচ্ছা ছিল, তাই মুকীম হিসেবে পূর্ণ নামাযই পড়েছি। কিন্তু আটদিন পর যখন চলে আসার সিদ্ধান্ত হলো তখন দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই যে, এখন কসর করব নাকি আগের মতই পূর্ণ নামায পড়ব। পরে এ কথা ভেবে পূর্ণ নামায পড়া শুরু করি যে, চার রাকাতের জায়গায় দুই রাকাত পড়লে তো নামাযই হবে না, তবে দুই রাকাতের জায়গায় চার রাকাত পড়লে অন্তত নামায হয়ে যাবে। তাই হুজুরের কাছে আমার জিজ্ঞাসা হল, পরবর্তী সময় কসর না করে পূর্ণ নামায পড়া কি ঠিক হয়েছে?

মুসাফির ব্যক্তি মাসবুক হলে ইমামের সালাম ফিরানোর পর কত রাকাত পড়বে?

প্রশ্ন (১৩০৪৭) : কয়েকজন মুসাফির মিলে আসরের নামায জামাতের সাথে আদায় করছিল। এক রাকাত হয়ে গেছে আর এক রাকাত বাকি। ইতিমধ্যে একজন মুসাফির এসে নামাযে শরীক হল। এখন কথা হল এই মুসাফির তো জানে না যে, ইমাম মুসাফির না মুকিম। এখন জানার বিষয় হলো, এই মুসাফির মুসল্লি কত রাকাত নামায পড়বে?

নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর সফরে বের হয়ে উক্ত নামায কাযা হলে কত রাকাত কাযা আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩০৪৫) : একদিন বাড়িতে থাকা অবস্থায় যোহরের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়ার পরও নামায না পড়ে সফরে বের হয়ে যাই। পরে কোনো জটিলতার কারণে সফর অবস্থায়ও নামাযটি পড়া হয়নি। জানার বিষয় হল, মুকীম অবস্থায় ওয়াক্ত শুরু হয়ে যাওয়ার কারণে এখন আমাকে কি চার রাকাতের কাযা করতে হবে, নাকি দুই রাকাতের কাযা করলেই চলবে?