নখ, চুল ইত্যাদি কাটার পর কি মাটিতে পুঁতে রাখতে হয়?
প্রশ্ন (১৩৪৯৬) : আমরা সাধারণত নখ, চুল কেটে ফেলে দিই। অনেককে বলতে শোনা যায় যে, এগুলো নাকি মাটিকে পুঁতে রাখতে হয়। এক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনা কী?
প্রশ্ন (১৩৪৯৬) : আমরা সাধারণত নখ, চুল কেটে ফেলে দিই। অনেককে বলতে শোনা যায় যে, এগুলো নাকি মাটিকে পুঁতে রাখতে হয়। এক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনা কী?
প্রশ্ন (১৩৪৯১) : কিছু দিন আগে আমার ছেলে ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে। সুস্থতার কোনো লক্ষণ না দেখে আমি মানত করি যে, ছেলে সুস্থ হলে আগামী মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রোযা রাখব। কয়েকদিন পর আল্লাহ তাআলা ছেলেকে সুস্থ করে দেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে বুধবার থেকে আমার মাসিক শুরু হয়ে যায়। এখন জানতে চাচ্ছি, আমার ঐ রোযা কি আদায় করা লাগবে? যদি আদায় করতে হয় তাহলে কি পবিত্র হওয়ার পর বৃহস্পতি-শুক্রবারেই রাখতে হবে নাকি যে কোনোদিন রাখলেই চলবে?
প্রশ্ন (১৩৪৩৬) : কসমের কাফফারার রোযা কি ধারাবাহিকভাবে রাখা আবশ্যক, নাকি বিরতি দিয়ে ভেঙ্গে ভেঙ্গেও রাখার অনুমতি আছে? একাধিক কসমের জন্য কি একাধিক কাফফারাই লাগবে, নাকি একটি কাফফারাই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (১৩৪০৮) : আমার ছেলে গর্ভে থাকা অবস্থায় আমি মান্নত করেছিলাম যে, আমার গর্ভস্থ সন্তান ছেলে হলে তাকে ঢাকার একটি বড় মাদারাসায় পড়াব। পরবর্তীতে দেখা যায়, আমার ছেলে সন্তানই হয়েছে। কিন্তু তার জন্মের ছয় মাস পরেই তার বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে খুলনায় বদলি হয়ে যায়। ফলে আমরা সপরিবারে খুলনায় এসে বসবাস শুরু করি। জানতে চাচ্ছি, আমার ছেলেকে কি এখন খুলনার কোনো মাদরাসায় পড়াতে পারব, নাকি যে মাদরাসার নামে মান্নত করেছিলাম সেখানেই পড়াতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৩৮৪) : আমি মান্নত করেছিলাম যে, আল্লাহ যদি এই অসুস্থ গরুটি ভাল করে দেন তাহলে তা সদকা করে দিবো। এখন গরুটি সুস্থ। এখন এই গরুটি সদকা করতে হবে নাকি বিক্রি করে একাধিক মাদরাসার গোরাবা ফান্ডে দান করা যাবে?
প্রশ্ন (১৩৩৬১) : আমার বড় ভাই সবসময় দাড়ি কাটে। তাকে অনেক বুঝানোর পর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করতে গিয়ে এভাবে বলে, আমি যদি আর দাড়ি কাটি তাহলে আমি মুসলমান না। পরে সে দাড়ি কেটেছে। এখন তার বিধান কী? তার ঈমান ও বৈবাহিক সম্পর্কের কী হবে? কেউ কেউ বলেন, তার এ কথায় কোনো কসম সংঘটিত হয়নি। কারণ দাড়ি যে একেবারে কাটা যায় না এমন তো নয়। এক মুষ্ঠির বেশি হলে তো কাটা যায়। দয়া করে সঠিক সমাধান জানাবেন।
প্রশ্ন (১৩২৯৭) : একবার আমার বন্ধু রাফির সাথে আমার খুব ঝগড়া হয়। তখন আমি কুরআন শরীফ ছুঁয়ে কসম করে বলি যে, আমি আর জীবনেও রাফিদের বাসায় যাব না। পরবর্তীতে মিলমিশ হয়ে গেলে আমি রাফিদের বাসায় যাই। এখন জানতে চাচ্ছি, এভাবে কুরআন শরীফ ছুঁয়ে কসম করার কারণে কি তা কসম বলে গণ্য হয়েছে? এবং এটা ভঙ্গ করার কারণে কি আমার উপর কাফফারা ওয়াজিব হয়েছে?
প্রশ্ন (১৩২৮৫) : আমি এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। পরীক্ষার কিছুদিন আগে আমার জ্বর হয়েছিল। তখন আমি বলেছিলাম, আমি সুস্থ হলে কয়েকদিন রোযা রাখার মান্নত করলাম। এখন প্রশ্ন হল, আমার জন্য কি এখন রোযা রাখা আবশ্যক? এবং রোযা রাখতে হলে কয়টা রাখব?
প্রশ্ন (১৩২৭৩) : আমি একটি কসম করেছিলাম, পরবর্তীতে তা ভঙ্গ হয়ে যায়। বিষয়টি একজন আলেমকে জানালে তিনি কসমের কাফফারা হিসেবে দশজন মিসকীনকে দু’বেলা পেটপুরে আহার করানোর পরামর্শ দেন। সুতরাং আমি এলাকার একজন প্রবীণ মিসকীনকে দু’বেলা খাবারের জন্য তিনিসহ দশজন মিসকীন দাওয়াত দিতে বলি। রাতে খাবার পেশ করা হলে তাদের সাথে থাকা ৬/৭ বৎসরের একটি ছেলে অল্পকিছু খাবার খায়। দুপুরেও ছেলেটি তাদের সাথে ছিল। যেহেতু ছেলেটি তাদের দশজনের একজন তাই তার কম খাওয়ার কারণে আমার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এখন হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি যে, বাচ্চাটির কম খাওয়ার কারণে কাফফারা আদায়ে কোনো সমস্যা হয়েছে কি? সমস্যা হয়ে থাকলে এখন আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৩২৪৮) : আমার একজন হিন্দু ক্লাসমেট আছে। তার সাথে আমার খুব ভালো একটা সম্পর্ক হয়ে গেছে। সে আমাকে দেখলেই পুরো মুসলিমের মতই সালাম দেয়। এখন তাকে উত্তর কীভাবে দিব? আর মাঝে মাঝে ম্যাসেজে সালাম লিখে তার উত্তরে আমি কী লিখব?
প্রশ্ন (১৩২৩৬) : আমার বাবা গত মাসে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্তেকালের আগে তিনি একটি অসিয়তনামা লিখে যান। তাতে লিখা ছিল- ‘আমার উপর প্রায় ২০ টি কসমের কাফফারা অবশিষ্ট রয়েছে। তোমরা সেগুলো আমার রেখে যাওয়া সম্পদ থেকে আদায় করে দিও।’ আমরা সকল ওয়ারিশগণ তার কসমের কাফফারা আদায় করতে প্রস্তুত রয়েছি। জানতে চাচ্ছি, তাঁর সবক’টি কসমের জন্য একটি কাফফারা আদায় করলে যথেষ্ট হবে নাকি প্রত্যেকটির জন্য আলাদা আলাদা কাফফারা লাগবে? আর কসমের কাফফারা আদায়ের নিয়ম কী হবে?
প্রশ্ন (১৩২১৩) : একদিন আমার স্ত্রীর সাথে একটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে আমি রাগের মাথায় তার সাথে এই বলে কসম করে ফেলি যে, আমি কোনোদিন তোমার সাথে মেলামেশা করব না। অতপর এক সপ্তাহ বাড়িতেই আলাদা ঘরে ছিলাম। কিন্তু সেই বিষয়টি নিয়ে আবার ঝগড়া হলে আমি ঢাকায় বোনের বাসায় চলে আসি এবং পাঁচ মাস যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখি। এর মধ্যে বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসা হলে আমি বাড়ি ফিরে যাই। এখন হুজুরের নিকট জানতে চাচ্ছি, আমি এই কসম থেকে কীভাবে নিষ্কৃতি পাব? এবং কসমের কাফফারা কীভাবে আদায় করব?
প্রশ্ন (১৩১৮৭) : কিছুদিন আগে আমি একটা কাজের জন্য মান্নত করেছিলাম যে, কাজটা হলে একটা ছাগল জবাই করে গরীবদেরকে খাওয়াব। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, মান্নতের সেই ছাগল রান্না হলে তার গোশত আমি ও আমার পরিবার খেতে পারব কি?
প্রশ্ন (১৩০২১) : মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ, যেমন- নখ, চুল ইত্যাদি কাটার পর এগুলোর হুকুম কী? এগুলো কি মাটিতে দাফন করে ফেলবো নাকি ফেলে দিব?
প্রশ্ন (১৩০১৬) : টুপি কি সবসময় পড়ে থাকা জরুরী? আমি সাধারণত বাইরে গেলে সবসময় মাথায় টুপি রাখি আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু বাসায় রুমে আসলে টুপি খুলে রাখি। এটি কি সুন্নতের খেলাফ?
প্রশ্ন (১২৯৫০) : আমি একবার আমার স্ত্রীর সাথে এভাবে কসম করেছিলাম যে, ‘যাও! মক্কা মদীনার কসম করে বলছি, আমি আর কখনো ইচ্ছা করে নামায ছাড়ব না। সর্বদা নামায পড়ব।’ কিন্তু আমি এরপরও অনেকবার নামায ছেড়ে দিয়েছি। এখন আমার করণীয় কী? আমাকে কি এর কাফফরা আদায় করতে হবে? কাফ্ফারা আদায় করতে হলে কীভাবে আদায় করব? বিষয়গুলো জানানোর অনুরোধ রইলো।
প্রশ্ন (১২৯৩৬) : একদম অপরিচিত কারও সাথে বাজার বা রাস্তায় কোন বিষয়ে একেবারেই অনাকাঙ্খিত ভাবে ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে তর্কাতর্কি,ধমক দেয়া বা দূর্ব্যবহার করে ফেললে তার সাথে যদি দেখা সাক্ষাৎ করার কোন সম্ভাবনাই জীবনে না থাকে তখন এই কৃত গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় জানালে উপকৃত হতাম। এবং ভবিষৎ এ যাতে এরকম অনাকাঙ্খিত অপমান হবার ঘটনায় যেন মাথা ঠান্ডা রাখতে পারি সেক্ষেত্রে নিজেকে শোধরানো বদলানোর জন্য করণীয় কি কি? জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।
প্রশ্ন (১২৯২৭) : আমি আমার ছেলেকে মাদরাসায় দিয়েছি। কিন্তু সে মাদরাসায় পড়তে চায় না। বিভিন্ন সময় সে মাদরাসা থেকে চলে আসত। এভাবে সে তার জীবনের অনেক সময় নষ্ট করেছে। তাই একদিন আমি তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে বলেছি, কসম করে বললাম তোকে আর আমার ঘরে ঢুকতে দিব না। এরপর বিভিন্ন সময় সে আমার ঘরে আসতে চাইলেও আমি তাকে ঘরে ঢুকতে দিইনি। আল্লাহর রহমতে এখন সে মাদরাসায় পড়ে। হযরতের কাছে জানতে চাই, এখন আমি তাকে আমার ঘরে আসতে দিতে পারব কি না? একজন আলেম বলেছেন, আমি যেহেতু আল্লাহর নামে কসম করি নাই তাই আমার কসমই হয়নি। সঠিক বিষয়টি হুযূরের কাছে জানতে চাই।
প্রশ্ন (১২৯১১) : আমি একজন হাফেজ। আমি একটি মাদরাসায় হিফজ বিভাগে খেদমতে আছি। হিফজ বিভাগে ছাত্ররা প্রচুর দুষ্টুমি করে। এমন অনেক ছাত্র আছে, যাদেরকে বুঝিয়ে কোনো লাভ হয় না। শেষে বাধ্য হয়ে শাসনের পথ অবলম্বন করতে হয়। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, ছাত্রদের অন্যায়ের কারণে তাদেরকে বেত দিয়ে শাস্তি দিতে কি কোনো সমস্যা আছে? দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (১২৯০১) : মজার ছলে কাউকে খারাপ ভাষায় কিছু বললে বা কোনো কিছু বলে গালি দিলে কি গুনাহ হবে?