হেফাজতের জন্য ব্যাংকে টাকা রাখা যাবে কি
প্রশ্ন (১১৭৯০) : হেফাজতের জন্য ব্যাংকে টাকা রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১৭৯০) : হেফাজতের জন্য ব্যাংকে টাকা রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১৭৮৯) : একজন আলেম বললেন, যদি টাকা পয়সা সংরক্ষণের কোন নিরাপদ পথ না থাকে, তাহলে ব্যাংকে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা রাখা জায়েজ আছে। কিন্তু বর্তমানে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ব্যাংকগুলো কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয় না। জানতে চাচ্ছি, সেক্ষেত্রে সেভিংস অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১৭৮৭) : ছেলে তার পিতার দোকানে সময় দিত। কোনো এক কারণে পিতার সাথে মনোমালিন্য হওয়ায় সে আলাদা হয়ে যায়। এখন সে যে কয়দিন শ্রম দিয়েছে তার পারিশ্রমিক পিতার কাছে চাচ্ছে। উল্লেখ্য, ব্যবসায় তার কোনো মূলধন নেই এবং সে পরিবারসহ পিতার সাথেই থাকে। পিতাই তার ভরণ পোষণ বহন করে। প্রশ্ন হল, পিতার উপর কি পারিশ্রমিক দেওয়া আবশ্যক?
প্রশ্ন (১১৭৮২) : আমার বন্ধু আমাকে তার গাড়ি ১ বছর ব্যবহার করতে দিয়েছে। বর্তমানে আমার তা ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। তাই আমি চাচ্ছি তা ভাড়ায় দিতে। জানতে চাচ্ছি, আমার জন্য তা ভাড়া দেওয়া বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (১১৭৭৬) : বন্ধকী দ্রব্য ঋণদাতার অবহেলার কারণে হারিয়ে গেলে সে তার পুরো ঋণ দাবি করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১১৭৫৩) : আমি এক ব্যক্তির সাথে ৬ মাসের মেয়াদে ১৬ হাজার টাকায় ২০ মন গম ক্রয় করার চুক্তি করি। এবং তাকে আমি ১৬ হাজার টাকা নগদ দিয়ে দেই। এখন আমার কিছু টাকার প্রয়োজন পড়ে। তাই আমি আমার এক প্রতিবেশীর কাছে নগদ ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে ১০ মন গম বিক্রি করে দেই। এবং তাকে বলি যে, যখন আমি গম পাব তখন আমি তোমাকে সেখান থেকে ১০ মন গম দিয়ে দিব। এখন আমার জানার বিষয় হলো, আমার উক্ত বিক্রি কি সহিহ হয়েছে?
প্রশ্ন (১১৭৩৮) : আমার একটি মাকতাবা আছে। আমি ভারতের একটি মাকতাবা থেকে ‘সালাম’ চুক্তির ভিত্তিতে পাঁচ মাসের মেয়াদে পাচঁ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ১০০ সেট ফাতাওয়ায়ে শামী ক্রয় করি। এই চুক্তির সময় আমি উক্ত মাকতাবাকে পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে দিয়েছি। চুক্তির পাঁচ মাস পূর্ণ হতে এখনো তিন মাস বাকি। এখন আমার জরুরি ভিত্তিতে কিছু টাকার প্রয়োজন। তাই আমি ঐ ১০০ সেট ফাতাওয়ায়ে শামী থেকে ৫০ সেট আমার পাশের এক মাকতাবার কাছে নগদ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে চাচ্ছি। আমি জানতে চাচ্ছি, আমার এই বিক্রি কি জায়েয হবে?
প্রশ্ন (১১৬৫৫) : আমি ইটের ব্যবসা করি। প্রতি বছর নতুন ইট বের হওয়ার আগেই কিছু কম দামে ইটখোলার মালিক থেকে এক নাম্বার ১ লক্ষ ইট ক্রয় করে রাখি। নতুন ইট বের হওয়ার পর বিভিন্ন ক্রেতার কাছে উক্ত ইট বিক্রি করে থাকি। যেহেতু ইট রাখার জন্য আমার নিজস্ব কোনো খালি জায়গা নেই তাই আমার উক্ত ক্রয়কৃত ইট ইটখোলার মালিকের ইটের সাথে থাকে। কেউ আমার থেকে ইট ক্রয় করলে আমি তার কাছ থেকে মূল্য নিয়ে আমার দোকানের প্যাড খাতায় ইটের সংখ্যা লিখে দেই এবং ইটখোলার মালিকের মোবাইলে মেসেজ করে দেই। আর ক্রেতাকে বলে দেই। আপনি এই কাগজ অমুক ইট খোলার মালিককে দেখালে ইট খোলার মালিক আপনাকে ইট দিয়ে দেবে। জানার বিষয় হল, এভাবে ক্রয়-বিক্রয় করা কি ঠিক?
প্রশ্ন (১১৬৩৪) : আমাদের বাড়ির পাশে একটি বিল আছে। সেখানে এলাকার অধিকাংশ মানুষের জমি আছে। বিলের পাশে নদীও আছে। ফলে বর্ষার মৌসুমে পানির সাথে নদী থেকে বিলে প্রচুর মাছ আসে। তো আমরা জমিগুলো মাছ ধরার জন্য জেলেকে ভাড়া দিয়ে থাকি। আমাদের ভাড়া দেওয়ার পদ্ধতি হলো, নিলামের মাধ্যমে কোনো একজনকে জমিগুলো শুধু বর্ষার মৌসুমের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়, যেন সে সেখানকার মাছগুলো ধরে নিতে পারে। ভাড়া নেওয়ার পর ঐ ব্যক্তি নির্ধারিত এলাকায় বিভিন্ন ধরণের খাবার ছিটিয়ে দেয়, যেন মাছগুলো ঐ জায়গায় গিয়ে জমা হয়। এরপর সে নির্ধারিত জায়গার চারপাশে বাঁশ দিয়ে ঘেরাও করে দেয়। ঐ নির্ধারিত জায়গা থেকে অন্য কারোর জন্য মাছ ধরা নিষেধ থাকে। এখন আমাদের জানার বিষয় হল, উল্লিখিত পদ্ধতিতে চুক্তি করা কি আমাদের জন্য জায়েয হচ্ছে? যদি এখানে শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো সমস্যা থাকে তাহলে এক্ষেত্রে শরীয়তসম্মত সঠিক পদ্ধতি কী হবে? দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (১১৩৬৩) : আমি এক মহাজন থেকে সিএনজি নিয়েছি এই মর্মে যে, যা আয় হবে তার ৪০% তাকে দিব আর বাকি ৬০% আমি রাখব। জানতে চাচ্ছি, এই চুক্তি শুদ্ধ হয়েছে কি?
প্রশ্ন (১১২৯৩) : আমার এক আত্মীয় মাদক ব্যবসায়ী। সে তার ব্যবসার টাকা দিয়ে একটি গাড়ি কিনেছে। বর্তমানে উক্ত গাড়িটি সে আমাকে দিয়ে দিতে চাচ্ছে। জানতে চাচ্ছি, তা কি আমার জন্য হালাল হবে?
প্রশ্ন (১১২৯০) : জনৈক ব্যক্তি আমার কাছে তার একটি ফলের বাগান বন্ধক রেখেছে। উক্ত বাগানের দুটি গাছের ফল খাওয়ার অনুমতি সে আমাকে দিয়েছে। জানতে চাচ্ছি, আমি কি তা ভোগ করতে পারব?
প্রশ্ন (১১২৮৯) : আমি পোল্ট্রি ফিডের ব্যবসা করি। খামারিদের কাছে ফিড বিক্রির সময় শর্ত করি যে, মুরগী ও ডিম আমাদের কাছেই বিক্রি করতে হবে। আমরা তা অন্য পার্টির কাছে বিক্রি করে আমাদের টাকা উসুল করি। এভাবে না করলে তারা আমাদের টাকা পরিশোধে গড়িমসি করে। জানতে চাচ্ছি, এভাবে ক্রয় বিক্রয় কি বৈধ?
প্রশ্ন (১১২৮৪) : আমি আমার গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য একটি মাইক্রো বাস ভাড়া নিয়েছিলাম। কিন্তু সামান্য কিছু পথ যাওয়ার পরপরই তা একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। সেখান থেকে নেমে বিকল্প পথে বাড়ি যাই। জানতে চাচ্ছি, উক্ত মাইক্রো ওয়ালাকে কতটুকু ভাড়া দিতে হবে?
প্রশ্ন (১১০৬৫) : আমি ও আমার ছোট ভাই মিলে মাছের ঘেরে মাছ চাষ করি। দুইজনই ৪ লক্ষ টাকা দিয়ে শরিক হয়েছি। তবে আমি একটু ভালো পারি তাই লভ্যাংশ নির্ধারণ করি ৭০% ও ৩০% হিসেবে। ক্ষতি হলে এই পার্সেন্টিসে ভাগ করার চুক্তি করি। জানতে চাচ্ছি, আমাদের এ চুক্তি শুদ্ধ হয়েছে কি?
প্রশ্ন (১১০৬১) : গ্রামের বাড়িতে পুকুর আছে। যার জমির ৭০% মালিকানা আমার আর বাকি ৩০% ছোট ভাইয়ের। সে বিদেশে থাকে। তার সাথে চুক্তি হয়েছে, আমি মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করব। প্রাপ্ত টাকা থেকে ২০০০০ টাকা নিব। আর যা থাকবে তা দুই জনের মাঝে সমানহারে ভাগ হবে। জানতে চাচ্ছি, এই চুক্তি কি সহিহ হয়েছে?
প্রশ্ন (১১০৬০) : মাদরাসা কর্তৃপক্ষের জন্য ব্যাংকারের ছেলের মাসিক বেতন নেওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১১০৪৯) : তিন লক্ষ টাকা দিয়ে আমি ও আমার বন্ধু মিলে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান ভাড়া নিয়েছি। আমার দুই লক্ষ টাকা আর বন্ধুর এক লক্ষ টাকা। উভয়ে দোকানে শ্রম দিব। তবে সে কাজ বেশি করায় লভ্যাংশ নির্ধারণ করি ৫০% করে। জানতে চাচ্ছি, এই চুক্তিটি শুদ্ধ হয়েছে?
প্রশ্ন (১১০৪৪) : আমার টেবিলের দোকান আছে। সেখানে টেবিল আগে থেকেই বানানো থাকে বিক্রির জন্য। কেউ কেউ আবার অর্ডার দিয়ে টেবিল বানিয়ে নিয়ে যায়। কখনো এমন হয়, কারোর অর্ডার দেওয়া ওটবিল তৈরির পর অন্য একজন ক্রেতার তা পছন্দ হয়ে যায় এবং কিনে নিয়ে যায়। জানতে চাচ্ছি, আমার জন্য তা বিক্রি করা কি বৈধ হবে? উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়ে আমি অনুরূপ আরেকটি টেবিল বানিয়ে দেই।
প্রশ্ন (১০৯১২) : আমি এক ব্যক্তির সাথে মুযারাবা চুক্তিতে ব্যবসা করছিলাম। কিছূদিন আগে ব্যবসায়িক পণ্য কিনতে যাওয়ার সময় অ্যাকসিডেন্টের শিকার হই। আমার চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন। আমি কি মুযারাবার টাকা থেকে চিকিৎসার জন্য টাকা নিতে পারব?