কাযা নামাজ

ভুলে পানাহার করলে রোযা ভাঙে না।

প্রশ্ন (১১৭৪৫) : গত রমযানে একদিন ওযু করার সময় ভুলে পানি পান করে ফেলি। তখন আমি রোযা ভেঙে গেছে মনে করে দিনের বাকি সময় স্বাভাবিক পানাহার করি। তো ইচ্ছাকৃত পানাহার করার কারণে কি আমার উপর ঐ রোযার কাযা-কাফ্ফারা উভয়টি আদায় করতে হবে নাকি শুধু কাযা্ আদায় করলেই হবে?

সফর অবস্থায় নামায কাযা হয়ে গেলে মুকীম অবস্থায় সেই নামায কিভাবে আদায় করবে?

প্রশ্ন (১১৭০৭) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার বাড়ি খুলনা। কয়েকদিন আগে আমি দুই দিনের জন্য ঢাকায় মামার বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার আসরের নামায কাযা হয়ে যায়। কিন্তু আমি তা আদায় করি নি। এখন আমি বাড়িতে চলে এসেছি। তো এখন সেই ছুটে যাওয়া নামায কি আমি দুই রাকাত আদায় করব নাকি চার রাকাত আদায় করব?

সফর অবস্থায় নামায কাযা হলে করণীয়।

প্রশ্ন (১১৬৬৩) : কয়েকদিন আগে আমি কোনো কারণে সফর অবস্থায় আসর নামায পড়তে পারিনি। জানার বিষয় হল, এখন মুকীম অবস্থায় ঐ ওয়াক্তের কাযা কীভাবে আদায় করব? দুই রাকাত আদায় করব নাকি চার রাকাত?

নামাযরত অবস্থায় কোনো নারীর হায়েয শুরু হলে করণীয়।

প্রশ্ন (১১৬৬২) : আমি যোহরের নামাযের শেষ ওয়াক্তে নামাযে দাঁড়াই। নামাযরত অবস্থায় আমার মাসিক শুরু হয়ে যায়। তখন আমি নামায ছেড়ে দেই। এমতাবস্থায় পবিত্র হওয়ার পর কি আমার এই নামায পরে কাযা করে নিতে হবে?

সুন্নত নামায কাযা করা আবশ্যক নয়।

প্রশ্ন (১১৬৩১) : আমি যোহরের নামাযের আগের চার রাকাত সুন্নতে দাঁড়ানোর পর জামাত শুরু হয়ে যায়। তাই আমি দুই রাকাত পড়ে সালাম ফিরিয়ে জামাতে শরীক হই। নামাযের পর আর সেই সুন্নত নামাযটি পুনরায় পড়া হয়নি। এখন কি আমাকে ঐ চার রাকাত সুন্নতের কাযা করতে হবে? কারণ আমি শুনেছি, নফল ও সুন্নত নামায শুরু করলে তা ওয়াজিব হয়ে যায়।

ফজরের ওয়াক্ত ছুটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তায়াম্মুম করা যাবে না। ওযু করে নামায আদায় করতে হবে।

প্রশ্ন (১১৬২৫) : সকালে আমার ঘুম ভাঙার পর দেখি ফজরের ওয়াক্তের আর অল্প সময় বাকি আছে। এই সময়ে ওযু করতে গেলে নামায কাযা হয়ে যাবে। তাই আমি নামায কাযা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তায়াম্মুম করে ফজরের নামায আদায় করে নিই। হযরতের কাছে জানতে চাই, এভাবে তায়াম্মুম করে নামায আদায় করা কি সঠিক হয়েছে?

বেহুঁশ অবস্থায় নামায ছুটে গেলে কি কাযা করতে হবে?

প্রশ্ন (১১৫৬৮) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ আমার দাদা দুপুর তিনটার দিকে ব্রেইন স্ট্রোক করে বেহুঁশ হয়ে পড়েন। পরদিন দ্বিপ্রহর পর্যন্ত বেহুঁশ ছিলেন। দ্বিপ্রহরের পর তার হুঁশ ফিরে আসে। বেহুঁশ অবস্থায় তার যে চার ওয়াক্ত নামায ছুটে গিয়েছিল তা কি এখন তার উপর কাযা করা আবশ্যক?

সফর অবস্থায় রোযা কাযা করে মারা গেলে কি ঐ রোযার ফিদইয়া দিতে হবে?

প্রশ্ন (১১৫৬১) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার বাবা বৃদ্ধ ছিলেন। গত রমযানের শুরুতে তিনি ব্যবসার কাজে পাঁচ দিনের জন্য ঢাকা থেকে রাজশাহী সফরে যান। যেহেতু সফরে রোযা না রাখার অনুমতি আছে এবং শারীরিকভাবেও তার কিছুটা দুর্বলতা ছিল, তাই তিনি তিনটি রোযা রাখেননি। চতুর্থ দিন রোযা রাখেন এবং সেদিন তারাবীহের নামাযের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং এ রাতেই সফরে থাকা অবস্থায় তার ইন্তেকাল হয়ে যায়। যেহেতু তিনি তিনটি রোযা রাখেন নি এক্ষেত্রে কি তিন দিনের রোযার ফিদইয়া দিতে হবে? যদি দিতে হয়, তাহলে এক রোযার পরিবর্তে কী পরিমাণ টাকা দিতে হবে?

মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে রোযার ফিদইয়া দেওয়া সম্পর্কে

প্রশ্ন (১১৫০৫) : আমার দাদা গত বছর রমযানের শেষ দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ফলে তার ছয়টি রোযা কাযা হয়ে যায়। ঐ অসুস্থতার মধ্যেই ঈদের তিন দিন পর তিনি মারা যান। মুহতারামের কাছে জানার বিষয় হল, রোযাগুলোর ফিদইয়া দিতে হবে?

সকালে কাযার নিয়ত করে ভেঙ্গে ফেললে কয়টা রোযা রাখতে হবে

প্রশ্ন (১১৩৫৯) : কিছুদিন আগে আমি সকাল আটটার সময় আমার জিম্মায় থাকা একটি কাযা রোযা আদায়ের নিয়ত করি। পরবর্তীতে বাসায় মেহমান আসায় মেহমানের আবদারে তা ভেঙ্গে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, এখন আমাকে কয়টি রোযা কাযা করতে হবে?

ধারণার বশবর্তী হয়ে রোযা রেখে ভেঙ্গে ফেললে কাযা করতে হবে কি

প্রশ্ন (১১৩৫৮) : আমি ধারণা করেছিলাম যে আমার জিম্মায় রমযানের একটি রোযার কাযা থেকে গিয়েছে। তাই কাযার নিয়তে রোযা রাখা শুরু করি। পরবর্তীতে সুনিশ্চিতভাবে জানতে পারি যে, আমার জিম্মায় কোনো কাযা রোযা নেই। তাই তা ভেঙ্গে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, উক্ত রোযার কি কাযা করতে হবে?

সময় থাকলে আদা না হলে কাযা এভাবে নিয়ত করা যাবে কি

প্রশ্ন (১১৩৫৫) : আমি একবার মাগরিবের সময় এমন এক স্থানে উপস্থিত ছিলাম যেখানে ওয়াক্ত জানার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। মাগরিবের সময় শেষ হয়েছে কি না তাও জানতে পারিনি। তাই মাগরিবের নামাযের নিয়ত এভাবে করি যে, যদি ওয়াক্ত থাকে তাহলে আদায় আর নাহলে কাযা। জানতে চাচ্ছি, আমার নামায কি হয়েছে?

সফরে দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে পড়া যাবে কি

প্রশ্ন (১১৩৫৪) : আমি মদীনা ভার্সিটিতে পড়ি। এখান থেকে মাঝে মাঝে আমরা ছাত্ররা উমরা করতে মক্কায় যাই। পথে আমার সাথীরা ভিন্ন মাযহাবের হওয়ায় একই ওয়াক্তে দুই নামায একসাথে পড়ে। এ কারণে আমি তাদের সাথে নামায না পড়ে একাকি পড়ি। গাড়ি না থামানোর কারণে অন্য ওয়াক্তের নামায কাযা হয়ে যায় যা পরবর্তীতে পড়ে নেই। জানতে চাচ্ছি, তাদের মত আমি দুই ওয়াক্তের নামায একসাথে পড়তে পারব?

পরবর্তী বছর ইতিকাফ করা যাবে কি

প্রশ্ন (১১২৫২) : আমি মান্নত করেছিলাম যে, এই বছরের রমযানে ২০ দিন ইতিকাফ করব। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে তা আদায় করতে পারিনি। জানতে চাচ্ছি, আগামী রমযানে তা আদায় করতে পারব কি?

দ্বীনের বুঝ না থাকায় ভাঙ্গা রোযার কাফফারা কয়টি দিতে হবে

প্রশ্ন (১১২৫১) : আগে আমার দ্বীনের বুঝ ছিল না। সেসময় ইচ্ছাকৃত অনেক রোযা ভেঙ্গেছিলাম। এখন সেগুলো কাযা করতে চাচ্ছি। প্রশ্ন হল, আমার কাফফারা কয়টি দিতে হবে?