নফল পড়া অবস্থায় হায়েয আসলে কাযা করতে হবে কি
প্রশ্ন (১১২২০) : নফল নামায পড়া অবস্থায় কোনো নারীর যদি হায়েয শুরু হয় তাহলে পরবর্তীতে তার কাযা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১২২০) : নফল নামায পড়া অবস্থায় কোনো নারীর যদি হায়েয শুরু হয় তাহলে পরবর্তীতে তার কাযা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১১৮৩) : জনৈক ব্যক্তি সাহরীতে রোযা রাখার জন্য উঠেছে। কিন্তু সুবহে সাদিকের আগেই সে বেঁহুশ হয়ে যায়। জ্ঞান ফিরে ইফতারের পর। মাঝে কোনো খাবার বা অন্য কোনো জিনিস তার দেহে পুশ করা হয়নি। প্রশ্ন হল, তার উক্ত রোযা কি কাযা করতে হবে?
প্রশ্ন (১১১৮০) : ঢেকুরের সাথে কোনো তরল পদার্থ গলায় চলে আসার পর তা গিলে ফেললে রোযা ভেঙ্গে যাবে কি?
প্রশ্ন (১১০৯১) : আমার মামা কিছুদিন আগে ব্রেইন স্ট্রোক করে কোমায় চলে যান। লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় এক সপ্তাহ পর তিনি ইন্তেকাল করেন। জানতে চাচ্ছি, তার এক সপ্তাহের নামাযের ফিদয়া দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১০২২) : কেউ যদি রোযার কথা ভুলে পানাহার করে ফেলে তাহলে কি রোযার কাযা ও কাফফারা দিতে হবে?
প্রশ্ন (১১০২১) : কোনো নারী যদি রমযানে ইচ্ছাকৃত রোযা ভাঙ্গে এবং সেদিনই তার হায়েয আসে তাহলে কাযার সাথে কাফফারাও আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১১০১৬) : শাওয়াল মাসে রমযানের কাযা করার সময় শাওয়ালের ছয় রোযার নিয়ত করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১০৯৬৬) : যে নামায সুস্থ অবস্থায় কাযা হয়েছে সেগুলো অসুস্থ অবস্থায় তায়াম্মুম করে আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১০৯১৩) : কেউ যদি আইয়ামে তাশরীকে পূর্বের কাযা নামায আদায় করে তাহলে তাকবীর পাঠ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১০৭৪৮) : কিছুদিন আগে ফজরের সময় ঘুম ভাঙ্গতে দেরি হয়ে যায়। উঠে দেখি সময় একেবারে অল্প। অজু করতে গেলে সময় শেষ হয়ে যাবে। তাই তায়াম্মুম করে ফরজ পড়ে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, আমার কাজটি কি সঠিক হয়েছিল?
প্রশ্ন (১০৭২৪) : কেউ যদি বেহুঁশ হয়ে যায় তাহলে কি তার নামায মাফ হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১০৩৯৫) : স্বামী রাতের বেলা সহবাস করতে চান। কিন্তু শীতের রাত হওয়ায় শীতের কারণে ফজরের সময় গোসল করা হয় না। ফলে ফজরের নামায ছুটে যায়। আমার স্বামীকে বলেছি ফজরের পরে সহবাস করার জন্য। কিন্তু তিনি রাজি হন না। জানতে চাচ্ছি, আমি কি স্বামীর ডাকে সাড়া দিয়ে ফজর কাযা করব নাকি ফজয ঠিক রাখবো?
প্রশ্ন (১০১০৭) : আমার একবার যোহরের সুন্নত আদায়ের সময় হায়েয শুরু হয়ে যায়। জানতে চাচ্ছি, পবিত্র হওয়ার পর উক্ত সুন্নত কাযা করা লাগবে কি?
প্রশ্ন (১০০৭৯) : আমি একবার ভুলে কসরের কাযা দুই রাকাতের পরিবর্তে চার রাকাত পড়ে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, উক্ত নামায কি আবার কাযা করতে হবে?
প্রশ্ন (৯৭১৯) : কিছুদিন আগে আমি আসরের সময় সফর শুরু করি। নিজ জেলার সীমা অতিক্রম করি। মাগরিবের ওয়াক্ত হয়ে যায়। গাড়িতে থাকায় আসর পরতে পারিনি। কিন্তু বিশেষ এক কারণে সফর কেন্সেল করে ঢাকায় ফিরে আসি। জানতে চাচ্ছি, আমি কি সেদিনের আসর কসরের কাযা করব নাকি পূর্ণ কাযা করব?
প্রশ্ন (৯৭১০) : আমি কিছুদিন আগে চার রাকাত নফল নামায পড়ার নিয়ত করি এবং নামায শুরু করি। কিন্তু নামায শুরু করার পর আমার দুধের বাচ্চা কান্নাকাটি শুরু করে। দুই রাকাত পড়ে আমি সালাম ফিরিয়ে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, বাকি দুই রাকাতের কাযা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৯৭০৫) : দ্বীনের জ্ঞান না থাকার কারণে যে সকল ফরয নামায কাযা হয়ে গিয়েছে সেগুলোর কাযা কি করতেই হবে?
প্রশ্ন (৯৫৯৭) : আমি একবার কাজ করে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। তাই ইচ্ছা করে রোযা ভেঙ্গে ফেলি। কিন্তু সেদিন বিকালেই আমার হায়েয চলে আসে। জানতে চাচ্ছি, আমার কি উক্ত রোযার কাযা করা লাগবে?
প্রশ্ন (৯৫২৯) : জনৈকা নারী মাগরিবের ফরয পড়া অবস্থায় হায়েয শুরু হয়ে যায়। জানতে চাচ্ছি, পরবর্তীতে তার কি উক্ত মাগরিবের কাযা করতে হবে?
প্রশ্ন (৯৫১৬) : কেউ যদি অজ্ঞান হয়ে যায় তাহলে তার ছুটে যাওয়া নামাযের কাযা করতে হবে কি?