তিলাওয়াত

ফজরের নামাযে ইমাম সাহেব সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা করার পর নামাযে শরিক হলে কি মুসল্লির উপর তিলা…

প্রশ্ন (১৩৮৪০) : আমি ফজরের নামাযের সময় মসজিদে গিয়ে দেখি জামাত দাঁড়িয়ে গেছে। তাই আমি মসজিদের বারান্দায় সুন্নত পড়ছিলাম। ইমাম সাহেব সূরা ফাতিহার পর সূরা আলিফ-লাম-মীম সাজদা পড়েন। সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা আদায় করেন। আমি ইমাম সাহেবের সঙ্গে সিজদার আয়াতে শরিক হতে পারিনি। তবে ঐ রাকাতেই রুকুর আগে শরিক হয়েছি। জানার বিষয় হল, আমার কি পরবর্তীতে তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করতে হবে?

তারাবীর নামায একসাথে চার রাকাত পড়ে ফেললে উক্ত নামাযের বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৮২০) : এই রমযানে আমাদের মসজিদে এক হাফেয সাহেব তারাবীর নামাযে ভুলে দ্বিতীয় রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যান এবং অতিরিক্ত দু রাকাত মিলিয়ে মোট চার রাকাত পড়ে সাহু সিজদার মাধ্যমে নামায শেষ করেন। নামায শেষে এ নিয়ে মুসল্লিদের মাঝে মতবিরোধ দেখা দেয়। কেউ কেউ বলে যে, সাহু সিজদার দ্বারা চার রাকাতই তারাবী হিসেবে সহিহ হয়েছে। কেউ বলে যে, শুরুর দু রাকাত সহিহ হয়েছে, শেষের দু রাকাত নয়। আবার কেউ বলে, শেষের দু রাকাত তারাবী হিসেবে ধরা হবে। এখানে আসলে কোনটি সঠিক? দয়া করে মাসআলাটির সঠিক সমাধান জানিয়ে আমাদের বিবাদ নিরসন করবেন।

হায়েযের সময় কোনো মহিলা দলিল পেশ করার উদ্দেশ্যে কুরআনের আয়াত পাঠ করতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩৭৮৬) : হায়েযরত অবস্থায় তিলাওয়াতের নিয়ত ব্যতীত শুধু দলিল পেশ করার উদ্দেশ্যে এক শ্বাসে অথবা শ্বাস ছেড়ে ছেড়ে কুরআনের আয়াত পড়া যাবে কি?

কম্পিউটারে সিজদার আয়াত টাইপ করলে কি সিজদা ওয়াজিব হবে?

প্রশ্ন (১৩৭১৭) : আমার একটি কম্পিউটার দোকান আছে। সেখানে টাইপ ও কম্পোজের কাজ করি। প্রায়ই মাদরাসার ছাত্র-হুযুরদের লেখা টাইপ করতে হয়। তাদের লেখায় কুরআনের আয়াত, হাদিস ইত্যাদিও থাকে। অনেক সময় সিজদার আয়াতও টাইপ করতে হয়। হুজুরের কাছে প্রশ্ন হল, সিজদার আয়াত টাইপ করলে কি সিজদা ওয়াজিব হবে?

মুসল্লি ফজরের সুন্নত পড়া অবস্থায় ইমাম সাহেবের সিজদার আয়াতের তিলাওয়াত শুনলে কি তার উপর তিলাওয়াতে সিজ…

প্রশ্ন (১৩৭১৩) : ফজেরের সময় আমি মসজিদে গিয়ে দেখি ইমাম সাহেব ফজরের নামায শুরু করে দিয়েছেন। তাই আমি বারান্দায় সুন্নত পড়া আরম্ভ করি। একপর্যায়ে ইমাম সাহেব সিজদার আয়াত পাঠ করেন এবং সিজদা দিয়ে দেন। এরপর আমি ইমাম সাহেবের সাথে প্রথম রাকাতের রুকুতে শরিক হই। আমার প্রশ্ন হল, আমি তো সিজদার আয়াত শুনেছি। কিন্তু ইমাম সাহেবের সাথে সিজদায় শরিক হতে পারিনি। এখন আমার করণীয় কী? আমার উপর কি আলাদাভাবে ঐ সিজদা আদায় করা ওয়াজিব?

মাকরূহ ওয়াক্তে সিজদায়ে তিলাওয়াত আদায় করলে কি তা সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৬৯০) : আমি ফজরের নামাযের পর মসজিদে বসে কুরআন তিলাওয়াত করছিলাম। তখন আমি একটি সিজদার আয়াত তিলওয়াত করি। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সিজদা দেইনি। তিলাওয়াত শেষ করে সিজদা আদায় করি। পরে ক্যালেন্ডার দেখে জানতে পারি যে, তেলাওয়াতটি সূর্যোদয়ের আগে হলেও সিজদাটি সূর্যোদয়ের সময় আদায় হয়েছে। আমার প্রশ্ন হল, আমার সিজদাটি কি আদায় হয়েছে নাকি পরে আবার তা আদায় করতে হবে?

তারাবীহর নামাযে সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা না করলে কি নামায আদায় হবে?

প্রশ্ন (১৩৬৪৪) : এই রযমানে একদিন তারাবীহর নামাযের পূর্বে সিজদার আয়াতের কথা বলতে ভুলে যাই। সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করা সত্ত্বেও বিশৃঙ্খলার ভয়ে আর সিজদা করিনি। এখন জানতে চাই, আমাদের উক্ত নামায কি আদায় হয়েছে? যদি আদায় না হয়ে থাকে তবে এখন কী করণীয়?

তারাবীহর নামাযে তিলাওয়াতের সিজদা আদায় না করলে কি নামাযে কোনো সমস্যা হবে?

প্রশ্ন (১৩৫৯২) : এবার রমযানে একদিন তারাবীহর নামাযের পূর্বে সিজদার আয়াতের কথা ঘোষণা করতে ভুলে যাই। সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করা সত্ত্বেও বিশৃঙ্খলার ভয়ে সিজদা করিনি। এরপর স্বাভাবিকভাবে নামায শেষ করেছি। জানতে চাই, আমাদের উক্ত নামায কি আদায় হয়েছে? যদি আদায় না হয় তবে এখন আমাদের করণীয় কী?

জুমার খুতবায় কি কুরআনের আয়াত ও হাদিস পাঠ করা জরুরি?

প্রশ্ন (১৩৫৮৯) : আমাদের এলাকার মসজিদে একজন নতুন খতীব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বেশ কয়েক জুমায় প্রথম ও দ্বিতীয় খুতবায় কোনো আয়াত-হাদিস পাঠ করেননি। আরবীতে হামদ ও সানা পড়ার পর কিছু নসীহত করেই শেষ করে দেন। জানার বিষয় হল, এভাবে খুতবা দিলে কি হয়ে যাবে? নাকি আয়াত-হাদিসও পড়তে হবে?

তারাবীহর নামায পড়িয়ে হাদিয়া গ্রহণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫০৬) : আমি তিন বছর যাবৎ গ্রামের একটি মসজিদে তারাবীহ পড়াই। মসজিদের কমিটি আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমাকে অল্প কিছু হাদিয়া দিয়েছে। আর আমার ছোট ভাইও দু’বছর একটি বাসায় তারাবীহ পড়িয়েছে এবং একইভাবে তাকেও হাদিয়া দেওয়া হয়। আর একজন মুসল্লি তাকে একটি পাঞ্জাবির কাপড়ও দিয়েছেন। জানার বিষয় হল, এই হাদিয়া কি আমাদের জন্য বৈধ হবে?

কুরআন তিলাওয়াতের সময় সিজদার আয়াত আস্তে পড়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৪৬৩) : একদিন মসজিদে নামায পড়ছিলাম। আমার পাশে বসে এক ব্যক্তি উঁচু আওয়াজে কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করছিল। তিলাওয়াতের মাঝে একটি সিজদার আয়াত এলে সেটাও সে আওয়াজ করেই পড়ল। আমি নামায শেষ করে তাকে বললাম, সিজদার আয়াতখানা আস্তে পড়লেই তো পারতেন। সে বলল, সব আয়াত জোরে পড়ে শুধু সিজদার আয়াত আস্তে পড়া মাকরূহ। জানার বিষয় হল, তার এ কথা কি ঠিক? সঠিক বিষয়টি জানালে উপকৃত হব।

মাসিকের সময় মহিলারা দুআ পড়তে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩৪৫৭) : আম্মু ঋতুস্রাবের দিনগুলোতেও বিভিন্ন মাসনুন দুআ পড়েন। আম্মুর দেখাদেখি আমরাও এ সময়গুলোতে মাসনুন দুআসমূহ আদায় করি। কিন্তু একজন বলল, মেয়েদের জন্য এ সময়ের দুআ-দরূদ পড়া কিংবা যিকির-আযকার করা কোনোটিই জায়েয নেই। জানতে চাচ্ছি, এই কথা কি সঠিক?

মৃব ব্যক্তির পাশে বসে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৪৩৯) : কিছু দিন আগে আমার মামা মারা গিয়েছেন। গোসল দেওয়ার পর তার লাশ বারান্দায় রাখা হয়। আমার মামাতো ভাই মাদরাসার কয়েকজন ছাত্রকে এনে লাশের পাশে তাদেরকে তিলাওয়াত করতে বসালেন। তখন আমার মনে পড়লে কোথায় যেন শুনেছি, মৃত ব্যক্তির পাশে বসে তিলাওয়াত করা উচিত নয়। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, মৃত ব্যক্তির পাশে বসে কি কুরআন তিলাওয়াত করা যায়? সঠিক বিষয়টি জানতে চাই।

বার বার টিস্যু দিয়ে রক্ত মুছে ফেললে কি ওযু বহাল থাকবে?

প্রশ্ন (১২০২৫) : আমি তিলাওয়াত করা অবস্থায় আমার শরীরের ঘা থেকে রক্ত ঝরছিল। তাই আমি অযু ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কায় রক্ত গড়িয়ে পড়ার আগেই তা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলছিলাম। এভাবে একটু পরপর অনেক রক্ত ঝরছিল , আর প্রত্যেকবারই আমি রক্ত গড়িয়ে পড়ার আগেই তা মুছে ফেলছিলাম। আমি জানতে চাচ্ছি, রক্ত গড়িয়ে পড়ার আগে মুছে ফেলার দ্বারা কি আমার ওযু বহাল আছে নাকি ভেঙে গেছে?

হায়েজ অবস্থায় সিজদার আয়াত শুনলে কি সিজদা করা আবশ্যক?

প্রশ্ন (১১৬১৮) : আমার ছেলে যখন ঘরে বসে কুরআন তিলাওয়াত করে আমি তার পাশে বসে তার তিলাওয়াত শুনি । একদিন সে একটি সিজদার আয়াত পড়ে। আমি সেদিন হায়েয অবস্থায় ছিলাম। আমার উপর কি এ কারণে সিজদায়ে তিলাওয়াত আদায় করা আবশ্যক?

ওযু অবস্হায় ঘুমানোর ফজিলত।

প্রশ্ন (১১৪৮১) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, রাতে ঘুমানোর আগে ওজু করে ঘুমানো অনেক ফজিলত । ১. আমি ওজু করার পর ঘুমের আগের আমলগুলো করি। যেমন- আয়াতুল কুরসি পাঠ, তিন কুল পাঠ, সূরা বাকারাহ'র শেষ দূই আয়াত ইত্যাদি। কিন্তু এরপর প্রায়ই আবার পেশাবের বেগ আসে বা বায়ু বের হয়। এ অবস্থায় আবার ওজু করে কি আবার রাতের আমল করতে হবে? নাকি শুধু ওজু করলেই হবে? ২. বিয়ের পর ঘুমের আগে স্বামী স্ত্রী সহবাস হয় জানি। তখন তো ওজু করার ফজিলত পাবোনা। সেক্ষেত্রে কি বিছানায় যাওয়ার আগে ওজু করে নিলে আর আমলগুলো আগে করলে ফজিলত পাওয়া যাবে?