পণ্য হস্তগত হওয়ার পূর্বে বিক্রি করা যাবে কি
প্রশ্ন (৬৭৮০) : আমি একটি টেবিল বানানোর অর্ডার দিয়েছি। সেটা এখনো হাতে পাইনি। এরই মধ্যে আমার এক বন্ধু সেটা কিনতে চাচ্ছে। আমি তার কাছে তা বিক্রি করতে পারব?
প্রশ্ন (৬৭৮০) : আমি একটি টেবিল বানানোর অর্ডার দিয়েছি। সেটা এখনো হাতে পাইনি। এরই মধ্যে আমার এক বন্ধু সেটা কিনতে চাচ্ছে। আমি তার কাছে তা বিক্রি করতে পারব?
প্রশ্ন (৬৭৩২) : বাইয়ে সালাম হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন কত দিনের মেয়াদ থাকতে হবে?
প্রশ্ন (৬৬৮১) : এক সময় শুনতাম, এক মাসের কম বাইয়ে সালাম জায়েয নেই। কিন্তু এখন কারও কারও মুখে শুনি, এক মাসের কমও বাইয়ে সালাম জায়েয। সঠিক কোনটি?
প্রশ্ন (৬৬৬৭) : এক সময় শুনতাম, এক মাসের কম বাইয়ে সালাম জায়েয নেই। কিন্তু এখন কারও কারও মুখে শুনি, এক মাসের কমও বাইয়ে সালাম জায়েয। সঠিক কোনটি?
প্রশ্ন (৬৬৩১) : আমি যদি কারও সাথে তিন দিনের সময়ে বাইয়ে সালাম করি তাহলে তা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৬৬১৯) : আমি এক ব্যক্তির সাথে চুক্তি করেছিলাম, সে আমাকে ২০ মণ চাল দিবে। আমি তাকে টাকা দিয়ে দিয়েছি। কিন্তু সে ৫ মণ চাল দেওয়ার পর এখন বলছে, চালের পরিবর্তে এই মূল্যে পেঁয়াজ নিয়ে যেতে। এটা কি বৈধ হবে?
প্রশ্ন (৬৪৭৭) : আমাদের গ্রামে প্রচলিত আছে যে, বড় ব্যবসায়ীরা অনেক ধান একসাথে কিনে নেয়। এরপর ধান পেতে পেতে আও দুই মাস চলে যায়। এর মধ্যেই তারা আবার এগুলোকে ছোট ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতে থাকে। অথচ ধান এখনো ক্ষেতেই রয়ে গেছে। এ ব্যবসার বিধান কী?
প্রশ্ন (৪৭৪১) : আমি স্টীলের বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে বিক্রি থাকি। অনেক সময় কোনো ক্রেতা বিভিন্ন পণ্যের অর্ডার দিয়ে থাকে। পণ্যটি তৈরি করার পর তা অন্য কারো কাছে বেশি দামে বিক্রি করা যাবে কি? উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়ের মাঝেই আমি আগের ক্রেতার অর্ডারকৃত পণ্য পুনরায় তৈরি করে দিতে পারি।
প্রশ্ন (৩৫৯০) : আমি একজন ইট ব্যবসায়ী। আমি ইট ভাটার মালিকের সাথে এভাবে চুক্তি করি যে, সে আমাকে একমাস পর ৩ হাজার ইট দিবে। আমি তাকে ইট বাবদ ১৫ হাজার টাকা অগ্রীম দিব। অনেক সময় এমন হয় একমাস পর ইটের দাম আমার প্রদত্ত দামের চেয়ে আরো ২ হাজার টাকা বাড়তি হয়। জানতে চাচ্ছি, এ জাতীয় চুক্তি বৈধ হবে কি? বৈধ হলে আমার জন্য কি একমাস পরের বাড়তি মূল্য দিতে হবে?
প্রশ্ন (২৮৫৩) : আমাদের একটি কাঠাল বাগান আছে। আমি আপনাদের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, মুকুল আসার পরপরই তা বিক্রি করা বৈধ নয়। কিন্তু আমি ফল পাকার আগেই ফল বিক্রি করতে চাচ্ছি। জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে বৈধ কোনো পদ্ধতি আছে কী?
প্রশ্ন (২৮৫২) : আমার চাচার একটি আম বাগান আছে। তিনি এই বছর গাছে মুকুল আসার সাথে সাথে পুরো বাগানের ফল বিক্রি করে দিয়েছেন। আমাদের এলাকার একজন আলেম সাহেব বললেন, এভাবে ফল বিক্রি করা বৈধ হয়নি। প্রশ্ন হল, উক্ত আলেম সাহেবের বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৪৭৯) : আমি এক ব্যক্তির সাথে এভাবে ক্রয় বিক্রয় চুক্তি করেছি যে, সে এক মাস পর আমাকে একটি পণ্য দিবে। পণ্যটি যেন ঠিক মত আদায় করা হয় এই জন্য বিক্রেতার একটি বস্তু আমার কাছে বন্ধক রূপে থাকবে। প্রশ্ন হলো, এভাবে চুক্তি করা কি সহিহ হয়েছে?
প্রশ্ন (১৩৮৩) : আমি এক ব্যক্তির সাথে এই মর্মে চুক্তি করেছি যে, আমি তাকে ২ লক্ষ টাকা দিব, সে ৬ মাস পরে আমাকে সাড়ে ৭ হাজার ইট তৈরি করে দিবে। পাশাপাশি আমি তৃতীয় আরেক ব্যক্তির সাথে এই মর্মে চুক্তি করেছি যে, আমি তাকে সেই সাড়ে ৭ হাজার ইট দিব। বিনিময়ে সে আমাকে আড়াই লক্ষ টাকা দিবে। আমার প্রশ্ন হলো, উক্ত চুক্তি দু’টি শুদ্ধ হয়েছে কী?
প্রশ্ন (১৩৮১) : আমি এক ব্যক্তির সাথে ৫ হাজার টাকা দিয়ে এই মর্মে চুক্তি করেছি যে, ৫ মাস পরে সে আমাকে নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ সুপারি দিবে। আর সুপারি বড় ছোট হয়ে থাকে। বড় ছোট হওয়ার কারণে মূল্যেও তারতম্য হয়ে থাকে। আমার প্রশ্ন হলো, এ ধরনের চুক্তি কি বৈধ হয়েছে?
প্রশ্ন (৯১২) : যদি কোন ব্যক্তি ১০০০০ টাকা ধার নেয় এ শর্তের উপর যে, সে ঋণদাতাকে ছয় মাস পর ২০ মণ চাল দেবে। এখন উল্লিখিত সময় হওয়ার পর ঋণদাতার চালের প্রয়োজন না থাকায় বা ক্রয়-বিক্রয়ের ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য উভয়ের সম্মতিক্রমে চালের পরিবর্তে বাজার দর হিসেবে উক্ত চালের মূল্য গ্রহণ করা ঋণ দাতার জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৯১১) : আমাদের এলাকায় নিয়ম আছে যে, কার্তিক মাসে কৃষকরা বিত্তশালী বা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আলু উঠানোর পূর্বে আলুর উপর দাম ধরে অগ্রিম টাকা নেয়। এর বিনিময়ে ফাল্গুন মাসে আলু উঠানোর সময় শতকরা হারে এক মন করে আলু দিয়ে থাকে। বাজারে আলুর দাম কম হোক বা বেশি হোক- এর প্রতি কোনো লক্ষ্য রাখা হয় না। শরিয়তের দৃষ্টিতে তা কি বৈধ?
প্রশ্ন (২৫৭) : বায়সে সালাম বা অগ্রিম ক্রয় কখন জায়েয কখন নাজায়েয